Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২ অক্টোবর ২০২৬
DMZ Mine Blast

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে জখম দক্ষিণ কোরিয়ার ৩ সেনা! দায় এড়িয়ে পালটা হুঁশিয়ারি কিমের বোনের

দক্ষিণ কোরিয়াকে হুঁশিয়ারি দিলেন প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের বোন কিম ইয়ো জং।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ১৫:২৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬, ১৫:২৯

options
link
সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে জখম দক্ষিণ কোরিয়ার ৩ সেনা! দায় এড়িয়ে পালটা হুঁশিয়ারি কিমের বোনের zoom
ফাইল ছবি।
Advertisement

উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে সীমান্তে ল্যান্ড মাইন বিছানোর অভিযোগ তুলল দক্ষিণ কোরিয়া। দুই দেশের সীমান্তের মধ্যবর্তী ‘ডিমিলিটারাইজড জোন’ বা সামরিক-মুক্ত এলাকায় ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে (DMZ Mine Blast) দক্ষিণ কোরিয়ার তিনজন সেনা আহত হওয়ার পর বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে। এবার যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করে দক্ষিণ কোরিয়াকে হুঁশিয়ারি দিলেন উত্তর কোরিয়ার একনায়ক প্রেসিডেন্ট কিম জং উনের (Kim Jong Un) বোন কিম ইয়ো জং। দাবি করলেন, মাইন বিছিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াই।

‘কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সি’র প্রকাশিত এক বিবৃতিতে কিমের বোন দক্ষিণ কোরিয়ার এই তদন্তকে ‘প্রহসন’ বলে আক্রমণ করেছেন। এদিকে দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছে, চূড়ান্ত তদন্তে পিয়ংইয়ংয়ের ভূমিকা প্রমাণিত হলে কঠোর জবাব দেওয়া হবে। এই প্রসঙ্গে কিম ইয়ো জংকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”যে বিষয়টি উপেক্ষা করা উচিত নয় তা হল, দক্ষিণ কোরিয়ার ‘সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা’ এখন ভিত্তিহীন অভিযোগ করে নিজেদের কর্মকাণ্ডের যৌক্তিকতা প্রমাণের চেষ্টা চালাচ্ছে।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, দক্ষিণ কোরিয়ার সৈন্যরা যদি উত্তর কোরিয়ার সৈন্যদের ওপর গুলি চালায়, তাহলে ‘তাৎক্ষণিক ও নির্মম’ জবাব দেবে পিয়ংইয়ং।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এদিকে যৌথ চিফস অফ স্টাফের ভাইস চেয়ারম্যান কোওন ডে-ওন এই সপ্তাহের শুরুর দিকে জানিয়েছেন, ওই এলাকায় দক্ষিণ কোরীয় সেনার মাইন পাতার কোনও নথি নেই। বরং কাছাকাছি এলাকায় উত্তর কোরিয়ার মাইন পাতার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছিল ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে। প্রাথমিক ফরেনসিক পরীক্ষায় সৈন্যদের সরঞ্জামে টিএনটি ও বাদামি রঙের পদার্থের উপস্থিতি পাওয়া গেলেও, দক্ষিণ কোরীয় মাইন থেকে সাধারণত যে ধরনের ধাতব টুকরো ছড়িয়ে পড়ার কথা, তার কোনওটিই সেখানে পাওয়া যায়নি। অর্থাৎ দক্ষিণ কোরিয়ার অভিযোগের সত্যতার একটি দিক এখনই পরিষ্কার। তবু নিজেদের দাবিতে অনড় উত্তর কোরিয়া। এমতাবস্থায় ফের দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বাড়তে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.