ভিভিএস লক্ষ্মণ: ক্রিকেটের এল ক্লাসিকো! আইপিএল ফাইনালে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স আর চেন্নাই সুপার কিংস মুখোমুখি হলে ম্যাচটাকে এর চেয়ে ভাল ভাবে বর্ণনা বোধহয় অসম্ভব। হায়দরাবাদের মাঠে আজ ফাইনাল। খারাপ লাগছে ভেবে যে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ তাতে খেলবে না। কিন্তু তাতে কী? বিশ্বাস করি, ধোনি বনাম রোহিত লড়াইও এখানকার তো বটেই, গোটা দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা উপভোগ করবে।
[আরও পড়ুন: আইপিএল ফাইনালের আগে কাদের দখলে অরেঞ্জ ও পার্পল ক্যাপ?]
এ বার লিগ আর প্লে-অফ মিলিয়ে দু’দল তিন বার মুখোমুখি হয়েছে। মুম্বই প্রতিবার বাজি মারলেও লড়াই গড়িয়েছে একেবারে শেষ পর্যন্ত। তা ছাড়াও ফাইনাল মানে অন্য লড়াই। সেখানে কেউ ফেবারিট থাকে না। আজ যে ভাল পারফর্ম করবে তারাই জিতবে। রোহিত সদলবলে ম্যাচটার জন্য তেতে রয়েছে জানি। কিন্তু ধোনির জন্যই মুম্বইকে ফাইনালে এগিয়ে রাখতে পারছি না। পরপর তিন বার ধাক্কা খাওয়ার পর চেন্নাই অধিনায়ক নিশ্চয়ই চূড়ান্ত যুদ্ধে পালটা আঘাত দিতে মরিয়া থাকবে। তাই বলতে বাধ্য হচ্ছি, মুম্বই আর আইপিএলের মধ্যে কাঁটা একটাই মহেন্দ্র সিং ধোনি।
বড় ম্যাচে বড় প্লেয়াররা পারফর্ম করে। ধোনি সেটা এবার বারবার দেখিয়েছে। আর ফাইনালে তো তিন জন এমএস-কে দেখতে মুখিয়ে থাকব। ক্যাপ্টেন ধোনি, উইকেটের পিছনে এবং সামনে ধোনি। মানে কিপার আর ব্যাটসম্যান। পরিসংখ্যান বলছে গোটা টুর্নামেন্ট ভাল খেললেও মুম্বইয়ের কাছে খেই হারিয়ে ফেলে চেন্নাই। এর আগে দু’দলের তিনটে আইপিএল ফাইনালের দু’টোয় চেন্নাই হেরেছে। তবুও আজ কী হবে, বলা খুব কঠিন। কারণ ধোনির উইকেটের পিছনে-সামনে দু’টোতেই এবার দুর্ধর্ষ ফর্মে থাকা। আর ওর ক্যাপ্টেন্সি নিয়ে তো আর নতুন করে কিছু বলার নেই। তাই সব মিলিয়ে বোধহয় বলা যায়, ফাইনালের ভাগ্য শুধুই এমএসের হাতে।
[আরও পড়ুন: একপেশে ম্যাচে দাদার দিল্লিকে দুরমুশ করে ফের ফাইনালে ধোনির চেন্নাই]
হায়দরাবাদের উইকেটে আমার মতে প্রচুর রান উঠবে। লিগের ম্যাচগুলোতেও তাই হয়েছে। মুম্বই ব্যাটিং লাইন আপের কাছে স্বর্গের মতো ব্যাপারটা। তা ছাড়া রোহিতরা দিন চারেক বিশ্রাম পেয়েছে। চেন্নাই টিমের চেয়ে অনেক তরতাজা হয়ে নামবে। এরপরেও রোহিতকে বলব, সাবধান। সামান্য ভুল পদক্ষেপ ফেললেই মাহি কিন্তু দ্বিতীয় সুযোগ দেবে না।
দশ বারের আইপিএলে আটবার ফাইনাল খেলছে চেন্নাই। আমি অবশ্য তাতে হাতি-ঘোড়া কিছু দেখছি না। ওরা খুব সহজ-সরল সিস্টেমে টিম চালায়। এমন ক্রিকেটারদের বেছে নেয় যারা দলের দর্শন, সিস্টেমের সঙ্গে সহজে মানিয়ে নিতে পারবে। সঙ্গে প্রত্যেকের উপর অগাধ আস্থা রাখা। এটা ক্রিকেটারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়। ওয়াটসনকে দেখুন। এ বার এমন কিছু খেলেনি। কিন্তু যখন প্রয়োজন পড়েছে, কাজটা ঠিক করে দিয়েছে। আর একটা কারণ, বাকি টিমগুলো প্রতিবার কোচ, ক্রিকেটারদের মুখ পালটায়। সব টিম যখন নতুন ভাবে পথ চলা শুরু করে, চেন্নাই হাঁটে সেই এক পুরনো ছকে। রবিবার দেখার, সেই ছক এক যুগ পরেও একইরকম কার্যকরী আছে কি না?
সর্বশেষ খবর
-
মাদ্রাসার আড়ালে বেআইনি কার্যকলাপ নয় তো? খুঁটিনাটি জানতে চেয়ে জেলাশাসকদের ‘ডেডলাইন’ নবান্নের
-
স্বপ্নের উড়ানে ‘আরোহণ ২০২৬’, মেধাকে স্বীকৃতি জানাল ডিসান হসপিটাল
-
সরকারি বালতিও চুরি! শ্রীরামপুরে গ্রেপ্তার ২ তৃণমূল নেতা
-
কাঁচামালের তীব্র সংকট! নৈহাটির জুটমিলে ‘সাসপেনশন অফ ওয়ার্ক’, বিপাকে হাজার শ্রমিক
-
হাদি হত্যা নিয়ে মমতার বক্তব্য ‘পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি’! গুরুত্ব দিতে নারাজ তারেকের সরকার