Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১৬ আগস্ট ২০২৬
Mohun Bagan

কিয়ানের হ্যাটট্রিকে স্বস্তি, দু’ম্যাচ পর জয়ে ফিরে সুপার সিক্সের আশা বাঁচিয়ে রাখল মোহনবাগান

এদিন কলকাতায় এসেছেন ছাংতে। তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনায় ভরিয়ে দিয়েছেন মেরিনার্সরা। কলকাতায় তাঁর পা রাখার দিনেই ঘরোয়া লিগে জয়ে ফিরল মোহনবাগান। 

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১৭:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ১৩, ২০২৬, ১৭:০২

options
link
কিয়ানের হ্যাটট্রিকে স্বস্তি, দু’ম্যাচ পর জয়ে ফিরে সুপার সিক্সের আশা বাঁচিয়ে রাখল মোহনবাগান zoom
দুরন্ত হ্যাটট্রিক কিয়ান নাসিরির। ছবি মোহনবাগান সোশাল মিডিয়া।
Advertisement

মোহনবাগান ৩ (কিয়ান হ্যাটট্রিক)
বিধাননগর ০ 

কাস্টমসের পর ভবানীপুরের কাছে হার। কলকাতা লিগে পর পর দুই ম্যাচ হারে বেশ খানিকটা ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল মোহনবাগান। সুপার সিক্সের লড়াইয়ে টিকে থাকতে বিধাননগর এমএসের বিরুদ্ধে জয় ছাড়া বিকল্প ছিল না বাস্তব রায়ের দলের সামনে। এমন একটা মরণবাঁচন ম্যাচেই ছন্দে ফিরলেন কিয়ান নাসিরি, সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়রা। কিয়ানের জোড়া গোলে বিধাননগরকে ৩-০ হারিয়ে মহামূল্যবান তিন পয়েন্ট নিয়ে মাঠ ছাড়ল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। 

Advertisement

শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ছিল বাগান। প্রথম মিনিটেই গোলের সুযোগ এসেছিল। কিন্তু অফসাইডের কারণে সেই আক্রমণ থেকে গোল হয়নি। যদিও পালটা আক্রমণে বেশ কয়েকবার উঠে এসে মোহনবাগানের রক্ষণকে চাপে ফেলার চেষ্টা করে বিধাননগর। ১০ মিনিটে বাঁ-দিক থেকে রবিলাল মাণ্ডির ক্রস ঠিক জায়গায় পৌঁছয়নি। তবে তার চার মিনিট পরেই খুলে যায় গোলের দরজা। সুহেলে ভাটের রক্ষণচেরা পাস থেকে বল পেয়ে বিধাননগরের জালে বল জড়ান কিয়ান। এগিয়ে যাওয়ার পরেও আক্রমণের ঝাঁজ কমেনি মোহনবাগানের। ১৭ মিনিটে দূরপাল্লার শটে ব্যবধান বাড়ানোর চেষ্টা করেছিলেন সন্দীপ মালিক। তাঁর শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।

দু’মিনিট পরেই ফের গোলের কাছাকাছি পৌঁছে যায় মোহনবাগান। সুহেলের হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ২০ মিনিটে দুর্দান্ত ভাবে কয়েকজন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন বিভানজ্যোতি লস্কর। কিন্তু অ্যাঙ্গেল ঠিক না থাকায় গোলের ব্যবধান বাড়াতে পারেননি। ২২ মিনিটে ড্রিবল করে বক্সে ঢুকে পড়েছিলেন কিয়ানও। বিধাননগরের রক্ষণ শেষ মুহূর্তে বিপদ সামলে নেয়। ২৫ মিনিটে আরও সহজ সুযোগ এসেছিল সুহেলের সামনে। ফাঁকা গোল পেয়েও বল জালে জড়াতে পারেননি তিনি।

৩১ মিনিটে সায়নের বাড়ানো বলে জোরালো শট নিয়েছিলেন কিয়ান। দুরন্ত সেভ করে বিধাননগরকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখেন তাদের গোলকিপার। ৩৮ মিনিটে বিধাননগরের এক ফুটবলারের দূরপাল্লার শট অনায়াসে রুখে দেন মোহনবাগানের গোলকিপার। ৪০ মিনিটে ফের হতাশ হতে হয় বাগানকে। সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের শট পোস্টে লেগে প্রতিহত হয়। দু’মিনিট পর তন্ময় ঘোষের দূরপাল্লার শটও অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট। তবে বিরতির ঠিক আগে বিভানের বাড়ানো বল থেকে দ্বিতীয় গোলটি করেন কিয়ান নাসিরি। প্রথমার্ধেই ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় মোহনবাগান।

পর পর দুই ম্যাচে হারের পর যে তিন পয়েন্টের জন্য মরিয়া ছিল মোহনবাগান, প্রথম ৪৫ মিনিটেই তার ভিত গড়ে দেয় কিয়ানের জোড়া গোল। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচে ফিরতে গেলে বিরাট কিছু করতে হত বিধাননগরকে। তবে তা আর হয়নি। ৬০ মিনিটে নিশ্চিত পতন রোধ করেন মোহনবাগান গোলকিপার জাহিদ। ৬৫ মিনিটে সায়নের শট সেভ করেন বিধাননগর গোলকিপার। রিবাউন্ডে গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করলেন মোহনবাগান অধিনায়ক কিয়ান নাসিরি। ৭৭ মিনিটে তাঁকে তুলে নিলেন কোচ। তবে এতে ম্যাচের ফলাফলে কোনও বদল ঘটেনি। এই জয়ের ফলে অনেকটাই তৃতীয় স্থানে উঠে এল বাস্তব রায়ের দল। এদিন কলকাতায় এসেছেন ছাংতে। তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনায় ভরিয়ে দিয়েছেন মেরিনার্সরা। কলকাতায় তাঁর পা রাখার দিনেই ঘরোয়া লিগে জয়ে ফিরল মোহনবাগান। 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.