‘মানিকতলার মেয়ে’ লেখা টিশার্ট গায়ে অত্যন্ত তৎপরতার সঙ্গে প্রচারে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। বাবা সাধন পাণ্ডে একসময় মানিকতলার বিধায়ক ছিলেন। পরবর্তীকালে মন্ত্রী হন। মা সুপ্তি পাণ্ডে ২০২৪-এর উপনির্বাচনে একই আসনে লড়ে বিধায়ক হন। সংবাদ প্রতিদিন ডট ইন-এ বহু প্রশ্নের উত্তর দিলেন শ্রেয়া পাণ্ডে (Shreya Pande)।
প্রশ্ন: সামনেই দ্বিতীয় দফার নির্বাচন। সারাদিন বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রচার করছ। প্রেশার কেমন?
উত্তর: চাপ নেই, বরং খুব ভালো লাগছে। খাটতে হচ্ছে, তবে আমি খাটতে ভালোবাসি। এখন প্রচার শেষ করে ইন্টারভিউ দিচ্ছি। সকাল হলেই আবার বেরিয়ে পড়ব প্রচারে।
প্রশ্ন: তুমি তো সারা বছর প্রচার করো। প্রচার তোমার কাছে নতুন নয়।
উত্তর: এই প্রচারটা আমার কাছে খুব স্পেশাল। আমি সারা বছর প্রচার করি না। কখনও সংবাদমাধ্যমকে ডেকে বলিনি আমার কাজ চ্যানেলে দেখাতে। প্রচার কখনও সংবাদমাধ্যমে হয়ও না, বরং ‘হুইসপারিং ক্যাম্পেন’ হয়।
আরও পড়ুন:
প্রশ্ন: তোমার প্রতিদ্বন্দ্বী বিজেপির হেভিওয়েট প্রার্থী তাপস রায়, যে তোমার বাবার বন্ধু। ‘কাকা’ বলে ডাকো। মানসিক চাপ অনুভব করছ না?
উত্তর: আমার মনে হয়, এখন লাইটওয়েটের যুগ। আমাকে একজন ডাক্তার বলেছিলেন, “তোমার মেয়েটা কিছুই খায় না, এক্কেবারে লাইটওয়েট।” আমি বললাম, সেটাই তো ভালো! আমার নিজের ওয়েট হেভি নয়, আমি হেভিওয়েট নিয়ে ভাবব কেন?
প্রশ্ন: অর্থাৎ মানিকতলায় তাপস রায়কে প্রার্থী করে বিজেপি এমন কিছু ‘এক্স-ফ্যাক্টর’ তৈরি করতে পারেনি বলছ?
উত্তর: ‘এক্স-ফ্যাক্টর’ আবার কী? আমিই মানিকতলার এক্স-ওয়াই-জেড ফ্যাক্টর। এবং এ প্লাস প্লাস ফ্যাক্টরও!
প্রশ্ন: বিজেপি অন্য কোনও প্রার্থী দিলেও কি তোমার প্রচারের ধরণ একই থাকত?
উত্তর: অন্য কোনও দল কাকে প্রার্থী করবে বা করবে না— তা নিয়ে ভাবছি না। চারদিকে কেবল আমার নামেরই চর্চা বলছে। আকাশে-বাতাসে কেবল আমি, আমি আমি!
প্রশ্ন: ২০২১-এ তোমার বাবা সাধন পাণ্ডে এই কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছিলেন এবং জিতেছিলেন। পরবর্তীকালে উপ-নির্বাচনে তোমার মা সুপ্তি পাণ্ডে রেকর্ড ভোটে জয়ী হন। ’২৬-এ তুমি প্রার্থী। কিছুদিন আগে তোমার পাড়ার একজন বললেন, তিনি বাবা-মা-মেয়ে- তিনজনের প্রচারেই গিয়েছেন।
উত্তর: তুমি কেবলমাত্র একজন এমন মানুষের দেখা পেয়েছ। যিনি আমার বুথকর্মী, তিনি আমার বাবা-মায়েরও বুথকর্মী ছিলেন। যারা প্রচার করছেন, বা এলাকার ভোটার— ধারাবাহিকভাবে বাবা, মাকে ভোট দিয়েছে এবং আমাকে ভোট দেবে।
আরও পড়ুন:
“আমি একজন হিন্দু মেয়ে, আমি শ্রেয়া পাণ্ডে। পুজোআচ্চা করি, ওদের সেন্টিমেন্ট বুঝি। আমি মডার্ন হাইস্কুলে পড়েছি— পুরোপুরি মাড়োয়ারি স্কুল। আমার বহু নন-বেঙ্গলি বন্ধু আছে— খ্রিস্টান, জৈন, শিখ, মাড়োয়ারি। মানিকতলা একটা ৯৯.০২% হিন্দু অধ্যুষিত বিধানসভা। সাধন পাণ্ডে এই হিন্দু-ওরিয়েন্টেড বিধানসভা থেকে বহুবারের অপরাজেয় বিধায়ক।”
প্রশ্ন: তোমার মা কতটা খুশি তুমি টিকিট পাওয়ায়?
উত্তর: মা অত্যন্ত খুশি। আমার মা চমৎকার একজন মানুষ। মা হিসেবে ব্যক্তিক্রমী। বাবা চলে যাওয়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলাম। মা নিজে না ভেঙে, আমাকে গড়ে তুলেছে। মা আমার ভীষণ ভালো বন্ধু। ব্যক্তিজীবনে প্রচণ্ড অ্যাডভেঞ্চারাস। ছবি আঁকতে ভালোবাসে। মা আর আমি ৫ ডিগ্রিতে, মাথায় টর্চ লাগিয়ে নৌকায় চেপে অন্ধকার গুহায় জোনাকি খুঁজতে গিয়েছি! ওয়াটার স্পোর্টস, বাঞ্জি জাম্পিং সবের ভীষণ শখ। ‘জয় হনুমান জি’ বলে ঝাঁপ দিতাম। মা বারণ করত, সঙ্গও দিত।
প্রশ্ন: তোমার মেয়ে আদর সারাদিন মাকে পাচ্ছে না। কীভাবে সামলাচ্ছ দুই দিক?
উত্তর: সিঙ্গেল পেরেন্ট হলে বাচ্চাকে অনেকটা বোঝাতে হয়। বাচ্চা নিজে থেকে বোঝেও। আদর বোঝে, মাম্মা কেন সারাদিন বাইরে যাচ্ছে। দিনে যেটুকু সময় ওর সঙ্গে কাটাই, সেই সময়টা ভীষণ সুন্দর হয়ে ওঠে। মেয়ে আমাকে নিয়ে মন্ত্রমুগ্ধ! আমার জন্য ও প্ল্যাকার্ড সাজিয়েছে। দুপুরে বাড়ি এসে দেখি, আমার বালিশে আমার প্ল্যাকার্ডকে শুইয়েছে!
প্রশ্ন: ২০২১-এর আগেও বাবার প্রচারে সঙ্গী ছিলে। বাবার নির্বাচন অনেকটাই সামলেছ। বাবার থেকে যা যা শিখেছ, সেগুলো কি নিজের প্রচারে যোগ করছ?
উত্তর: ১০০%! আমি নতুন নির্বাচনী কেন্দ্রে নেই। এই নির্বাচনী কেন্দ্রে একসময় স্কুল থেকে ফিরে ভোটার স্লিপ লিখতাম। বড় হওয়ার বছরগুলোতে বাবাকে সরকারের বিরোধী নেতা হিসেবে দেখতাম, জিততে দেখতাম। বাবার কাজ, জনসংযোগ— সব দেখতাম। বাবার অসুস্থতার সময় তাঁর জায়গায় কাজ করেছি। ২০২১-এ নির্বাচনের দিনেও বাবা অসুস্থ ছিল। আমিই সমস্ত কাজ করেছি। বাবার পরামর্শ শুনে তা অনুসরণ করাই আমার কাজ ছিল। আমি অত্যন্ত ভালো কর্মী।
প্রশ্ন: মানিকতলা বিধানসভা কেন্দ্রে কলকাতা পৌরসভার আটটি ওয়ার্ডে কিছু বস্তি অঞ্চল আছে, হাইরাইজ বিল্ডিংও আছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে অনুন্নয়নের অভিযোগও এসেছে, যেমন জলের সমস্যা ইত্যাদি। কীভাবে ডিল করো?
উত্তর: আমি কথা দিয়েছি সবাইকে জলের সমস্যার সমাধান করব। ১০০% সমাধান করা সম্ভব নয়। কিন্তু যেমন করেই হোক ৭০% আমি করব। যেসব এলাকার জলের সমস্যা মিটেছে, সেখানকার বিধায়কদের ফোন করে জানতে চেয়েছি। কেউ বুস্টিং পাম্পিং স্টেশন বসানোর পরামর্শ দিয়েছে। কেউ আবার বলেছে, তাতে তেমন লাভ হবে না। যতক্ষণ না আমি নিজে বিষয়টাকে কাছ থেকে খতিয়ে দেখছি, ততক্ষণ পর্যন্ত বোঝা সম্ভব নয়। আর বহুতলের মানুষ কেন ভোট দেবে না? আমি একজন হিন্দু মেয়ে, আমি শ্রেয়া পাণ্ডে। পুজোআচ্চা করি, ওদের সেন্টিমেন্ট বুঝি। আমি মডার্ন হাইস্কুলে পড়েছি— পুরোপুরি মাড়োয়ারি স্কুল। আমার বহু নন-বেঙ্গলি বন্ধু আছে— খ্রিস্টান, জৈন, শিখ, মাড়োয়ারি। মানিকতলা একটা ৯৯.০২% হিন্দু অধ্যুষিত বিধানসভা। সাধন পাণ্ডে এই হিন্দু-ওরিয়েন্টেড বিধানসভা থেকে বহুবারের অপরাজেয় বিধায়ক।

প্রশ্ন: এ প্রসঙ্গ সামনে রেখেই বিরোধীরা পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ করছে। কী বলবেন?
উত্তর: তারা সেরকম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেনি, তাদের বাবারা কিছু করেনি, আমি সেটাতে কী করব? আমি কী বারণ করেছি? ওরাও নামী কোনও পরিবারের ছেলে-মেয়েকে টিকিট দিতে পারত! লড়াইটা তো তৃণমূল আর এক্স-তৃণমূলের মধ্যে, তৃণমূল আর বিজেপির মধ্যে তো নয়! আমার পরিবার এত ভালো কাজ করেছে— বারে বারে জেতে। বারবার হর বার, বারবার দমদার!
প্রশ্ন: এটা তো ডায়মন্ড হারবারের লাইন? তার মানে মানিকতলাও কি ডায়মন্ড হারবারের মতো মডেল বিধানসভা হবে?
উত্তর: ডায়মন্ড হারবার আমার হৃদয়ের খুব কাছাকাছি থাকে। ‘দমদার হর বার’ এই লাইনটা আমি নিতেই পারি। আর মানিকতলা মডেল বিধানসভায় হওয়া উচিত। বারবার জনগণ আমাদের বেছে নিচ্ছে। আমাদেরও উচিত কয়েক কদম এগিয়ে এলাকাকে আরও উন্নত করে তোলা।
প্রশ্ন: যদি তুমি জয়ী হও, ‘উন্নততর মানিকতলা’ হবে?
উত্তর: ‘যদি’ বোলো না, কানে লাগে। মানিকতলায় একটা স্লোগান চলছে— ‘মানিকতলা বলছে, শ্রেয়া পাণ্ডে জিতছে’!
প্রশ্ন: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নাম ঘোষণা করার আগে জানতে টিকিট পাবে?
উত্তর: হ্যাঁ, জানতাম।
প্রশ্ন: কাজের নিরিখেই দলের থেকে টিকিট পাওয়ার স্বপ্ন কি তোমারও ছিল না? সোশাল মিডিয়ায় দেখলেও জানা যায়— ঘরে ঘরে সরস্বতী পুজো, সদ্যোজাত শিশুদের দোলনা পৌঁছে দেওয়া, বস্তির শিশুদের সঙ্গে সময় কাটানোর সময় আদরকেও সঙ্গে নিয়েছ।
উত্তর: আমি মানিকতলায় কাজ করছি, ভবিষ্যতেও করব। মনে পড়ে, ছোটবেলায় বেলেঘাটার এক প্রোগ্রামে এসেছিলাম। গান্ধী মূর্তির সামনে স্টেজ করা হয়েছিল। মঞ্চে মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী ভাষণ দিচ্ছিলেন। বাবাও উপস্থিত ছিলেন। সামনেই তখন ২০১৬-র নির্বাচন। মাননীয়া বলেছিলেন, “যেখানে পারো, সেখানে ভালো কাজ করো, সামনে আসার দরকার নেই।” আমার আজও স্পষ্ট মনে আছে। কাজ যদি ভালো করো এবং পোটেনশিয়াল থাকে, দল তোমাকে খুঁজে নেবে।
“আমি কখনও ‘দেখছি, করছি’ বলে কোনও কাজ ফেলে রাখি না। মানুষ স্বচ্ছতা আশা করে। আমাকে এখানে লম্বা রেসের ঘোড়া হয়ে থাকতে হবে। কথা দিয়ে কাজ না করলে মানুষ আর আমার মুখ দেখতে চাইবে না। আমি কিন্তু আমার মুখ বারবার দেখাতে চাই!”
প্রশ্ন: জিতলে প্রথম কাজ কী হবে?
উত্তর: অনেক কিছু। জলের সমস্যার সমাধান আমার প্রথম পাঁচটা কাজের মধ্যে একটি হবে। আমি কখনও ‘দেখছি, করছি’ বলে কোনও কাজ ফেলে রাখি না। জলাজমি থাকলে প্রথমেই বলে দিই যে এটার সমাধান সম্ভব নয়। মানুষ স্বচ্ছতা আশা করে। আমাকে এখানে লম্বা রেসের ঘোড়া হয়ে থাকতে হবে। কথা দিয়ে কাজ না করলে মানুষ আর আমার মুখ দেখতে চাইবে না। আমি কিন্তু আমার মুখ বারবার দেখাতে চাই! ডোর টু ডোর প্রচারের সময় মানিকতলার প্রতিটি গলি, প্রতিটি জায়গায় আমি গিয়েছি। এমনকী, বহুতলেও!
প্রশ্ন: বহুতলকে আলাদা করে চিহ্নিত করছ কেন?
উত্তর: সবাই ভাবে, বহুতল তাদের বহুমত দেবে। আমার বিরোধী প্রার্থী ২০২৪ সালে বহুতল থেকেই জিতেছিলেন। কিন্তু জেতার পর ফেরত আসেননি। ২০২১ সালেও বহুতল থেকে প্রার্থী জিতেছিল, ২৬-এ ফেরত আসেনি। মানুষ ফেরত আসা প্রার্থীকে দেখতে চায়। আমার দলের ফলাফল যদি বহুতলে খারাপও হয়, তবুও আমি বারবার সেখানে গিয়েছি। হোলি-দীপাবলি-শ্রাদ্ধ-জাগরণ-গৃহপ্রবেশ-অন্নপ্রাশন— সব অনুষ্ঠানেই। লিফটে, বাগানে, ধোকলা খেতে খেতেও মানুষ আমায় দেখেছে। যতদিন না ওরা বিশ্বাস করবে আমি ওদের লোক, ততদিন আমি চেষ্টা করব। আমার নাম এই বলে খ্যাত হোক, আমি সবার লোক!
প্রশ্ন: তোমার প্রিয় রং লাল। মানিকতলায় বামপ্রার্থী মৌসুমী ঘোষ এলাকায় পরিচিত মুখ। বাম থেকে রামে যাওয়া ভোট বামে ফিরলে কি এবারের রাজনৈতিক সমীকরণ আরও সহজ হবে তোমার কাছে?
উত্তর: আমাকে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী করেছে। আমি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রার্থী, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আমাকে সমর্থন করেন। আমি একজন পরিশ্রমী কর্মী, বিশ্বাস করি পরিশ্রমের ফল পাবই। আমি প্রচণ্ড কম্পিটিটিভ। কিন্তু এখনও কোনও প্রতিযোগিতা অনুভব করছি না। সবাই আমাকে দেখতে পাচ্ছে, আমি কাউকে দেখতে পাচ্ছি না। যাঁরা আমাকে আশীর্বাদ করছেন, দইয়ের ফোঁটা দিচ্ছেন, পায়েস খাওয়াচ্ছেন, ঠনঠনিয়া কালীমন্দিরে বিপত্তারিণীর ধাগা বেঁধে দিচ্ছেন— তাঁদের ভালোবাসা আমি অনুভব করছি। মানুষ বলছে, আমি জিতেই বসে আছি! বিজেপি আমাকে নিয়ে নোংরা ট্রোল করছে। কিন্তু তাতে আমার কিছুই যায়-আসে না। এই ট্রোল যদি ২-৩ মাস আগেও হত, হয়তো আমার প্রতিক্রিয়া অন্যরকম হত। এই মুহূর্তে আমি ভালোবাসায় ঘিরে রয়েছি। লাল রক্তের রং, ভালোবাসার রং। লাল সবসময় আমার প্রিয় ছিল, আছে, থাকবে।
প্রশ্ন: বিভিন্ন প্রার্থী প্রচারের ক্ষেত্রে বিশেষ স্টাইল, মেক-আপ করছে। তুমি তো এ বিষয়ে এক নম্বর! রহস্যটা কী?
উত্তর: আমি ডোর-টু-ডোর ক্যাম্পেন থেকে এলাম, চুল না-আঁচড়ে ইন্টারভিউতে বসে পড়লাম। আমি বরাবরই ভালো জামাকাপড় পরি। আমাকে দেখতে ভালো, জিন ভালো, মা সুন্দরী, আমার মুখ মায়ের আদলে।
প্রশ্ন: বাবার আদলে নয়?
উত্তর: বাবার আদলে তো সবটাই! আমার বরং দুঃখ হচ্ছে যে রাত থেকে সকাল পর্যন্ত প্রচার করতে পারছি না কেন। সকলে সারাদিন আমাকে ফোন করে জানাক, কোন কাজ হচ্ছে না। এমনিতেও রাত ৩টে পর্যন্ত কল করলে তুলি। মানিকতলার বহুতল থেকে বস্তি— সবাই আমার ফোন নম্বর জানে।
প্রশ্ন: গোটা সাক্ষাৎকারে একটা কথা বারবার বললে যে, বহুতল বহুমত দিতে পারবে না, তাই তো?
উত্তর: আমাকে বহুতল বহুমত দেবে। নেগেটিভ নয়, পজিটিভ বলো।
সর্বশেষ খবর
-
কাবাব-পকোড়ার সঙ্গত হিসেবে অসামান্য এই ৫ চাটনি, বানিয়ে নিন সহজেই
-
জল কমতেই যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে দুধিয়ার অস্থায়ী সেতু নির্মাণ, তোর্সায় ভাসল উত্তরের একাধিক এলাকা
-
যোগ্যদের নথিতে অযোগ্যদের অ্যাকাউন্টে আবাসের টাকা, কীর্তি ফাঁস হতেই গ্রেপ্তার তৃণমূল নেতা
-
দুরন্ত সেঞ্চুরি যশস্বীর, অনবদ্য রোহিত, ভারতের কাছে হোয়াইটওয়াশ আফগানিস্তান
-
‘২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব না দিলে বহিষ্কার’, বৈঠকে এড়ানো বিদ্রোহী সাংসদদের কড়া চিঠি উদ্ধব সেনার
নিবেদিত


