BREAKING NEWS

১২ কার্তিক  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

ইমরানের নেতৃত্বে ভুল পথে এগোচ্ছে দেশ, বলছেন পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ নাগরিক

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: October 5, 2020 7:16 pm|    Updated: October 5, 2020 7:16 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশের মানুষের উন্নয়নের দিকে নজর না দিয়ে প্রতিবেশী দেশে অশান্তি তৈরির চেষ্টা করে পাকিস্তান। এর জন নিজেদের দেশে বিভিন্ন জঙ্গিগোষ্ঠীকে আশ্রয় দিয়েছে তারা। একদিকে জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে অন্যদিকে আবার আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার যুদ্ধে নিজেদের সেনা পাঠায়। ইমরানের প্রশাসনের এই সব সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এবার ক্রমশ অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে পাকিস্তান (Pakistan) -এর সাধারণ মানুষের মনে। সম্প্রতি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মার্কেট রিসার্চ কোম্পানির একটি সমীক্ষায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে।

ফ্রান্সের ওই কোম্পানিটি পাকিস্তানের বিভিন্ন গ্রাম ও মফস্বল এলাকায় গত সেপ্টেম্বর মাসে ওই সমীক্ষা চালিয়েছে। ১৮ বছরের উর্দ্ধে থাকা ৫০০ জন পুরুষ ও ৫০০ জন মহিলা, মোট হাজার জনের সঙ্গে কথা বলে তারা বুঝতে পেরেছে যে পাকিস্তানের ৮০ শতাংশ মানুষ বর্তমান সরকারের কাজে সন্তুষ্ট নয়। তাঁরা মনে করেন, ২০১৯ সালের পর থেকেই ভুল পথে হাঁটছে দেশ। চার জন পাকিস্তানির মধ্যে তিন জনের ধারণা দেশে যা চলছে তা ঠিক হচ্ছে না। পাঁচ জনের মধ্যে চার জন মনে করেন, ক্রমশ বেহাল হচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা। আর এর জন্য ইমরান খান (Imran Khan) -এর সরকারই দায়ী। প্রতি পাঁচ জনের মধ্যে দু’জন পাকিস্তানি মনে করেন, দেশের মুদ্রাস্ফীতি, দারিদ্রতা ও বেকারত্বের পরিমাণ যেভাবে বাড়ছে তা সরকারের ভুল নীতির ফল। এমনকী তাঁদের অর্থনৈতিক অবস্থা খারাপ হওয়ার জন্য সরকারই দায়ী।

[আরও পড়ুন: করোনা কালে বিপাকে মানসিক রোগীরা, WHO-এর সমীক্ষায় বাড়ছে উদ্বেগ ]

ওই সমীক্ষায় আরও উঠে এসেছে, পাকিস্তান অধিকৃত পাঞ্জাব ও খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকায় দুর্নীতিই সবচেয়ে বড় সমস্যা। আর সিন্ধুপ্রদেশের মানুষের অসন্তোষ লোডশেডিংয়ের বাড়বাড়ন্ত নিয়ে। এর পাশাপা সেখানে যেভাবে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি হচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষের পক্ষে জীবনধারণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে। বেকারত্ব ও দারিদ্রতা হু হু করে বাড়ছে। পরিস্থিতি এমন জায়গা গিয়েছে যে পাকিস্তানের প্রতি ১০ জন নাগরিকের মধ্যে একজন আগামী ৬ মাসের মধ্যে চাকরি হারাতে পারেন বলেও আশঙ্কা করছেন।

[আরও পড়ুন: হেপাটাইটিস সি-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ের পথ দেখিয়ে নোবেল জিতলেন তিন বিজ্ঞানী]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement