ইরানের বিরুদ্ধে ফের বড়সড় হামলা শুরু হবে কি না— এই বিষয়ে সিদ্ধান্তের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছেন। ক’দিন আগেই মার্কিন সংবাদমাধ্যম ‘অ্যাক্সিওস’কে জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে ভাষণে রীতিমতো হুঁশিয়ারির সুরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “হয় শান্তিচুক্তি হবে অথবা ইরানকে নরকে পাঠাব।”
এদিন রাষ্ট্রসংঘের ভরা সভায় নিজের ভাষণে ট্রাম্প বলেন, “আমাকে এবার একটি বড় সিদ্ধান্ত নিতে হবে। ইরানের সঙ্গে কি এমন কোনও চুক্তি হবে, যা দেশটিকে পুনর্গঠন করতে এবং অতীতের যে কোনও সময়ের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে সাহায্য করবে। হয়তো মধ্যপ্রাচ্য, এমনকী বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাষ্ট্র হয়ে উঠবে?” এরপরেই তাঁর উক্তি, “নাকি আমি ইসলামি প্রজাতন্ত্রটিকে নিশ্চিহ্ন করে দেবো। এবং তা করব দ্রুত— যাতে তারা আর কখনওই মানুষ ও দেশকে হত্যা ও ধ্বংস করার সুযোগ না পায়?”
আরও পড়ুন:
যদিও ট্রাম্প নিজেই প্রশ্নের উত্তর দেন। তিনি বলেন, ৩ নভেম্বর মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি করবে আমেরিকা। তিনি বলেন, “আমার বিশ্বাস, নির্বাচনের ঠিক পরেই আমরা একটি চুক্তিতে পৌঁছাব, কারণ চুক্তি না করার কোনও যৌক্তিক কারণ তাদের নেই। মধ্যবর্তী (মার্কিন) নির্বাচনে আমি কেমন ফলাফল করি, তারা সেটাই দেখার অপেক্ষায় রয়েছে।”
আরও পড়ুন:
মঙ্গলবার রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদে ট্রাম্প ভাষণ দিতে উঠলে একজন ছাড়া ইরানের বাকি প্রতিনিধিরা অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেন। প্রাথমিকভাবে গত ছয় মাসের ইরান যুদ্ধ নিয়ে নিজের বয়ান জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এরপরেই কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেন, এবার হয় চুক্তি হবে, নতুবা ইরানকে নরকে পাঠাব আমরা।
সর্বশেষ খবর
-
ট্রাইব্যুনালে ডাকই পাননি আবেদনকারীরা! পুরভোটে কলকাতা, হাওড়ার সোয়া দু’লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত
-
তুতো বোনের বিয়ে, জামিন পেলেন ‘ভারত ভাগে’র ডাক দেওয়া শারজিল ইমাম
-
চাল থেকে চিনি, বাজারজুড়ে হাহাকার, মূল্যবৃদ্ধির আগুনে নোট বাতিলের পথে বাংলাদেশ!
-
রাষ্ট্রসংঘে ‘সিএনএন’ সাংবাদিককে দেখে চটে লাল ট্রাম্প! বললেন, ‘কাজ নেই, বেরিয়ে যান’
-
আরও পণ্য আমদানি করুক ভারত, চাইছে বাংলাদেশ! কেন?