Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
ব্রেক্সিট

ব্রেক্সিটের পথে আরও এক ধাপ, ব্রিটেনে ঐতিহাসিক জয় বরিস জনসনের দলের

৬৫০টি আসনের মধ্যে ৩২৬টিতে জিতেছে কনজারভেটিভ পার্টি (টোরি)।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯, ১২:০৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ডিসেম্বর ১৩, ২০১৯, ১২:০৯

options
link
ব্রেক্সিটের পথে আরও এক ধাপ, ব্রিটেনে ঐতিহাসিক জয় বরিস জনসনের দলের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এক্সিট পোলেই আভাস মিলেছিল। সমীক্ষাকে সত্যি প্রমাণিত করে ব্রিটেনে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে ফের ক্ষমতায় ফিরল বরিস জনসনের কনজারভেটিভ পার্টি (টোরি)। ব্রিটিশ পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ হাউজ অফ কমনসে ৬৫০টি আসনের মধ্যে ৩২৬টিতে জিতেছে প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের দল। এক্সিট পোলে বরিসের দল ৩৬৮টি আসনে জিততে পারে বলে আভাস ছিল।

বিরাট জনমত পেয়ে বরিসের দৃপ্তকণ্ঠে ঘোষণা, ‘নয়া বিপুল জনাদেশ ব্রেক্সিটের পথ আরও সুগম করবে।’ কনজারভেটিভ পার্টির প্রাক্তন নেত্রী তথা প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের পর ফের একবার বিপুল জনাদেশ পেলেন সেই দলের বরিস জনসন। অন্যদিকে, বিরোধী দল বামপন্থী লেবার পার্টির জেরেমি করবিন ভরাডুবির দায় নিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন বলে সূত্রের খবর। ২০২টি আসনে জয়লাভ করেছে লেবার পার্টি। জেরেমি এই ফলাফলকে অত্যন্ত হতাশাজনক আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচনের জন্য আর দলকে নেতৃত্ব দিতে চান না। গত নির্বাচনেও টোরি ও লেবার পার্টির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছিল। সেবার টোরিরা পেয়েছিল ৩১৮টি আসন এবং লেবার ২৬২টি। দুবছর আগের সেই নির্বাচনের নিরিখে এবার জয়ের ব্যবধান বাড়িয়েছে বরিসের দল। ১৯৮০ সালে থ্যাচারের তত্বাবধানে বিপুল জয়ের ৩৯ বছর পর ফের বিরাট জনাদেশ পেল টোরিরা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ব্রেক্সিট জটের মাঝে ব্রিটেনে সাধারণ নির্বাচন, গরম নিয়েই ভোটের লাইনে আমজনতা]

অন্যদিকে, ১৯৩৫ সালের পর থেকে এবারই সবচেয়ে কমসংখ্যক আসনে জিতল লেবার পার্টি। বরিস এই জয়কে ঐতিহাসিক আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, দেশের মানুষের উন্নয়নের জন্য ও গণতান্ত্রিক স্বার্থ রক্ষার্থে নতুন সরকার সর্বতোভাবে সচেষ্ট হবে। ব্রিটিশ নাগরিকরা ব্রেক্সিটের পক্ষেই এই জনাদেশ দিয়েছেন। তাঁদের উন্নত ভবিষ্যতের জন্য সরকার কাজ করবে।’ অন্যদিকে, ভরাডুবির জন্য ব্রেক্সিটকেই দায়ী করেছেন লেবার পার্টির মুখপাত্র জন ম্যাকডনেল।

[আরও পড়ুন: মাত্র ৩৪ বছরেই বাজিমাত, ইনিই হলেন বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.