Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
বক্সা

বিরল লঙ্গুর ও বিন্টুরঙের খোঁজ মিলল বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে

বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণের সন্ধান মেলায় উচ্ছ্বসিত পরিবেশপ্রেমীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০১৯, ১৪:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২১, ২০১৯, ১৪:৩০

options
link
বিরল লঙ্গুর ও বিন্টুরঙের খোঁজ মিলল বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে zoom
Advertisement

রাজকুমার, আলিপুরদুয়ার :  বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে বিরল প্রজাতির লঙ্গুর ও নিশাচর বিন্টুরঙের হদিশ মিলল। এই বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণের সন্ধান মেলায় উচ্ছ্বসিত পরিবেশপ্রেমীরা।

[আরও পড়ুন-রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারের মৃত্যুর তদন্তে গিয়ে আক্রান্ত ডিএফও-সহ ৮ বনকর্মী]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জয়ন্তী এলাকায় লঙ্গুরের দেখা মিলেছে। সেই ছবি ধরা পড়েছে পর্যটকদের মোবাইলেও। পরে সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। শুধু তাই নয়, বক্সায় রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার গণনার জন্য যে ট্র্যাপ ক্যামেরা বসানো হয়েছিল তাতেও নিশাচর বিন্টুরঙের হদিশ পেয়েছে বনদপ্তর।

Advertisement

এতদিন এই বিষয়ে কিছু না বললেও লঙ্গুরের ছবি প্রকাশ্যে আসার পর নিশাচর বিন্টুরং নিয়েও মুখ খুলেছেন বনকর্তারা। বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের ক্ষেত্র অধিকর্তা শুভঙ্কর সেনগুপ্ত বলেন, “এর আগেও বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের জঙ্গলে নিশাচর বিন্টুরঙের হদিশ পাওয়া গিয়েছিল। এবার ট্র্যাপ ক্যামেরাতে বিন্টুরঙের হদিশ পেয়েছি। সেই ছবি ন্যাশনাল টাইগার কনজারভেশন অথরিটিকে পাঠানো হয়েছে। বাঘ গণনার জন্য বসানো ট্র্যাপ ক্যামেরাতে এই ছবি ধরা পড়েছে। আর লঙ্গুর বক্সাতে আছে। আবার দেখা যেতেই পারে।”

[আরও পড়ুন-বিরোধীরা ভোট চাইতে এলে ঝাঁটা হাতে তাড়া করবেন, মহিলাদের নিদান তৃণমূল নেতার]

এমনিতে জীববৈচিত্রের কোনও অভাব নেই বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পে। যদিও দীর্ঘদিন ধরে মানুষের লালসার কুঠারে অনেক সর্বনাশ হয়েছে তার। তাই স্থানীয়দের কেউ কেউ বলছেন, একসময় এই জঙ্গলে একশৃঙ্গী গন্ডার ও বুনো মোষের দেখা পাওয়া যেত৷ কিন্তু আশির দশকে চোরাশিকারিদের দাপটে তারা হারিয়ে যায়৷ বনদপ্তরের আধিকারিকরা চেষ্টা করেও তাদের আর এই জঙ্গলে ফেরাতে পারেননি৷ এখন লঙ্গুর ও বিন্টুরঙের যাতে একই পরিণতি না হয় তার জন্য তাই বনদপ্তরের প্রথম থেকেই সতর্ক থাকা উচিত।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.