BREAKING NEWS

১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ব্রেকফাস্টের প্লেট হাতেই আত্মঘাতী হামলা! তদন্তে স্পষ্ট ইসলামিক জঙ্গি যোগ

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: April 22, 2019 5:49 pm|    Updated: April 22, 2019 5:49 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কলম্বোয় ধারাবাহিক বিস্ফোরণকাণ্ডের নেপথ্যে স্থানীয় ইসলামিক জঙ্গি সংগঠন এনটিজে৷ ঘটনার প্রায় দেড়দিন পর প্রাথমিক তদন্তে এমনই জানিয়েছেন শ্রীলঙ্কা প্রশাসনের মুখপাত্র রাজিতা সেনারত্নে৷ ন্যাশনাল তৌহিদ জামাত নামে এই জঙ্গিগোষ্ঠীই এমন ভয়াবহ হামলা ঘটিয়েছে বলে অনুমান৷ এনটিজে-র কাজে কোনও আন্তর্জাতিক জঙ্গি সংগঠন সাহায্য করছে কিনা, তা তদন্ত সাপেক্ষ বলেও অনুমান প্রশাসনের৷

ইস্টার সানডে-র এত বড় হামলার আগে পর্যন্ত ন্যাশনাল তৌহিদ জামাতের তেমন কোনও বড় হামলার রেকর্ড ছিল না৷ দ্বীপরাষ্ট্রের বৌদ্ধস্তূপ ধ্বংস করে হিংসা ছড়ানো ছাড়া নাশকতামূলক কাজ করতে সক্ষম হয়নি এনটিজে৷ হামলার পর তদন্তে নেমে ২৪ জনকে আটক করে শ্রীলঙ্কা পুলিশ৷ তাদের জেরা করে এনটিজে সম্পর্কে এতটা নিশ্চিত হয়েছে প্রশাসন৷ সোমবার ঘটনার পর থেকেই দেশজুড়ে অনির্দিষ্টকালের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে৷ এদিন প্রেসিডেন্ট বিবৃতি জারি করে তা ঘোষণা করেছেন৷

[ আরও পড়ুন : প্রাণ বাঁচাল দাঁতের ব্যথা! ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন মহিলা]

তদন্তে উঠে এসেছে আরও বেশ কয়েকটি বিষয়৷ কীভাবে বিস্ফোরণ হল, তার একটা রূপরেখা পেয়েছেন তদন্তকারীরা৷ চিত্রনাট্যের মতোই সুনিপুণ সেই অপারেশন৷ কলম্বোর বিখ্যাত সিনামন গ্র্যান্ড হোটেলে শনিবার রাতে চেক-ইন করেছিল মহম্মদ আজম নামে এক যুবক৷ রবিবার সকালে, ইস্টার সানডে-তে ভিড়ে ঠাসা হোটেলের লবিতে হাতে প্লেট নিয়ে প্রাতরাশের লাইনে দাঁড়িয়েছিল৷ তার আগেই অবশ্য শরীরে আত্মঘাতী বোমা বেঁধে নিয়েছিল সে৷ প্লেটে খাবার দেওয়ার ঠিক আগের মুহূর্তেই বিস্ফোরণ ঘটায় সে৷ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় তার নিজের শরীরও৷ সেই দেহাংশ থেকেই ফরেনসিক নমুনা সংগ্রহ করেছেন তদন্তকারীরা৷ জানা গিয়েছে, যুবক সিংহলি৷ হোটেলে চেক ইনের সময়ে যে ঠিকানা দিয়েছিল, তা পুরোপুরি ভুয়ো৷

[ আরও পড়ুন : শ্রীলঙ্কায় বিস্ফোরণে নিহত ১৩৮ মিলিয়ন! ট্রাম্পের টুইটে তুঙ্গে বিতর্ক]

আরেকটি হোটেল কিংসবেরি, যেখানে বিস্ফোরণ ঘটেছে, তাকে বলা হয় শ্রীলঙ্কার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার৷ বিস্ফোরণে অনেকটা ক্ষতি হয়েছে কিংসবেরি হোটেলের৷ সেখানে মৃত্যু সংখ্যা নিয়ে অবশ্য এখনও ধন্দ আছে৷ তবে এনটিজে-কে নিয়ে মাথাব্যথা বাড়ছে প্রশাসনের৷ ধর্মীয় জেহাদের লক্ষ্যে ন্যাশনাল তৌহিদ জামাতের দ্বারা এত বড় নাশকতা সংগঠিত হওয়ার অর্থ তাদের শক্তি বাড়ছে৷ তাতেই জোরদার হচ্ছে প্রশ্ন৷ এলটিটিই পরবর্তী সময়ে দ্বীপরাষ্ট্রে কি সন্ত্রাসের মাথা হয়ে উঠছে এনটিজে?

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement