Advertisement
Advertisement
WB Assembly Election 2026

ত্রিনয়নে নজরদারি! পুরুলিয়ায় অতি স্পর্শকাতর বুথের বাইরে থার্ড ক্যামেরা রাখছে কমিশন

বাংলায় এই প্রথম ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বাইরে দুটির বাইরে তৃতীয় ক্যামেরায় নজরদারি চলবে।

সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৭:৩২

link
সুমিত বিশ্বাস
সুমিত বিশ্বাস

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১০, ২০২৬, ১৭:৩২

options
link
ত্রিনয়নে নজরদারি! পুরুলিয়ায় অতি স্পর্শকাতর বুথের বাইরে থার্ড ক্যামেরা রাখছে কমিশন zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

ওয়েব কাস্টিংয়ের জন্য বুথের ভিতরে ও বাইরে দুটি ক্যামেরা তো থাকছেই। কিন্তু স্পর্শকাতর বুথের বাইরে থাকবে নির্বাচন কমিশনের ‘তৃতীয় নেত্র’! যা বাংলায় ছাব্বিশের ভোটে (WB Assembly Election 2026) এই প্রথম। পুরুলিয়ার (Purulia) জেলাশাসক সুধীর কোন্থম বলেন, “অতি স্পর্শকাতর বুথের বাইরে থার্ড ক্যামেরা থাকবে। কোন কোন বুথে তা থাকবে, সেটা চূড়ান্ত করবে কমিশন।” কেন নির্বাচন কমিশনের এই তৃতীয় নেত্র বা থার্ড ক্যামেরা? কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কোন বুথের বাইরে এই তৃতীয় নেত্র বসবে তা এখনও চূড়ান্তভাবে জানা যায়নি।

কমিশনের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, যে বুথের কিছুটা দূরে মদের দোকান, মাংসের দোকান বা অতীতে অতি স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত। সেই বুথের বাইরেই বসবে এই ‘তৃতীয় নেত্র’। অতীতে ওয়েব কাস্টিংয়ের জন্য বুথের ভিতরে ক্যামেরা থাকলেও বাইরে কোনও ক্যামেরা থাকত না। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দুটিই নতুন।

কমিশনের একটি সূত্র থেকে জানা গিয়েছে, যে বুথের কিছুটা দূরে মদের দোকান, মাংসের দোকান বা অতীতে অতি স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত। সেই বুথের বাইরেই বসবে এই ‘তৃতীয় নেত্র’। অতীতে ওয়েব কাস্টিংয়ের জন্য বুথের ভিতরে ক্যামেরা থাকলেও বাইরে কোনও ক্যামেরা থাকত না। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দুটিই নতুন। সমগ্র রাজ্য জুড়ে অতি স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা জানা গেলেও রাজ্যজুড়ে অতি স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা কত, তা এখনও জানা যায়নি। সমস্ত কেন্দ্রীয় বাহিনী চলে আসার পর অতীতের রেকর্ড ঘেঁটে কমিশন অতি স্পর্শকাতর বুথ চিহ্নিতকরণে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে। আর তারপরেই ঠিক হবে কোন কোন বুথের বাইরে তৃতীয় নেত্র বা থার্ড ক্যামেরা বসবে।

Advertisement

বৃহস্পতিবার বিকাল পর্যন্ত পুরুলিয়ায় বিধি বহির্ভূতভাবে মোট ৩ কোটি ৫৩ লক্ষ ২৫ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে কমিশন। যার মধ্যে নগদ ৩২ লক্ষ ৬৪ হাজার টাকা ছাড়াও মদের জন্য ১ কোটি ২৫ লক্ষ, মাদক, সোনা-সহ আরও অন্যান্য মিলিয়ে বাকিটা রয়েছে। বিভিন্ন নাকা পয়েন্টে ফ্লাইং স্কোয়াড ও সার্ভিলেন্স টিমের সাফল্যেই বিধি বহির্ভূতভাবে এই টাকা বাজেয়াপ্ত হয়েছে। এখনও পর্যন্ত এই জেলায় বাহিনী এসেছে মোট ২৪ কোম্পানি। এদিন পুরুলিয়ার জেলাশাসক সুধীর কোন্থম জেলা কন্ট্রোলরুম ঘুরে দেখেন। সেই কন্ট্রোল রুম থেকেই জেলার সমস্ত নাকা পয়েন্ট নজরদারি চলছে। নাকা পয়েন্টে থাকা ওই ক্যামেরা এতটাই উন্নত যে গাড়ির নম্বর কন্ট্রোল রুমের স্ক্রিনে ফুটে উঠবে সহজে। ওই নাকা পয়েন্টে একে অপরের মধ্যে কথোপকথন এবং শব্দ শোনা যাবে ওই কন্ট্রোল রুম থেকেই।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.