৬ শ্রাবণ  ১৪২৬  সোমবার ২২ জুলাই ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রবল ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল ইন্দোনেশিয়ার বন্দা সমুদ্র উপকূল। মার্কিন সংস্থা ইউএসজিএস-এর তরফে জানানো হয়েছে, ভূপৃষ্ট থেকে ২০৮ কিলোমিটার নিচে এই ভূমিকম্পের সূচনা হয়। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৭.৩। এর ফলে ইন্দোনেশিয়ার বিস্তীর্ণ অঞ্চল ও প্রতিবেশী পূর্ব তিমুরের রাজধানী দিলিতে প্রবল ভূ-কম্পন অনুভূত হয়। যদিও এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার ফলে কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি। জারি হয়নি সুনামি সতর্কতাও। স্থানীয় সময় রবিবার রাত ১১টা ৫৩ মিনিট নাগাদ ভূমিকম্প অনুভূত হয়। উৎসস্থল ছিল বন্দা সমুদ্রের দক্ষিণ আম্বোন দ্বীপ।

[আরও পড়ুন- মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের মেঘ, ইরানের মিসাইল সিস্টেমে আঘাত হানল আমেরিকা]

বন্দা সমুদ্রে ভূমিকম্পের কয়েক মিনিট আগে কেঁপে উঠেছিল পশ্চিম পাপুয়া প্রদেশের আবেপুরা শহরও। রিখটার স্কেলে মাত্রা ছিল ৬.১। গভীরতা ছিল ২০ কিলোমিটার। এপ্রসঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার ভূমিকম্প ও সুনামি কেন্দ্রের প্রধান রহমত ত্রিয়োনো জানান, পাপুয়াতে ভূমিকম্প হওয়ার পরেই বিভিন্ন জায়গায় আফটার শক অনুভূত হয়। তবে এগুলির ফলে বড় কোনও ক্ষতি হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি। ভূমিকম্প হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে অস্ট্রেলিয়ার একদম উত্তরে অবস্থিত ডারউইন এলাকাতেও। এখানে ভূ-কম্পনের জেরে বহুতলগুলি থেকে আতঙ্কে বেরিয়ে আসেন প্রচুর মানুষ। প্রায় পাঁচ মিনিট ধরে গোটা এলাকা থরথর করে কাঁপছিল বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে এখান থেকেও বড় কোনও ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় এক মহিলা শ্রমিক রবেন বলেন, “ভূমিকম্পের সময় কোনও অ্যালার্ম বাজানো হয়নি। কিন্তু, চারিদিক কাঁপছে দেখে ভয়ে সবাই বাইরে বেরিয়ে আসে। এর আগে এতবড় ভূমিকম্প আর দেখিনি।” 

[আরও পড়ুন- পাকিস্তানের সেনা হাসপাতালে বিস্ফোরণ, জখম মাসুদ আজহার-সহ ১০!]

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০০৪ সালে ভূমিকম্পের ফলে তৈরি হওয়া সুনামির জেরে ১২টি দেশের দু’লাখ ৩০ হাজার জন্য মৃত্যু হয়। যার মধ্যে বেশিরভাগই ছিল ইন্দোনেশিয়ার বাসিন্দা।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং