BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

ক্ষমতায় এলে রাফালে দুর্নীতির তদন্ত হবে, করণদিঘির সভায় ঘোষণা রাহুল গান্ধীর

Published by: Tanumoy Ghosal |    Posted: April 10, 2019 6:51 pm|    Updated: April 22, 2019 3:16 pm

An Images

রাহুল চক্রবর্তী, করণদিঘি: কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে রাফালে দুর্নীতির তদন্ত হবে।যারা চুরি করেছে, তারা সাজা পাবে। বুধবার উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতে জনসভায় ঘোষণা করলেন রাহুল গান্ধী। কংগ্রেস সভাপতির হুঙ্কার, ‘নরেন্দ্র মোদি যদি অনিল আম্বানির চৌকিদারি করেন, তাহলে আমি গরিব কৃষকদের চৌকিদারি করব।’ এদিন কংগ্রেস-বিজেপি আঁতাতের অভিযোগ খারিজ তো করেইছেন, সরাসরি নাম করে নিশানা করেছেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও।

[ আরও পড়ুন: ‘ভোটে জেতার জন্য আরএসএসের সাহায্য নিচ্ছে কংগ্রেস’, তোপ মমতার]

গত বুধবার শিলিগুড়িতে নির্বাচনী জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাজ্যে প্রথম দফা লোকসভা ভোটের আগের দিন উত্তর দিনাজপুরের করণদিঘিতে জনসভা করলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীও। নাতিদীর্ঘ ভাষণে গলার স্বর পালটে, শারীরিক অঙ্গভঙ্গি করে মোদিকে নিশানা করলেন তিনি। বললেন, গত পাঁচ বছরে অনেক প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন মোদি, কিন্তু কথা রাখেননি। এখন যেখানেই যাচ্ছেন, মিথ্যা কথা বলছেন। চৌকিদারের চুরি ধরা পড়ে গিয়েছে। তিনি আর ঠিকমতো ভাষণ দিতে পারছেন না, চোখে চোখ রেখে কথা বলতে পারছেন না। দেশবাসীর অ্যাকাউন্টের ১৫ লক্ষ টাকা দেওয়ার মিথ্যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মোদি। সেই প্রতিশ্রুতির কী হল? দেশবাসী সত্য জানতে চাইছে। রাহুল গান্ধীর পালটা প্রতিশ্রুতি, কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে, গরিব মানুষদের অ্যাকাউন্টে বছরে ৭২ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। যাঁদের মাসিক আয় ১২ হাজার টাকার নিচে, তাঁরা এই টাকা পাবেন। ঋণখেলাপির জন্য কোনও কৃষকদের জেলে যেতে হবে না।

লোকসভা ভোটের প্রচারে উত্তরবঙ্গে লাগাতার সভা করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর প্রতিটি সভায় মোদি তো বটেই, মমতার নিশানায় থাকছে কংগ্রেসও। বুধবার উত্তর দিনাজপুরেরই চোপড়ায় এক জনসভায় নাম না করে কংগ্রেসের দুই প্রার্থী অধীররঞ্জন চৌধুরি ও অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মমতা। বলেন, ভোটের জেতার জন্য আরএসএসের সঙ্গে আঁতাঁত করেছেন বহরমপুর ও জঙ্গিপুরের কংগ্রেস প্রার্থী। করণদিঘিতে পালটা জবাব দিলেন রাহুল গান্ধীও। তিনি বলেন, সারা দেশে বিজেপির বিরুদ্ধে লড়ছে কংগ্রেসই। তাঁর দলই রাফালে দুর্নীতি প্রকাশ্যে এনেছে, ‘চৌকিদার চোর হ্যায়’ আওয়াজ তুলেছে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একসময় বিজেপির সঙ্গে জোট করেছিলেন। শুধু তাই নয়, কর্মসংস্থান ও কৃষিঋণ মকুব ইস্যুতে কার্যত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একাসনে বসিয়েছেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী।

 

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement