৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘মোদি গব্বর সিং, কৈলাস ডাকাত’, অর্পিতার হয়ে প্রচারে গিয়ে বিস্ফোরক ফিরহাদ

Published by: Sayani Sen |    Posted: April 4, 2019 9:29 pm|    Updated: April 22, 2019 3:42 pm

An Images

রাজা দাস, বালুরঘাট: ভোটের আগে নিজের কেন্দ্রে নির্বাচনী প্রচারে বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ৷ প্রচার মঞ্চে তাঁর পাশে ছিলেন দুঁদে রাজনীতিক ফিরহাদ হাকিম৷ এদিনের প্রচার মঞ্চ থেকে একযোগে গেরুয়া শিবিরের কড়া সমালোচনা করেন তৃণমূল নেতারা৷ নরেন্দ্র মোদিকে গব্বর সিং এবং কৈলাস বিজয়বর্গীকে ডাকাত বলেও কটাক্ষ করেন তাঁরা৷

[ আরও পড়ুন: মাঠেঘাটে প্রচার অতীত, সোশ্যাল মিডিয়ায় যুযুধান অনুব্রত-দুধকুমার]

তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ বলেন, ‘‘মোদির লোকেরা বলছেন ভারতে প্রচুর উন্নয়ন হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তা নাকি আটকে দিচ্ছেন। আসলে আমাদের নেত্রী মোদিকে টপকে যাচ্ছেন। সে কারণেই মোদি উলটো-পালটা কথা বলছেন। গত ৫ বছরে মোদি একটা প্রকল্পের নাম বলতে পারবেন না যা শ্রমিক, কৃষকের জন্য হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলার জন্য ১০১টি প্রকল্প চালু করেছেন৷ মোদি নোটবন্দির নামে দুর্নীতি করছেন। গত ৫ বছর ধরে মিথ্যা কথা বলে চলেছেন। এবারের লোকসভা নির্বাচনে জবাব দেবেন বাংলার মানুষ। রাজ্যের ৪২টি আসনে তৃণমূল প্রার্থীরাই জয়ী হবেন৷’’

ARPITA

এদিনের সভায় উপস্থিত ছিলেন ফিরহাদ হাকিম৷ ধর্মীয় মেরুকরণের অভিযোগ তুলে বিজেপিকে একহাত নেন তিনি৷ তৃণমূল নেতা বলেন, ‘‘বাংলা সংস্কৃতির জায়গা। নজরুল ইসলাম, রবীন্দ্রনাথের জায়গা। এখানে এক বৃন্তে দুটি কুসুম হিন্দু-মুসলমান। এই সংস্কৃতি নিয়েই আমরা বড় হয়েছি। আমরা বাংলায় ভাল আছি। এখানে উত্তরপ্রদেশের মতো গো-ভক্তরা বাড়ি থেকে টেনে বের করে দু’হাজার মানুষকে মেরে ফেলে না। এখানে রাম ভক্তরা এসে কাউকে খুন করার সাহস পায় না।’’ একের পর এক কৃষকের আত্মহত্যার জন্যেও মোদি সরকারের ব্যর্থতাকেই দায়ী করেছেন ফিরহাদ৷ এছাড়াও কৈলাস বিজয়বর্গীকে ডাকাত এবং নরেন্দ্র মোদিকে গব্বর সিং বলে আক্রমণ করেন তিনি৷

[ আরও পড়ুন: দলীয় পতাকায় মুড়ে হনুমানের শেষকৃত্য! প্রাণীকে নিয়ে রাজনীতির অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে]

ARPITA

বৃহস্পতিবার গঙ্গারামপুরের নন্দনপুর এবং কুমারগঞ্জে দু’টি জনসভা করেন ফিরহাদ হাকিম৷ তাঁর সঙ্গে ছিলেন বালুরঘাটের তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ, জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বিপ্লব মিত্র, জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা রায়, গঙ্গারামপুরের পৌরাধ্যক্ষ প্রশান্ত মিত্র, বালুরঘাট বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী শংকর চক্রবর্তী৷ এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কলকাতা পুরসভার কমিশনার দেবলীনা বিশ্বাস।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement