Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Kanksa

শুরু করেছিলেন বাড়ির জামাই, দশমীতে মা খান রসগোল্লা! আর কী বিশেষত্ব কাঁকসার এই পুজোয়?

কাঁকসার মালানদিঘির মুখোপাধ্যায় পরিবারের পুজো আজ আর শুধু পারিবারিক গণ্ডিতে আটকে নেই, সময় গড়িয়ে তা হয়ে উঠেছে এলাকার মানুষের উৎসব।

সনাতন গড়াই
সনাতন গড়াই

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১২:১১

link
সনাতন গড়াই
সনাতন গড়াই

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬, ১২:১১

options
link
শুরু করেছিলেন বাড়ির জামাই, দশমীতে মা খান রসগোল্লা! আর কী বিশেষত্ব কাঁকসার এই পুজোয়? zoom
কাঁকসার মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজো। নিজস্ব ছবি।
Advertisement

জামাই এসেছিলেন শ্বশুরবাড়িতে। আর সেই জামাইয়ের হাত ধরেই শুরু হয়েছিল দুর্গাপুজো। দেখতে দেখতে পেরিয়ে গিয়েছে দেড় শতাব্দী। কাঁকসার মালানদিঘির মুখোপাধ্যায় পরিবারের সেই পুজো আজ আর শুধু পারিবারিক গণ্ডিতে আটকে নেই, সময় গড়িয়ে তা হয়ে উঠেছে এলাকার মানুষের উৎসব।

কাঁকসার মালানদিঘিতে মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গাপুজোর ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে পীতাম্বর মুখোপাধ্যায়ের নাম। সেকালের পণ্ডিত ও কাব্যতীর্থ পীতাম্বর বিয়ের পর চলে এসেছিলেন শ্বশুরবাড়ি মালানদিঘিতে। শ্বশুরবাড়ির বংশে তখন পুজোর দায়িত্ব নেওয়ার মতো কোনও পুরুষ ছিলেন না। ফলে জামাই পীতাম্বরের কাঁধেই এসে পড়ে দেবী দুর্গার আরাধনার দায়িত্ব। সেই থেকেই শুরু হয় এই পুজো। পরবর্তীতে শ্বশুরবাড়ির কাছেই নিজের বাড়ি তৈরি করে সেখানেও পারিবারিক দুর্গাপুজো শুরু করেন পীতাম্বর। এই পুজোর রীতিতেও রয়েছে বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য। বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত মতে পুজো হলেও এখানে এখন আর বলিদান প্রথা নেই। আগে বলির প্রচলন থাকলেও বর্তমানে অষ্টমীর সন্ধিক্ষণ ও নবমীতে চালকুমড়ো বলি দেওয়া হয়। পরিবারের মহিলারাই মায়ের ভোগ রান্না করেন। সপ্তমীতে গ্রামের মানুষকে ভোগ খাওয়ানোর রীতিও দীর্ঘদিনের। পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় মানুষও এখন এই পুজোর সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

অষ্টমীতে রয়েছে অন্নকূট, নবমীর সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। দশমীতে মাকে দেওয়া হয় রসগোল্লার ভোগ। পুজোর কয়েকটি বিশেষ রীতির মধ্যে এখনও ধরে রাখা হয়েছে পারিবারিক ঐতিহ্য। মুখোপাধ্যায় পরিবারের পুজোর প্রতিমাতেও রয়েছে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য। সিংহের আদল, পুজোর নিয়মকানুন থেকে শুরু করে ভোগের আয়োজন সব কিছুতেই রয়েছে পুরনো দিনের ছাপ। পরিবারের সদস্যদের কথায়, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এই ঐতিহ্যকে বয়ে নিয়ে চলাই তাঁদের কাছে সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। শ্বশুরবাড়ির পুজোর দায়িত্ব পাওয়া সেই জামাই পীতাম্বরের হাতে যে পুজো শুরু হয়েছিল তা এখন ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। তাই এটি এখন আর শুধু মুখোপাধ্যায় পরিবারের দুর্গোৎসব নয়, এলাকার মানুষেরও আপন উৎসব।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.