Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
করোনা কুকুর

এবার ঘ্রাণশক্তির মাধ্যমে করোনা রোগী শনাক্ত করবে কুকুর! ব্রিটেনে শুরু প্রশিক্ষণ

ক্যানসার, ম্যালেরিয়ার মতো রোগ আগে থেকেই শনাক্ত করতে পারে কুকুর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২০, ১৬:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২০, ১৬:৩২

options
link
এবার ঘ্রাণশক্তির মাধ্যমে করোনা রোগী শনাক্ত করবে কুকুর! ব্রিটেনে শুরু প্রশিক্ষণ zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কুকুরের ঘ্রাণশক্তির মহিমা কমবেশি সকলেই জানেন। স্রেফ গন্ধ শুকে নৃশংস থেকে নৃশংসতম অপরাধীদের ধরিয়ে দিতে পারে কুকুর। এবার এই বিশ্বস্ত প্রাণীটিকেই করোনা শনাক্তকরণের কাজে ব্যবহার করতে চাইছে ব্রিটেন। সেই লক্ষ্যে শুরু হয়েছে প্রশিক্ষণ। ব্রিটেনের বিজ্ঞানীদের বিশ্বাস, উপযুক্ত প্রশিক্ষণ পেলে গন্ধ শুকে করোনা রোগী শনাক্ত করে ফেলতে পারবে কুকুর। এর ফলে একদিকে যেমন খরচ বাড়বে অন্যদিকে তেমনি বাঁচবে অর্থ।

ব্রিটেন সরকারও এই গবেষণায় উৎসাহী। এই খাতে ইতিমধ্যেই সাড়ে চার কোটি টাকারও বেশি বরাদ্দ করেছে তাঁরা। ডুরহাম বিশ্ববিদ্যালয়ের লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন (London School of Hygiene and Tropical Medicine) ও মেডিক্যাল ডিটেকশন ডগস (Medical Detection Dogs) নামের একটি সংস্থা যৌথভাবে এই গবেষণা চালাবে। এ জন্য ল্যাব্রাডর (labrador) ও ককার স্প্যানিয়েল (Cocker spaniels) প্রজাতির ছটি কুকুরকে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত করা হয়েছে। এই কুকুরগুলিকে দিয়ে করোনা আক্রান্ত এবং সুস্থ ও স্বাভাবিক মানুষের গন্ধ পৃথকভাবে শোকানো হবে। এবং এই দুই গন্ধের মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ করতে শেখানো হবে। গবেষকরা বলছেন, বায়ো ডিটেকশন ডগ আগে থেকেই বিশেষ কিছু ক্যানসার রোগীকে শনাক্ত করতে পারে। ম্যালেরিয়া, পারকিনসন্স ডিজিজও শনাক্ত করতে পারে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কুকুর। সুতরাং, করোনা শনাক্ত করাটা অস্বাভাবিক কিছু নয়। অবশ্য শুধু ব্রিটেন নয়, ফ্রান্স এবং আমেরিকাও একইভাবে কুকুর দিয়ে করোনা শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল আড়াই লক্ষ, ব্রিটেনকে ছাপিয়ে তৃতীয় স্থানে উঠে এল ব্রাজিল]

গবেষকদের ধারণা, তাঁদের পরীক্ষা সফল হলে এক একটি কুকুর ঘণ্টায় ২৫০ জন রোগীকে শনাক্ত করতে পারবে। যা আগামী দিনে করোনা রোগী শনাক্তকরণে যুগান্তকারী হতে পারে। লকডাউন ওঠার পর জনজীবন স্বাভাবিক হলে করোনা সংক্রমণ দ্রুত ছড়ানোর একটা সম্ভাবনা থাকে। তখন দ্রুত রোগীকে শনাক্তকরণ খুব জরুরি হয়ে পড়ে। সেসময় কুকুর দিয়ে কোভিড-১৯ চিহ্নিতকরণ পদ্ধতি সফল হলে, অনেক মানুষকে স্ক্রিনিংয়ের আওতায় আনা সম্ভব হবে। আর সেটাই এই পরীক্ষার মুল উদ্দেশ্য।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.