BREAKING NEWS

১৪ আশ্বিন  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

‘জেতার জন্য বাংলাদেশি এনে প্রচার’, ফিরদৌস-নূর প্রসঙ্গে কটাক্ষ মোদির

Published by: Sayani Sen |    Posted: April 20, 2019 11:34 am|    Updated: April 20, 2019 11:34 am

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটপ্রচারে বাংলাদেশি অভিনেতা ফিরদৌস এবং গাজি নূরের অংশ নেওয়া নিয়ে বিতর্কের শেষ নেই৷ ইতিমধ্যেই দুই তারকার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক৷ বুনিয়াদপুরের সভা থেকে এই ইস্যুতেই প্রথমবার মুখ খুললেন নরেন্দ্র মোদি৷ গেরুয়া শিবিরের জনপ্রিয়তা দেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চমকে গিয়েছেন বলেই কটাক্ষ তাঁর৷ মোদি আরও বলেন,‘‘লোকসভা নির্বাচনে জেতার জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব কিছু করতে পারেন৷ তাই বাংলাদেশি এনে ভোটপ্রচার করাচ্ছেন৷’’

[ আরও পড়ুন: সিনেমার আদলে বিজেপির পোস্টার, অভিনেতা মোদি-আলুওয়ালিয়া]

ইতিমধ্যে রাজ্যে দু’টি দফায় নির্বাচন পর্ব মিটে গিয়েছে৷ তৃতীয় দফায় উত্তর দিনাজপুরের বালুরঘাট লোকসভা কেন্দ্রে ভোটাভুটি৷ তার আগে বিজেপি প্রার্থী সুকান্ত মজুমদারের সমর্থনে প্রচার করলেন খোদ নরেন্দ্র মোদি৷ এদিনের সভামঞ্চ থেকে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি৷ সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেককে আক্রমণ করেন মোদি৷ তিনি বলেন, ‘‘বুয়া-ভাতিজা মিলে রাজ্যের সংস্কৃতি নষ্ট করছে৷’’ এদিনের ইস্যুভিত্তিক আক্রমণের একটি বড় অংশ জুড়েই ছিল খাগড়াগড়ে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা৷ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যে জঙ্গিদের আশ্রয় দিয়েছেন বলেও কটাক্ষ তাঁর৷

[ আরও পড়ুন: ‘সব থেকে বড় কয়লা মাফিয়া বাবুল’, মুনমুনের প্রচারসভায় তোপ অরূপের]

ভোটপ্রচারে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথা উল্লেখ করা যাবে না বলে নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট৷ কিন্তু সেই নিষেধাজ্ঞায় কান দিতে নারাজ গেরুয়া শিবির৷ পরিবর্তে পাকিস্তানের বালাকোটে ভারতীয় বায়ুসেনার সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের কথাই এদিন সভামঞ্চ থেকে উল্লেখ করেন মোদি৷ এয়ারস্ট্রাইকে আদৌ কতজন জঙ্গিকে খতম করা হয়েছিল, সেই পরিসংখ্যান জানতে চেয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী৷ সেই ইস্যুতেই এদিন মমতাকে বিঁধতে ভুললেন না তিনি৷ মোদি বলেন, ‘‘এয়ারস্ট্রাইকের পর গোটা ভারতবর্ষ গর্বিত৷ কিন্তু দিদিই একমাত্র প্রমাণ চান৷ সেনা কিংবা আমার কথায় বিশ্বাস নেই তাঁর৷’’

[ আরও পড়ুন: বিজেপিকে ঠেকাতে অভিনব কৌশল, জঙ্গলমহলে হনুমানের নামে দল গড়ল তৃণমূল]

প্রায় চার দশক পর শনিবার বুনিয়াদপুরে সভা করলেন মোদি৷ এদিনের মঞ্চ থেকে সারদা, নারদার মতো আর্থিক তছরূপের অভিযোগেও সুর চড়ান তিনি৷ রাজ্য সরকারি কর্মীদের ডিএ নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে যথেষ্ট৷ সেই ইস্যুতেই এদিন মমতাকে খোঁচা দেন মোদি৷ এছাড়াও এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অনশনের প্রসঙ্গ তুলে রাজ্যে কর্মসংস্কৃতি নষ্ট হয়ে গিয়েছে বলেই অভিযোগ করেন তিনি৷ মমতাকে আক্রমণের পাশাপাশি এদিন মোদির গলায় শোনা যায় আত্মপ্রত্যয়ের সুরও৷ দিল্লি দখলের লড়াইতে যে বিজেপিই জয়ী হবে, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সেকথা জানান তিনি৷ মোদির কথায়, ‘‘আগামী ২৩ মে মমতা বুঝবেন সন্ত্রাস তৈরির ফল কী হয়৷’’

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement