Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১২ আগস্ট ২০২৬
Jadavpur University

JU রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠি কাণ্ডে গ্রেপ্তার, জামিন পেয়ে কলেজে যেতেই গো-ব্যাক স্লোগান অধ্যাপককে

কাজে যোগ দেওয়া ঘিরেও সংশয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৩, ১৮:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২৩, ১৮:৪২

options
link
JU রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠি কাণ্ডে গ্রেপ্তার, জামিন পেয়ে কলেজে যেতেই গো-ব্যাক স্লোগান অধ্যাপককে zoom
Advertisement

বিক্রম রায়, কোচবিহার: যাদবপুরের রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠি দেওয়ায় গ্রেপ্তার হয়েছিলেন অধ্যাপক রানা রায়। পুলিশ প্রমাণ দিতে না পারায় জামিনও পেয়েছেন তিনি। বৃহস্পতিবার কোচবিহারের আচার্য ব্রজেন্দ্রনাথ শীল কলেজে যান ইতিহাসের অধ্যাপক। তাঁকে কলেজে দেখে গো-ব্যাক স্লোগান তোলেন কলেজের ছাত্ররা। তাঁদের দাবি, কলেজের নাম ডুবিয়েছেন অধ্যাপক। তাই তাঁর কাছে আর কোনও ছাত্র পড়তে চায় না। পালটা অধ্যাপক রানা রায়ের দাবি, তিনি কোনও অপরাধ করেননি। ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আপাতত কলেজের কাজে যোগ দিচ্ছেন না রানা রায়। অধ্যক্ষের দাবি, অভিযুক্ত অধ্যাপক আপাতত মেডিক্যাল লিভে রয়েছেন। ফিটনেস সার্টিফিকেট আনলে তবে কাজে যোগ দিতে পারবেন। তবে তার আগে মামলার কী হয় সেদিকে নজর থাকবে।

শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেপ্তার কোচবিহারের অধ্যাপক রানা রায়। ভুবনেশ্বর থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। যাদবপুরের রেজিস্ট্রারকে হুমকি চিঠি পাঠানোর ঘটনায়ও নাম জড়িয়েছিল ধৃতের। বুধবার তাঁকে আদালতে তোলা হলে প্রমাণের অভিযোগে জামিন পেয়ে যান। এরপর কাজে যোগ দিতে কোচবিহারের কলেজে যান তিনি। সেখানেই বিপত্তি। গো-ব্যাক স্লোগান তোলেন কলেজের ছাত্ররা। তাঁদের দাবি, “অন্যায় কাজের সঙ্গে যুক্ত অধ্যাপক। কলেজের বহু ছাত্রর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। ওঁর ক্লাস কেউ করতে চাই না। ভবিষ্যতে যাতে উনি আর কলেজে না আসেন।” উপাচার্যের ঘরে যখন ছিলেন সেই সময় গো-ব্যাক স্লোগান ওঠে কলেজে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: দুর্দান্ত লড়েও জয় অধরা, কিংস কাপে ইরাকের কাছে হার ভারতের]

পালটা রানা রায়ের দাবি, “যাদবপুরের ঘটনার সঙ্গে কোনও যুক্ত নই। পুলিশ প্রমাণ করতে পারেননি। অসুস্থতা নিয়ে ওঁদের পড়িয়েছি। এখন এরকম করছে ওরা।” এদিন কাজে যোগ দিতে এসেছিলেন কলেজে। কিন্তু ফিটনেস সার্টিফিকেট না থাকায় তিনি যোগ দিতে পারেননি। অধ্যক্ষ নিলয় রায় জানান, “উনি (রানা রায়) মেডিক্যাল লিভে আছেন। ফিটনেস সার্টিফিকেট আনলে তবে কাজে যোগ দিতে পারবেন। তবে দেখি কবে সেই সার্টফিকেট আনেন। মামলার কী গতিপ্রকৃতি হয়! আর উচ্চশিক্ষাদপ্তরকেও বিষয়টা জানাব।”
 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.