Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Bhutni

খিদে বড় বালাই! পেটের জ্বালায় বুকসমান জলে ডুবে ভূতনিতে ত্রাণ জোগাড়ে ‘খণ্ডযুদ্ধ’

সকলের কাছে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিদের।

হরেন চৌধুরী
হরেন চৌধুরী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ২১:২৪

link
হরেন চৌধুরী
হরেন চৌধুরী

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২৬, ২১:২৪

options
link
খিদে বড় বালাই! পেটের জ্বালায় বুকসমান জলে ডুবে ভূতনিতে ত্রাণ জোগাড়ে ‘খণ্ডযুদ্ধ’ zoom
ভূতনিতে ত্রাণ নিয়ে কাড়াকাড়ি। নিজস্ব চিত্র
Advertisement

ভূতনির বন্যা পরিস্থিতির যেন কোনও উন্নতি নেই। বৃহস্পতিবারও ত্রাণ নিয়ে একইরকম হাহাকারের ছবি স্পষ্ট। বুক সমান জলে ডুবে নৌকা থেকে ত্রাণ নেন অনেকেই। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে এদিন ভূতনির সেতু এলাকা পরিদর্শন করেন জেলাশাসক-সহ জেলা প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা। ভূতনিবাসীর জন্য খাবারদাবার, ওষুধপত্রের বন্দোবস্ত করা হচ্ছে বলেই জানান জেলাশাসক। ভূতনির বেশ কিছু গ্রামে বিদ্যুৎ পরিষেবা পুনরায় চালু করা হবে বলে জানাই জেলাশাসক।

এর আগে বুধবারও ভূতনি সেতুর কাছে ত্রাণ পৌঁছনোর খবর মিলতে দূরদূরান্ত থেকে ডোঙায় গঙ্গা পেরিয়ে ত্রাণ সংগ্রহে মরিয়া হয়ে হয়ে ওঠেন বানভাসিরা। মহিলা এমনকী শিশুরাও ডোঙায় ভেসে দুর্গম এলাকা থেকে চিঁড়ে, গুড় সংগ্রহ করতে ভিড় জমান অনেরেই। দুপুর নাগাদ প্রাণ নিয়ে ভূতনি সেতুর কাছে পৌঁছন ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধিরা। এরপরই জলবন্দি এলাকা থেকে ডোঙা নিয়ে ছুটে আসতে দেখা যায় ক্ষুধার্ত মানুষজনকে। বৃহস্পতিবারও দেখা যায় সেই একই ছবি। এদিনও বুকসমান জলে ডুবে নৌকা থেকে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে কার্যত কাড়াকাড়ি শুরু হয়।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Bhutni-1
ভূতনির বানভাসি মানুষ। নিজস্ব চিত্র

ভূতনি থানার তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতে বন্যা পরিস্থিতি কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। তবে দেড় লক্ষ বানভাসির জলযন্ত্রণা কমেনি। বহু গ্রাম জলবন্দি। কোথাও ১০–১২ ফুট জল দাঁড়িয়ে আছে। আবার কোথাও বাড়ির একতলা পর্যন্ত জলমগ্ন। উঁচু জায়গা ও বাড়ির ছাদে আশ্রয় নিয়ে দিন কাটাচ্ছেন বহু পরিবার। মালদহ জেলা প্রশাসনের কর্তারা জানিয়েছেন, ২০২৪ সালের মতো ত্রাণ নিয়ে কাড়াকাড়ি কোথাও হয়নি। তবে প্রত্যন্ত এলাকাগুলোতে পৌঁছাতে বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। বানভাসি এলাকায় ১১টি ত্রাণ শিবির এবং ১৫টি লঙ্গরখানা চালু করা হয়েছে। এছাড়াও দুর্গতদের কাছে পৌঁছানোর জন্য একশোর বেশি নৌকা এবং এনডিআরএফ ও ভারতীয় সেনাবাহিনী মোতায়েন রয়েছে। বেশ কিছু এলাকায় বানভাসিরা ত্রাণ না পাওয়ার অভিযোগ করেন। তাঁদের কাছে দ্রুত ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার আশ্বাস দেন প্রশাসনিক কর্তাব্যক্তিরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.