Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
KitKat

বেমালুম উধাও ১২ টন কিটক্যাট! চকোলেট চোরেদের ‘রুচিবোধে’র প্রশংসা নেসলের

নেসলের তরফে বলা হয়েছে, "আমাদের বিজ্ঞাপনী বার্তা ছিল, 'Have a Break, Have a KitKat' অর্থাৎ 'কিটক্যাটের সঙ্গে একটু বিরতি'। চোরেরা মনে হয়, আমাদের এই বার্তা গভীরভাবে গ্রহণ করেছে।"

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ১৮:১৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৩০, ২০২৬, ১৮:১৮

options
link
বেমালুম উধাও ১২ টন কিটক্যাট! চকোলেট চোরেদের ‘রুচিবোধে’র প্রশংসা নেসলের zoom
ট্রাক-সহ ১২ টন কিটক্যাট চুরি।

টাকা-পয়সা বা সোনা-দানা নয়, চুরি গেল চকোলেট! এক-দু প্যাকেট নয় পুরো ট্রাক বোঝাই ১২ টন কিটক্যাট হাওয়া করে দিল চোরের দল। অভিনব এই চুরির ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে। গোটা ঘটনায় বিস্মিত সংস্থাও। এই ঘটনায় বিবৃতি জারি করে চোরেদের রুচিবোধের প্রশংসা করা হয়েছে সংস্থার তরফে। সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে মজার সব মিম।

জানা গিয়েছে, এই ঘটনা ঘটেছে ইতালি ও পোল্যান্ডের মাঝে। গত ২৬ মার্চ নেসলের কারখানা থেকে ১২০০ কেজি কিটক্যাট চকোলেট ট্রাকে বোঝাই করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ইউরোপের বাজারে বিক্রির জন্য। তবে মাঝরাস্তায় সমস্ত চকোলেট বেমালুম হাওয়া হয়ে যায়। এত নিখুঁতভাবে এই চুরি করা হয় যে, পুলিশ এমনকি নেসলে সংস্থা অপরাধের কোনও সূত্র খুঁজে পায়নি।

Advertisement

নেসলের তরফে বলা হয়েছে, “আমাদের বিজ্ঞাপনী বার্তা ছিল, ‘Have a Break, Have a KitKat’ অর্থাৎ ‘কিটক্যাটের সঙ্গে একটু বিরতি’। চোরেরা মনে হয়, আমাদের এই বার্তা গভীরভাবে গ্রহণ করেছে।”

ঘটনা সামনে আসতেই নেসলের তরফে মজার বিবৃতি জারি করা হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, “আমাদের বিজ্ঞাপনী বার্তা ছিল, ‘Have a Break, Have a KitKat’ অর্থাৎ ‘কিটক্যাটের সঙ্গে একটু বিরতি’। চোরেরা মনে হয়, আমাদের এই বার্তা গভীরভাবে গ্রহণ করেছে। যার জেরে আমাদের ১২ টনের বেশি চকোলেট চুরি করে নিয়েছে। ওদের রুচিবোধ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়।” পাশাপাশি নেসলের গ্রাহক, খুচরো ও পাইকারি বিক্রেতাদের সতর্ক করে সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, “কিটক্যাটের যে কোনও প্যাকেট কেনার আগে ভালো করে দেখে নিন। চুরি যাওয়া কিটক্যাটের প্যাকেটগুলিতে একটি বিশেষ ব্যাচ কোড রয়েছে। যদি মনে হয় আপনাদের কাছে চুরির মাল এসেছে তবে প্যাকেটের কোড যাচাই করে তা আমাদের জানাবেন।” চুরির ঘটনার তদন্তে নেমেছে স্থানীয় পুলিশ।

এছাড়াও নেসলের জানিয়েছে, এই চুরির জেরে বাজারে কোনওরকম প্রভাব পড়বে না, কারণ বাজারে তাদের সংস্থার চকোলেটের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে এই ঘটনা সামনে আসতেই সোশাল মিডিয়ায় ছড়াতে শুরু করেছে নানা ধরনের মিম ও কমেন্ট। কেউ লিখেছেন, ‘চোর বোধহয় ছেলেবেলার স্বপ্ন দেখল চকোলেটের বিছানায় শুয়ে থাকার। সেই স্বপ্ন পূরণ করতেই বোধহয় এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন।’ কেউ আবার বিস্ময় প্রকাশ করে লিখেছেন, এই বিপুল পরিমাণ চকোলেট নিয়ে কী করবে চোরেরা?

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.