বসকে খুশি করবেন কীভাবে?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রত্যেকটা মানুষই চায় জীবনে উন্নতি করতে। বিশেষ করে নিজের চাকরির জায়গায়। আর সেখানে উন্নতির মূল চাবিকাঠিই হল অফিসের সকলের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখা। বিশেষ করে বসের সঙ্গে। কারণ দিনের শেষে আপনি কর্মক্ষেত্রে কতটা সফল তাঁর মূল্যায়ন কিন্তু তিনিই করবেন। আর একবার সুসম্পর্ক তৈরি হয়ে গেলে বহু ক্ষেত্রে তা আপনাকে সাহায্য করবে। বিশেষ করে অফিসে নানা ধরণের চাপ থেকে শুরু করে নানারকম বিপদে, তাঁকে পাশে পাবেন।

সমাজের অন্যান্য সম্পর্কের মতো কর্মচারী এবং বসের মধ্যেও স্বচ্ছতা এবং বিশ্বাস থাকা প্রয়োজন।দু’জনের মধ্যে সুসম্পর্ক বজায় থাকলে আখেড়ে লাভ কোম্পানিরই। এক নজরে দেখে নিন, বসের সঙ্গে কীভাবে সুসম্পর্ক বজায় রাখবেন:

[নারদ কাণ্ডে ১৩ জনের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের সিবিআইয়ের]

  •  মিটিং: প্রত্যেক মাসেই বসের সঙ্গে অফিসের কাজ নিয়ে আলাদা কথা বলুন। এতে অফিসে কী কী কাজ হচ্ছে সেই সম্পর্কে একটি ধারণা পাবেন। তাছাড়া আপনি কতটা কাজ করছেন সেটাও আন্দাজ করতে পারবেন। এর পাশাপাশি কাজ আপনার কাছে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটাও বুঝতে পারবেন আপনার বস।

 

  • মাঝে মধ্যে অন্যান্য আলোচনা: অফিসে বসের সঙ্গে কথা বললেই যে সবসময় কাজের কথা বলতে তা কিন্তু কখনই ভাববেন না। কাজের বাইরে অন্যান্য জিনিস নিয়েও আলোচনা করতেই পারেন। পছন্দ-অপছন্দ, প্রিয় খেলা এসব নিয়েও কথা বলতেই পারেন।

 

  •  মন দিয়ে শুনুন: শুধু কথা বললেই হবে না। মন দিয়ে তাঁর কথাও তো শুনতে হবে। তিনি কী বলছেন? বিশেষ করে বৈঠকে সেটা মন দিয়ে শুনুন। কথা বলার সময় তাঁর চোখের দিকে তাকিয়েই কথা বলুন। এর পাশাপাশি নিজের অঙ্গ-ভঙ্গি এবং মুখের প্রকাশ ভঙ্গির দিকে বিশেষ নজর রাখুন। আর সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বস যখন কিছু বলবেন, তাঁকে মাঝখানে আটকাবেন না। এতে তাঁর কিছুটা হলেও খারাপ লাগতে পারে।

[যত ঘণ্টা বাস, এবার থেকে ততক্ষণেরই ভাড়া দিন হোটেলে]

  • কিছু লুকাবেন না: যদি অফিসে কোনও ঘটনায় বিতর্ক তৈরি হতে পারে বলে আপনার মনে হয় বা ভুল হচ্ছে বলে আপনি মনে করেন, তাহলে সেটা অবশ্যই বসকে জানান। তাঁর থেকে কোনও কিছুই লুকোবেন না।

 

  • নিজের কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিন: যেকোন বস চায়, তাঁর কর্মচারীরা দায়িত্বশীল হোক। তাই আপনারও উচিত যেকোনও কাজে নিজে থেকে দায়িত্ব নিন। ধরুন অফিসে নতুন কোনও কাজ এসেছে, আপনি এগিয়ে এসে বসকে বলুন কাজটি করতে আপনার ইচ্ছে রয়েছে। এতে কিন্তু বস খুশিই হবেন। আর ধীরে ধীরে সম্পর্কে নিশ্চিত উন্নতিও হবে।

[প্রশাসন উদাসীন, শহিদ পুত্রের স্মৃতিসৌধ নিজের হাতে পরিস্কার করলেন বাবা]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *