BREAKING NEWS

৩২ আষাঢ়  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

ইসলামের ‘অবমাননা’ করায় মৃত্যুদণ্ড, পাকিস্তানি যুগলের ত্রাতা আসিয়ার আইনজীবী

Published by: Monishankar Choudhury |    Posted: May 16, 2019 10:12 am|    Updated: May 16, 2019 10:12 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আসিয়া বিবির রেশ এখনও টাটকা। তার মধ্যেই ফের পাকিস্তানে ইসলামের অবমাননা করার অভিযোগে এক দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার খবর মিলেছে। আসিয়া বিবির পর পাকিস্তানে ফের এক মহিলাকে ফাঁসির রায় দেওয়া হয়েছে।

[শুল্ক-সংঘাতের তাপ এড়িয়ে জুনে জিনপিংয়ের সঙ্গে বসছেন ট্রাম্প]

এই বিষয়ে আসিয়া বিবির আইনজীবী জানিয়েছেন, ওই খ্রিস্টান দম্পতির বিরুদ্ধে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একেবারেই সুবিচার হয়নি বলেও ওই আইনজীবী উল্লেখ করেছেন। আসিয়া বিবির আইনজীবী সইফুল মালুক জানিয়েছেন, ওই দম্পতির নাম শাগুফতা কৌসর ও শাফতাখ মাসিহ। শুধু মৃত্যুদণ্ড নয়, ওই দম্পতির বিরুদ্ধে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ২০১৪ সালে পাক-পাঞ্জাবের একটি জেলা আদালত ধর্মের নিন্দা করে মোবাইলে মেসেজ পাঠানোর অভিযোগে ওই দম্পতিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আসিয়া বিবির পর ফের পাকিস্তানেই এক মহিলার বিরুদ্ধে ধর্মের নিন্দা করার অভিযোগ উঠেছে। ওই মহিলা সাফাইয়ের কাজ করেন। তাঁর স্বামী ২০০৪ সালে পথদুর্ঘটনার জেরে পঙ্গু হয়ে যান। ধর্মের নিন্দা করার অভিযোগ ওঠায় তাঁরা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। তাঁদের অভিযোগ একেবারে মিথ্যাভাবে তাঁদের ফাঁসানো হয়েছে। ওই দম্পতি অভিযোগ করেছেন যে, তাঁরা কোনও ধর্মের নিন্দা করে কোনও মোবাইল বার্তা পাঠাননি। বরং ২০১৩ সালের জুলাইয়ে একদিন হঠাৎ বেশ কয়েকটি ধর্মের নিন্দা করে এসএমএস পান বলে জানিয়েছেন শাফতাখ মাসিহ। এ কথা তাঁর বন্ধুকে জানানো হয়। ওই বন্ধু তাঁদের পরামর্শ দেন যে, এ বিষয়ে আইনজীবীর সঙ্গে কথা বলতে। কিন্তু আশ্চর্যের ব্যাপার তাঁদের আইনজীবীও একই ধরনের এসএমএস পান।

উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে ইসলাম অবমাননার দায়ে চার সন্তানের জননী আসিয়া বিবির বিরুদ্ধে ধর্মদ্রোহ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। ২০১০ সালে ওই আইনে তাঁকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। তারপরই বিশ্বজুড়ে ওঠে তীব্র প্রতিবাদের ঝড়। অবশেষে চাপে পড়ে ২০১৮ সালে মৃত্যুদণ্ড থেকে তাঁকে রেহাই দেয় পাক সুপ্রিম কোর্ট। তবে এই সিদ্ধান্তের চরম বিরোধিতা করে মৌলবাদী সংগঠনগুলি। এমনকি আসিয়া বিবিকে হত্যা করার হুমকিও দেওয়া হয়৷ গত সপ্তাহে গোপনে কানাডা পাড়ি দেন আসিয়া। সংখ্যালঘুদের নিশানা করতে বরাবরই পাকিস্তানে ধর্মদ্রোহ আইন ব্যবহার করে আসছে মৌলবাদীরা। বহুক্ষেত্রে হিন্দু বা খ্রিস্টানদের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রোশ মেটাতে ইসলাম অবমাননার অভিযোগ আনে পড়শি মুসলিমরাই। এমনই এক চক্রান্তের শিকার হয়েছেন আসিয়া বিবি।

[ফাঁকিবাজ মেয়েকে শায়েস্তা করতে পোষ্যকে ট্রেনিং, প্রশংসিত অভিভাবকের উদ্যোগ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement