সিকিমে সুড়ঙ্গ বিপর্যয়ের (Sikkim Tunnel Collapse) জেরে বাংলার ১১ জন শ্রমিকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। আগেই স্বজনহারা পরিবারগুলির পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (CM Suvendu Adhikari)। শুধু কথা দেওয়া নয়, সোমবার সেই কথা অক্ষরে অক্ষরে রাখলেন তিনি। এদিন জলপাইগুড়ি জেলাশাসকের অফিসে ওই পরিবারগুলির সদস্যদের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেইসঙ্গে ঘোষণা করলেন, ১১ পরিবারের মধ্যে ন’টি পরিবারের সদস্যদের চাকরি দেওয়া হবে। সাতটি পরিবারের সদস্যরা পাবেন হোমগার্ডের চাকরি, ২ পরিবার সিভিক পুলিশে যোগ দেবেন। এদিন এই আশ্বাস দিয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। জানালেন, ১১ টি পরিবারকে সবমিলিয়ে মোট ২১ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে, আর্থিক সাহায্য পেয়ে স্বজনহারা পরিবারগুলি অনেকটা নিশ্চিন্ত।
সোমবার জলপাইগুড়ি সফরে গিয়ে জেলাশাসকের দপ্তরে ওই পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু অধিকারী। পরিবারের সদস্যের হাতে মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাতে তুলে দেন চাকরির নিয়োগপত্র, আর্থিক সাহায্য। সেইসঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রতি তাঁর আহ্বান, ‘‘আপনারা ঘরে ফিরে আসুন। রাজ্য সরকার এখন অনেক সুবিধা দিতে প্রস্তুত। নতুন করে জবকার্ড করে নিন, ১২৫ দিনের কাজ পাবেন। তাছাড়া বিনামূল্যে রেশন দেয় কেন্দ্র, আয়ুষ্মান ভারত আছে। যাঁরা এই সুবিধা পাবেন না, তাঁদের জন্য আছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা। আপনারা ফিরে এলে কোনও অসুবিধা হবে না।”
আরও পড়ুন:

গত সপ্তাহে সিকিমের নামচিতে নির্মীয়মাণ সুড়ঙ্গে ধস নেমে বড় বিপর্যয় ঘটে গিয়েছে। সুড়ঙ্গে চাপা পড়ে মৃত্যু হয়েছে বাংলার ১১ জন শ্রমিক। এঁদের মধ্যে ৯ জনই মালবাজারের। দুর্গম এলাকায় প্রচুর প্রতিকূলতা পেরিয়ে একে একে তাঁদের দেহ উদ্ধার করেছে বিপর্যয় মোকাবিলা দল। দুর্ঘটনার খবর পেয়েই সিকিম সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছিলেন এ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। জানিয়েছিলেন, দরকারে উদ্ধারের জন্য হেলিকপ্টার পাঠানো হবে। এদিকে, মৃতদের পরিবারের পাশে থাকারও আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা দিয়েছিলেন, স্বজনহারা পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করবেন।
সেইমতো সোমবার জলপাইগুড়ি সফরে গিয়ে জেলাশাসকের দপ্তরে ওই পরিবারগুলির সঙ্গে দেখা করেন শুভেন্দু অধিকারী। কারও বয়স্কা মা, কারও বাবা অথবা কারও ছোট ভাইবোন – সকলের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাতটি পরিবারের সদস্যের হাতে মুখ্যমন্ত্রী নিজে হাতে তুলে দেন চাকরির নিয়োগপত্র, আর্থিক সাহায্য। সেইসঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিযায়ী শ্রমিকদের প্রতি তাঁর আহ্বান, ‘‘আপনারা ঘরে ফিরে আসুন। রাজ্য সরকার এখন অনেক সুবিধা দিতে প্রস্তুত। নতুন করে জবকার্ড করে নিন, ১২৫ দিনের কাজ পাবেন। তাছাড়া বিনামূল্যে রেশন দেয় কেন্দ্র, আয়ুষ্মান ভারত আছে। যাঁরা এই সুবিধা পাবেন না, তাঁদের জন্য আছে মুখ্যমন্ত্রী স্বাস্থ্যবিমা যোজনা। আপনারা ফিরে এলে কোনও অসুবিধা হবে না।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
অন্তর্বাস খুলিয়ে গোপনাঙ্গে হাত! তল্লাশির নামে হাওড়ায় শিক্ষিকাদের ‘হেনস্তা’
-
তারাতলাকাণ্ডে ধৃত কলকাতা পুরসভার সাব-অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার, ভূমিকা খতিয়ে দেখছে পুলিশ
-
‘জোড়াফুলেই লড়ব’, প্রতীক-যুদ্ধে ঋতব্রতর ‘বাপের সম্পত্তি’র পালটা মমতাপন্থী সাংসদ কল্যাণের
-
ন্যাশনাল ক্রাশ! কেন ইচ্ছা থাকলেও বিয়ে করতে পারেননি প্রেসিডেন্ট মুর্মুর প্রাক্তন এডিসি ঋষভ?
-
তৃণমূলের প্রতীক কার, কালীঘাট ও ঋত শিবিরের বক্তব্য শুনে কোন সিদ্ধান্তের পথে কমিশন?