Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Brij Bhushan POCSO

‘ভাইঝিকে হেনস্তা করা হয়নি, ফাঁসানো হচ্ছে ব্রিজভূষণকে’, বিস্ফোরক নির্যাতিতা কুস্তিগিরের কাকা

আমার পরিবারকে ব্যবহার করছে সাক্ষী-ভিনেশরা, দাবি নাবালিকা কুস্তিগিরের কাকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৩, ২১:২৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৩১, ২০২৩, ২১:২৫

options
link
‘ভাইঝিকে হেনস্তা করা হয়নি, ফাঁসানো হচ্ছে ব্রিজভূষণকে’, বিস্ফোরক নির্যাতিতা কুস্তিগিরের কাকা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ব্রিজভূষণ শরণ সিংয়ের (Brij Bhushan Sharan Singh) বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছেন কুস্তিগিররা। পকসো (POCSO) আইনের অপব্যবহার করা হচ্ছে কুস্তি ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক এই দাবি করলেন এক নির্যাতিতা নাবালিকা কুস্তিগিরের কাকা। তাঁর কথায়, সাক্ষী মালিক (Sakshi Malik) ও ভিনেশ ফোগাটরা (Vinesh Phogat) তাঁর পরিবারের সদস্যদের ভুল বুঝিয়ে ব্রিজভূষণকে ফাঁসাতে চাইছেন। প্রসঙ্গত বিজেপি সাংসদ ব্রিজভূষণ নিজেও দাবি করেছিলেন, তাঁর বিরুদ্ধে পকসো আইনের অপব্যবহার করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, নাবালিকা কুস্তিগিরের কাকার নাম অমিত পালোয়ান। কুস্তি ফেডারেশন সচিবের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া এফআইআরের তদন্ত করতে অমিতের বাড়িতে গিয়েছিল পুলিশ। সেই সময়েই গোটা ঘটনা জানতে পেরেছেন । যদিও নাবালিকা কুস্তিগির ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে অমিতের সম্পর্ক ভাল নয় বলেই জানা গিয়েছে। কিন্তু তাঁর মতে, ব্রিজভূষণকে ফাঁসাতেই তাঁর পরিবারকে ব্যবহার করছেন কুস্তিগিররা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দুঃস্বপ্নের দুটো ডেলিভারি কেড়েছে রাতের ঘুম, ভেঙে পড়েছেন মোহিত শর্মা]

ঠিক কী বলেছেন অমিত? তাঁর মতে, যে কুস্তিগিরকে নাবালিকা বলে দাবি করেছেন সাক্ষীরা, আসলে তাঁর বয়স কুড়ি বছর। তাঁকে হেনস্তার অভিযোগ কখনই পকসো আইনের আওতায় আসতে পারে না। সেই জন্যই অমিতের ভাইঝির বয়স ইচ্ছাকৃতভাবে কমিয়েছেন কুস্তিগিররা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “ওই মেয়েটি আমার ভাইঝি, ২০০৪ সালে ওর জন্ম। ২০ বছর বয়সি নির্যাতিতার ক্ষেত্রে কখনই পকসো আইন ব্যবহার করা যায় না।”

সেই সঙ্গে অমিতের দাবি, তাঁর ভাইঝিকে যৌন হেনস্তা করেননি ব্রিজভূষণ। সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছেন, “আমিই আমার ভাইঝিকে কুস্তি খেলায় উৎসাহ দিতাম। যখনই ওর সঙ্গে দেখা হয়েছে আমি জিজ্ঞাসা করেছি এরকম কিছু ঘটেছে কিনা। কিন্তু যৌন হেনস্তার মতো ঘটনা ঘটেনি বলেই আমার ভাইঝির মত। আমাদের পরিবারকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করতে চাইছেন নেতা ও শীর্ষস্থানীয় কুস্তিগিররা। আসলে কুস্তিগিররা কেন এমন কাজ করছেন, তা নিয়েই তদন্ত করা উচিত।” তবে ওই নাবালিকার বাবার দাবি, অমিতের সঙ্গে তাঁদের দীর্ঘদিন যোগাযোগ নেই। অন্যদিকে কংগ্রেসের অভিযোগ, পকসো আইনের আয়তায় থাকা নির্যাতিতার নাম ও পরিচয় প্রকাশ করা অপরাধ। কিন্তু বিজেপি নেতারা নির্যাতিতার আত্মীয়কে নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন। তাতেই ওই নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ্যে এসে গিয়েছে। 

[আরও পড়ুন: মাহেন্দ্রক্ষণে আবেগের গ্রাসে ‘সন্ন্যাসী রাজা’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.