সৌরভ মাজি, বর্ধমান: রাজ্যজুড়ে রাজনীতির মঞ্চে এখন জোর লড়াই ‘জয় শ্রীরাম’ বনাম ‘জয় হিন্দ’-‘জয় বাংলা’ স্লোগানের। এবার সেই লড়াইয়ের আঁচ বাণিজ্যেও। রাখি উৎসবে এবার বাজারে ছেয়ে গিয়েছে জয় হিন্দ-জয় বাংলা রাখি। সমানে টক্কর দিচ্ছে ‘জয় শ্রীরাম’ রাখিও। কালনা থেকে কুলটি, কেতুগ্রাম থেকে বর্ধমান, রাখির বাজারেও রাজনীতির সেই লড়াইয়ের ছায়া পড়েছে। দুই ধরণের রাখিরই নাকি দেদার চাহিদা। এমনটাই জানাচ্ছেন বিক্রেতারা। দাম চড়া হলেও কার্পণ্য করছেন না ক্রেতারা। হিন্দ-বাংলা হোক বা শ্রীরাম, রাজনৈতিক লড়াইয়ের জেরে জয় হচ্ছে রাখি শিল্পের।
গত বছর পর্যন্তও রাখির বাজারে লড়াইটা ছিল মোদি বনাম মমতার।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া রাখি বাজার মাত করেছিল। তৃণমূল বনাম বিজেপির রাজনৈতিক লড়াইয়ের মুখ ছিলেন ওই দুই নেতা-নেত্রী। তার প্রভাবে গতবারও রাখির বাজারে মোদি ও মমতার মুখের ছবি দেওয়া রাখিরও কদর ছিল। তবে এবার সেখানে একটু হলেও ভাটার টান। বাজারে তা মিললেও সংখ্যায় কম, এমনটাই জানাচ্ছেন বর্ধমান শহরের রাখি ব্যবসায়ীরা। সেই জায়গায় টক্কর হচ্ছে ‘জয় শ্রীরাম’ রাখি ও ‘জয় হিন্দ’-‘জয় বাংলা’ রাখির। রাজনীতির ময়দানে গত লোকসভা ভোটের পর থেকেই ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি ও ‘জয় হিন্দ’-‘জয় বাংলা’ ধ্বনি দুই দলের যেন রাজনৈতিক স্লোগানে পরিণত হয়েছে। তাঁর আঁচ পড়েছে এবারের রাখির বাজারে।
বর্ধমান শহরের বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গিয়েছে অন্যান্য রাখির সঙ্গে রাজনীতির ছোঁয়া লাগা রাখিরই কদর যেন বেশি। শহরের তেঁতুলতলা বাজারের রাখি ব্যবসায়ী মনোহর গুপ্ত বলেন, “আমরা দোকানে ‘জয় শ্রীরাম’ রাখির চাহিদাই সব থেকে বেশি। প্রথম লটে যা রাখি তুলেছিলাম সব শেষ। দ্বিতীয়বার ফের রাখি তুলতে হয়েছে আমাকে। ছোট ছোট স্ফটিক পাথরে ‘জয় শ্রীরাম’ লেখা রাখির চাহিদাই বেশি। ৬০ থেকে ৯০ টাকা দাম বিভিন্ন মাপের এই রাখির। অন্য রাখির তুলনায় দাম বেশি হলেও চাহিদা কমেনি।”
সর্বশেষ খবর
-
‘টোটো অবৈধ, এ বার ই-রিকশা’, ঘোষণা পরিবহণমন্ত্রী অর্জুন সিংয়ের
-
বিচ্যুতি দেখলেই ‘অ্যাকশন’, ‘তোলাবাজ’ ধরতে জেলা পর্যবেক্ষকদের গুরুদায়িত্ব শমীকের!
-
যশের দ্বৈত চরিত্রে ঘায়েল দর্শক, ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারে উঠে এল নয়ের দশকের অন্ধকার জগৎ
-
মক্কায় তৈরি মুসলিম ন্যাটো ‘কাগুজে বাঘ’! যুদ্ধ বাঁধলে সত্যিই কি পাকিস্তানে সেনা পাঠাবে তুরস্ক-সৌদি?
-
খিচুড়ির সঙ্গে ডিম, বোনাস গজা, শনিবারের মিড-ডে মিলে খুশি পড়ুয়ারা