BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর সভা, জায়গা নিয়ে তুঙ্গে বিতর্ক

Published by: Sayani Sen |    Posted: April 5, 2019 2:46 pm|    Updated: April 22, 2019 3:41 pm

An Images

বিক্রম রায়, কোচবিহার: মাত্র চব্বিশ ঘণ্টার ব্যবধানে কোচবিহারের রাসমেলা মাঠে সভা প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর৷ ৭ তারিখ প্রধানমন্ত্রীর এবং ৮ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনী প্রচার করবেন৷  ইতিমধ্যেই সভা মঞ্চ তৈরির কাজ শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল৷ এখানেই প্রশ্ন তুলছে বিজেপি নেতৃত্ব৷ আগেই যদি মুখ্যমন্ত্রীর সভা মঞ্চ তৈরি হয়ে যায়, তবে কীভাবে প্রধানমন্ত্রী সভা করবেন? ইতিমধ্যে এই জটিলতা নিয়ে নির্বাচনী কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে বিজেপি৷ শুক্রবার বিকেলের মধ্যে মঞ্চ সরিয়ে না ফেললে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেই হুঁশিয়ারি কৈলাস বিজয়বর্গীয়র৷ যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের তরফে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি৷

[ আরও পড়ুন: পাঁচ বছরের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিতে গিয়ে কর্মীদের বিক্ষোভের মুখে শতাব্দী]

আগামী ১১ তারিখ কোচবিহার এবং আলিপুরদুয়ারে ভোট দিয়ে শুরু হবে রাজ্যের প্রথম দফার লোকসভা নির্বাচন৷ তাই শাসকদল হোক কিংবা বিরোধী সকলেই আপাতত পাখির চোখ করেছে উত্তরবঙ্গকেই৷ তৃণমূল এবং বিজেপির হাইভোল্টেজ ভোটের প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে উত্তরে৷ ইতিমধ্যেই শিলিগুড়িতে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী৷ কোচবিহারে পরপর দু’দিন নির্বাচনী প্রচার করেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এখানেই শেষ নয়৷ প্রথম দফার ভোটাভুটির আগে আরও একবার ভোটপ্রচারে কোচবিহারে সভা করবেন নরেন্দ্র মোদি এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দু’জনেই৷ রাসমেলা মাঠে আগামী ৭ এপ্রিল বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিকের সমর্থনে প্রচার সভা করবেন মোদি৷ আর তার ঠিক পরেরদিন, অর্থাৎ ৮ এপ্রিল ওই একই জায়গায় তৃণমূল প্রার্থী পরেশ চন্দ্র অধিকারীর সমর্থনে জনসভা করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

NISHITH-PRAMANIK

[ আরও পড়ুন: জঙ্গিপুরে ‘উটকো বিপদ’, ভ্রান্তিবিলাসের গেরোয় অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়]

ইতিমধ্যে দু’টি দলই জেলা প্রশাসনের থেকে সভার অনুমতিও নিয়েছে৷ সূত্রের খবর, ৮ এপ্রিল সভার পাশাপাশি বৃহস্পতিবার থেকে আগামী শনিবার পর্যন্ত ওই মাঠ ব্যবহারের অনুমতি নিয়েছে তৃণমূল৷ সেই সুযোগে ইতিমধ্যেই মাঠজুড়ে মুখ্যমন্ত্রীর সভা মঞ্চও তৈরি করে ফেলেছে তারা৷ বিভিন্ন জায়গায় লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যানার, পোস্টার৷ আর এখানেই আপত্তি বিজেপির৷ গেরুয়া শিবিরের বক্তব্য, ৬ এপ্রিলের মধ্যে মাঠজুড়ে যদি সভামঞ্চ তৈরি হয়ে যায়৷ তবে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার জন্য কীভাবে মঞ্চ তৈরি করা হবে? ফলে একই মাঠে দুই হেভিওয়েটের সভামঞ্চ নিয়ে বিজেপি-তৃণমূল তরজা অব্যাহত৷ 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement