ক্রিকেটে ভারত আর পাকিস্তানকে এক গ্রুপে রাখা এখন নিয়মিত বিষয়। আইসিসি হোক বা এসিসি, প্রতিযোগিতা অন্তত একবার যাতে দুই দেশ মুখোমুখি হয়, তা নিশ্চিত করেন আয়োজকরা। ফুটবলে সাফের বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় তাদের এক গ্রুপে থাকাটা নতুন কিছু নয়। একই ছবি দেখা যায় হকির আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতেও। এবার এশিয়ান গেমসের টেবল টেনিসেও এক গ্রুপে রাখা হল এলওসি-র দু’পারে দুই দেশকে। পুরুষ ও মহিলা দুই বিভাগেই।
রবিবার থেকে গ্রুপ পর্বের ম্যাচ খেলতে নামবে দুই দল। পহেলগাঁও সন্ত্রাস পরবর্তী সময়ে ভারত-পাক ম্যাচের তীব্রতা বেড়েছে কয়েকগুণ। ক্রিকেট-ফুটবলে প্রতিপক্ষের সঙ্গে হাত পর্যন্ত না মেলানোর ছবিও দেখা গিয়েছে একাধিকবার। যদিও টেবল টেনিস দলের সে পথে হাঁটার সম্ভাবনা কম বলেই মনে করছেন দলের কোচ সৌরভ চক্রবর্তী। নাগোয়া থেকে হোয়াটসঅ্যাপ কলে বলছিলেন, “পাকিস্তানকে সাধারণ প্রতিপক্ষ হিসেবেই দেখছি। ওদের সঙ্গে হাত মেলানো বা না মেলানো কোনওটাই আমাদের ভাবনায় নেই। আর আমরা জিতলে সেটাই ওদের প্রতি জবাব দেওয়া হবে। তাই আমরা শুধু ম্যাচটা জেতার কথা ভাবছি।”
আরও পড়ুন:
পুরুষ বিভাগে পাকিস্তান ছাড়াও ভারতের লড়াই ইরান ও ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে। গত সংস্করণে ব্রোঞ্জ পেয়েছিল ইরান। অন্যদিকে, মহিলা বিভাগে অন্য দুই দেশ ইন্দোনেশিয়া এবং সিঙ্গাপুর। সিঙ্গলস এবং ডবলসের বিভিন্ন বিভাগেও কিছুটা ব্যাকফুটে ভারত। প্রতি বিভাগে বিরাট কোনও অঘটন না হলে, শেষ আটে উঠতে সমস্যা হবে না এদেশের প্যাডলারদের। কিন্তু কোয়ার্টার ফাইনালে প্রতিপক্ষ হতে পারে চিন বা জাপানের তারকারা। যা নিয়ে দলের এক সদস্য বলছিলেন, “সেমিফাইনালে না উঠলে পদক পাওয়া যাবে না। কিন্তু সেই পর্যায়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে চিন বা জাপানের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। এটা ঠিক যে, পদক পেতে হলে সেরাদের হারাতেই হবে। তবে সব বিভাগেই সেরাদের মুখোমুখি না হতে হলে ভালো হত।”
নাগোয়া পৌঁছে ইতিমধ্যেই অনুশীলন শুরু করে দিয়েছে ভারতীয় দল। তবে ট্রেনিং সেন্টারে পৌঁছানোর জন্য দীর্ঘ পথ যেতে হচ্ছে সুতীর্থা মুখোপাধ্যায়-সিন্ড্রেলা দাসদের। আসলে ভারতীয় প্যাডলারদের রাখা হয়েছে একটি ক্রুজে। যা নাগোয়া শহরের বাইরে, সমুদ্রতীরে। আর গেমসে টেবল টেনিস হচ্ছে টোকিও সিটির স্কাই হলে। যা নাগোয়া থেকেও প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে। ফলে ট্রেনিংয়ের জন্য যাতায়াতে ঘণ্টা তিনেক সময় লেগে যাচ্ছে দিয়া চিতালে-মানব ঠক্করদের। যা নিয়ে এক প্যাডলার বলছিলেন, “আমাদের প্র্যাকটিসের জন্য দু’ঘণ্টা বরাদ্দ। প্রতিদিন দুপুর দু’টো থেকে চারটে পর্যন্ত। কিন্তু ক্রুজ থেকে সেন্টার যাতায়াত করতে গিয়েই প্রায় তিন ঘণ্টা সময় লেগে যাচ্ছে!”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
৩ ঘণ্টা জল ভেঙে খাবার নিতে যাচ্ছেন দুর্গতরা! বুক সমান জলে ত্রাণের জন্য হাহাকার ভূতনিতে
-
গুগল ম্যাপের ‘কথা’ শোনাই কাল! লোকেশনে পৌঁছতে গিয়ে বাইক-সমেত সোজা খাদে! শোরগোল দুর্গাপুরে
-
প্রার্থীপদ প্রত্যাহারে ‘চাপ’ পুলিশের, নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেপ্তারিতে বিস্ফোরক প্রদেশ সভাপতি
-
নাটকীয় উপনির্বাচন! রেজিনগরে ‘ইউটার্ন’ রবিউলের, প্রত্যাহার করছেন না মনোনয়ন
-
ভারতের নারী প্রমাণ করেছে পরিবেশরক্ষা সরকারি প্রকল্পের বিষয় মাত্র নয়