Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Mohamed Muizzu

বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ, মালদ্বীপে ভোটের মুখে পর্দাফাঁস ভারত বিরোধী মুইজ্জুর!

মুইজ্জুর পদত্যাগের দাবি তুলেছে বিরোধীরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৪, ০৯:৩২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০২৪, ০৯:৩২

options
link
বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ, মালদ্বীপে ভোটের মুখে পর্দাফাঁস ভারত বিরোধী মুইজ্জুর! zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আর্থিক তছরুপ, বেআইনি লেনদেনের একাধিক প্রমাণ মিলেছে! ভারত বিরোধী মালদ্বীপের (Maldives) প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জুর (Mohamed Muizzu) বিরুদ্ধে বড়সড় দুর্নীতির অভিযোগ। মালদ্বীপে সংসদীয় নির্বাচনের আগে একটি রিপোর্ট প্রকাশ্যে এসেছে। ওই রিপোর্টেই পর্দাফাঁস হয়েছে মুইজ্জুর। দাবি করা হয়েছে, ২০১৮ সাল থেকে তলেতলে দুর্নীতি চালাচ্ছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। স্বভাবতই এমন রিপোর্টে অস্বস্তিতে পড়েছেন মুইজ্জ এবং তাঁর সমর্থকরা। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট।

আগামী রবিবার মালদ্বীপে নির্বাচন। তার আগেই মুইজ্জুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ ওঠায় অস্বস্তিতে তাঁর দল পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস। যাদের সঙ্গে জোর টক্কর হবে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির। প্রকাশ্যে আসা গোয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, মুইজ্জুর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে বেআইনি আর্থিক লেনদেন হয়েছে। কমপক্ষে ১০টি আর্থিক তছরুপের প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দিনের পর দিন ধরে দুর্নীতি চলেছে বলে অভিযোগ। মুইজ্জুর সঙ্গে দুর্নীতিতে জরিয়েছেন বেশ কিছু উচ্চপদস্থ কর্তাও, এমনটাও বলা হয়েছে রিপোর্টে।

Advertisement

 

[আরও পড়ুন: ‘এই নির্বাচন সাধারণ নয়, উন্নত জীবনযাত্রার নির্ণায়ক’, ভোটের আগে এনডিএ প্রার্থীদের চিঠি মোদির]

এমন অভিযোগ ওঠার পরেই বিরোধী নেতারা সরব হয়েছেন মুইজ্জুর বিরুদ্ধে। তাঁরা মালদ্বীপের বর্তমান প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং তাঁর ইমপিচমেন্টের দাবি করেছেন। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট। তবে ভোটের মুখে এমন রিপোর্টে যে অস্বস্তিতে পড়েছেন মুইজ্জু এবং তাঁর দল পিপলস ন্যাশনাল কংগ্রেস, তা বলা বাহুল্য।

 

[আরও পড়ুন: প্রেম ভাঙায় আত্মঘাতী হলে দায়ী নয় সঙ্গী, পর্যবেক্ষণ দিল্লি হাই কোর্টের]

উল্লেখ্য, মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু যে চিনের হাতে তামাক খান সেকথা সকলের জানা। বেজিংয়ের উসকানিতেই তেই ভারতের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছে মালে। দেশ থেকে ভারতীয় সেনা সরানোর নির্দেশ দেওয়া, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য এইরকম একাধিক বিষয়ে দিল্লির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে মালদ্বীপের। কিন্তু এই টানাপড়েনের মাঝেও পড়শি দেশে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে রেখেছে ভারত। মালদ্বীপে জরুরি পণ্যের জোগান বজায় রেখেছে দিল্লি। এহেন মানবিক পদক্ষেপে রীতিমতো আপ্লুত দ্বীপরাষ্ট্রের বিদেশমন্ত্রী মুসা জামির। গত সপ্তাহেই দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব অটুট ও সময়পরীক্ষিত বলে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছিলেন তিনি।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.