Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ২২ জুলাই ২০২৬
অস্ট্রেলিয়া

অস্ট্রেলিয়ার দাবানল নেভাতে গিয়ে ভেঙে পড়ল বিমান, মৃত তিন আমেরিকান

মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে নিউ সাউথ ওয়েলসের স্নোয়ি পার্বত্য এলাকায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২০, ১৮:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৩, ২০২০, ১৮:৪৪

options
link
অস্ট্রেলিয়ার দাবানল নেভাতে গিয়ে ভেঙে পড়ল বিমান, মৃত তিন আমেরিকান zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দাবানলে জল ছেটাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ল একটি বিমান। এর ফলে মৃত্যু হল ওই বিমানে থাকা তিন কর্মীর। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনাটি ঘটেছে অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের স্নোয়ি পার্বত্য এলাকায়।

অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গিয়েছে, দাবানলে বিপর্যস্ত অস্ট্রেলিয়ায় জলবাহী ট্যাঙ্কার-সহ সি-১৩০ হারকিউলিস বিমান নিয়ে এসেছিলেন ওই তিন আমেরিকান। তারপর থেকে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন জায়গায় দাবানল নেভানোর কাজ করছিলেন তাঁরা। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টা নাগাদ অস্ট্রেলিয়ার রাজধানী ক্যানবেরার দক্ষিণ প্রান্তে জল ছেটানোর আচমকা নিখোঁজ হয়ে যায় বিমানটি। পরে স্নোয়ি পার্বত্য এলাকার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত কুমা অঞ্চলে জলবাহী ওই ট্যাঙ্কারের ভেঙে পড়া টুকরো উদ্ধার হয়। তার মধ্যে মৃত অবস্থায় পড়েছিলেন ওই তিনজন আমেরিকান।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: দাভোসের মঞ্চে নতুন ‘বন্ধুত্ব’, কিশোরী পরিবেশকর্মী গ্রেটার সঙ্গে সাক্ষাৎ প্রিন্স চার্লসের ]

 

এপ্রসঙ্গে নিউ সাউথ ওয়েলসের কমিশনার শানে শেন ফিটৎসিম্মন্স জানান, ওই তিনজন আমেরিকানকে নিয়ে বিমানটি নিখোঁজ হয়ে গিয়েছিল। প্রথমে কোনও খবর পাচ্ছিলাম আমরা। পরে কুমা এলাকা থেকে বিমানটির ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার হয়। এখনও পর্যন্ত এই দুর্ঘটনার কোনও খবর পাওয়া যায়নি। দুর্ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরে থাকা বাসিন্দারা আচমকা বিকট আওয়াজ শুনতে পান।

[আরও পড়ুন: করোনা ভাইরাস আতঙ্কে যানবাহন বন্ধ, চিন থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন ইউহান প্রদেশ ]

 

গত কয়েকমাস ধরে এই দাবানলের জন্য অস্ট্রেলিয়া বিস্তীর্ণ অংশে খরা পরিস্থিতি। উচ্চ তাপমাত্রা, বাড়তি আর্দ্রতা। পরিবেশ ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে জানিয়েছেন সাধারণ বাসিন্দারা। তারপর জঙ্গলের আগুন জ্বলতে থাকায় হাওয়া দিক পরিবর্তন করে অন্যত্রও উষ্ণতা বাড়াচ্ছে। জনসাধারণের একটা বড় অংশই এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার জন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসনকে দায়ী করেন। পরিবেশ বাঁচাতে, উষ্ণায়ন রোধে তাঁর সরকারের ভূমিকা একেবারেই নেতিবাচক বলে সমালোচনা শুরু হয়। তবে নতুন বছরের শুরুতে বৃষ্টি শুরু হয় পরিস্থিতির পরিবর্তন হয় অনেক জায়গায়। কিছু কিছু জায়গায় তো হড়পা বানের ফলে বন্যা পরিস্থিতিরও সৃষ্টি হয়।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.