Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Football

ফের কৃষ্ণ সহায়, আইএসএলের ফিরতি ডার্বির রংও সবুজ-মেরুন

তিরির আত্মঘাতী গোলে প্রথমার্ধে অবশ্য চাপে পড়ে গিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১, ২৩:৩৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২১, ২৩:৩৫

options
link
ফের কৃষ্ণ সহায়, আইএসএলের ফিরতি ডার্বির রংও সবুজ-মেরুন zoom

এটিকে মোহনবাগান- ৩ (রয় কৃষ্ণ, উইলিয়ামস, জাভি)
এসসি ইস্টবেঙ্গল-১ (তিরি-আত্মঘাতী)

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ঠিক যেন ISL-এর প্রথম ডার্বির পুনরাবৃত্তি। প্রথম ডার্বিতে ২-০ গোলে জিতেছিল এটিকে মোহনবাগান (ATK-Mohun Bagan)। আর ফিরতি ডার্বিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসসি ইস্টবেঙ্গলকে (SC East Bengal) ৩-১ গোলে হারাল হাবাসের ছেলেরা। একটি গোল করে এবং দুটি গোল করিয়ে ম্যাচের নায়ক রয় কৃষ্ণ।

Advertisement

প্লে-অফে যাওয়ার আশা আগেই শেষ হয়ে গিয়েছিল। এদিন কার্যত সম্মানের লড়াই ছিল এসসি ইস্টবেঙ্গলের। আগের ম্যাচের অপরিবর্তিত দলই নামিয়েছিল লাল-হলুদ ব্রিগেড। অন্যদিকে, লিগ টেবিলে শীর্ষস্থান ধরে রাখতে এই ম্যাচ থেকে তিন পয়েন্ট পেতে মরিয়া ছিল এটিকে মোহনবাগানও। কারণ তাহলেই মিলবে এএফসি চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলার ছাড়পত্র। এদিন শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে খেলতে শুরু করেন রয় কৃষ্ণরা। ম্যাচের ১৫ মিনিটেই তার সুফল পায় এটিকে মোহনবাগান (ATK-Mohun Bagan)। দুরন্ত গোল করে দলকে এগিয়ে দেন রয় কৃষ্ণ। তবে এই গোলের জন্য লাল-হলুদ রক্ষণও অনেকাংশে দায়ী। বিশেষ করে রাজু গায়কোয়াড। তিরির লং বল রাজুর মাথা টপকে রয় কৃষ্ণর পায়ে এসে পড়ে। তারপরই দ্রুত গতিতে লাল-হলুদ খেলোয়াড়দের পিছনে ফেলে আগুয়ান গোলরক্ষক সুব্রত পালকে কাটিয়ে বল জালে জড়ান ফিজির তারকা।

এরপরই সবুজ-মেরুনের আক্রমণের ঝাঁজ আরও বাড়ে। যদিও প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার পাঁচ মিনিট আগেই গোল শোধ করে ইস্টবেঙ্গল। রাজুর লম্বা থ্রো ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের জালেই বল ঢুকিয়ে দেন তিরি। ফলে প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় ১-১ গোলে।

[আরও পড়ুন: ফের উপেক্ষা, আইপিএল নিলামে এবারও দল পেলেন না বাংলার কোনও ক্রিকেটার]

দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম দিকে কিছুটা হলেও লড়াইয়ে ফিরেছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু পরে ম্যাচের রাশ নিজেদের হাতে তুলে নেয় হাবাসের ছেলেরা। আর প্রথমার্ধের পর দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচের রং পালটে দেন সেই রয় কৃষ্ণ। ৭২ মিনিটে তাঁর পাস থেকে সবুজ-মেরুনকে এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। এই সময়ও দোষ সেই লাল-হলুদ রক্ষণেরই। মহাভুল করে বসেন এসসি ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়ক ড্যানি ফক্স। ভুল করে কৃষ্ণর পায়ে বল জমা করে দেন তিনি।  কৃষ্ণের পাস থেকে বল পেয়ে গড়ানে শট নেন ডেভিড উইলিয়ামস। শরীর ছুড়েও সেই বল ধরতে পারেননি সুব্রত। এখানেই শেষ নয়, ৮৮ মিনিটে কৃষ্ণর ফের দৌরাত্ম্য। তাঁর পাস থেকেই লাল-হলুদের কফিনে শেষ পেরেকটি পোঁতেন জাভি। দুরন্ত হেডে গোলটি করেন এই স্প্যানিশ ফুটবলারটি। ম্যাচ হেরে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েন লাল-হলুদের অ্যারন এবং দলের অধিনায়ক ফক্সকে। দু’জনকে তর্ক করতেও দেখা যায়।

এদিনের ম্যাচে কার্যত কোনও লাল-হলুদ খেলোয়াড়ই তেমন দাগ কাটতে পারেননি। এমনকী নিজেদের নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি এসসি ইস্টবেঙ্গলের ব্রাইট-স্টেইনম্যান-মাঘোমারা। অন্যদিকে, হতশ্রী দেখিয়েছে লাল-হলুদ রক্ষণকে। যার সুযোগই কার্যত নিলেন রয় কৃষ্ণ-ডেভিড উইলিয়ামসরা।

[আরও পড়ুন: দেশের হয়ে না খেলে আইপিএলে নাইটদের জার্সি গায়ে চাপাবেন শাকিব! বিতর্ক বাংলাদেশে]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.