রাহুল দেব বোস, বাংলা মেগায় খল চরিত্রেই দর্শক তাঁকে দেখে অভ্যস্ত। ধারাবাহিকের গণ্ডি পেরিয়ে সিনেমা-সিরিজেও অভিনয় দক্ষতার ছাপ ফেলেছেন। ‘প্রিন্স অফ ক্যালকাটা’ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বায়োপিক ‘দাদা’য় কেন্দ্রীয় চরিত্রে রাহুলকে দেখতে অধীর আগ্রহে মুখিয়ে রয়েছেন বাংলা ছবির দর্শক। বলা ভালো ক্রিকেটপ্রেমী ও সৌরভভক্তরাও। মুম্বই, কলকাতার বিভিন্নপ্রান্তে চলেছে সিনেমার শুটিং। পুজোর সময় কর্মব্যস্তজীবন থেকে সাময়িক বিরতি নিচ্ছেন রাহুল। পুজোর ক’দিন কীভাবে কাটাবেন পর্দার মহারাজ? খোঁজ নিল সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল।
রাহুল (Rahul Dev Bose) জানাচ্ছেন, “এবছর পুজোয় কলকাতায় থাকছি না। অনেকদিন ধরেই ঘুরতে যাওয়ার একটা প্ল্যান ছিল। সেটা কোনও না কোনও কারণে হয়ে উঠছিল না। অবশেষে সকলের ছুটি অ্যাডজাস্ট হয়েছে। পরিবারের সঙ্গে পুজোর সময় ঘুরতে যাচ্ছি। তবে কলকাতাকে ভীষণ মিস করব।” ছোটবলায় কাটানো পুজোর দিনগুলোর কথা মনে পড়লে নস্ট্যালজিক হয়ে পড়েন?
তাঁর কথায়, “ছোটবেলার পুজো মানেই জামা কাপড়ের সংখ্যা গোনা। এটাই ছেলেবেলার পুজোর নস্ট্যালজিয়া। এখনও অনেক জামাকাপড় হয়, তবে আগের মতো আর বাবা, ভাইবোন, বন্ধুদের সঙ্গে কম্পিটিশন করা হয় না।” পুজোর সময় কেমন সাজ পছন্দ করেন বাংলার এই জনপ্রিয় অভিনেতা? রাহুলের সাফ জবাব, “পুজো মানেই এথনিক পোশাক। অষ্টমী আর দশমীতে পাঞ্জাবি বা ট্রাডিশনাল ড্রেসই প্রথম পছন্দ। নবমীতে ক্যাজুয়াল পরলেও পরা যায়। তবে পুজোর কয়েকটা দিন একেবারে বাঙালিয়ানা সাজই আমার পছন্দ।”

অষ্টমীর অঞ্জলি বা পুজোর কোনও বিশেষ স্মৃতি? তিনি বলেন, “আমরা যে কমপ্লেক্সে থাকি সেখানে বহু মানুষের বাস। ওখানেই মায়ের সঙ্গে অঞ্জলি দিতে যাই। আর পুজোর সবচেয়ে সুন্দর স্মৃতি তো ২০২৩-এর দশমীতে দেবাদৃতার সঙ্গে প্রেমের কথা সকলের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়া।” পুজোর সময় খাওয়াদাওয়ায় কোনও নিষেধাজ্ঞা মানেন নাকি অবাধ ছাড়? প্রাণখোলা হাসিতে বলেন, “প্রত্যেকবার আমার কাছে সবাই এটা জানতে চায়। এবারেও আমার উত্তর সেই একই। পুজোয় কোনওরকম ডায়েট ফলো করি না। আমার জীবনের বিশেষ কয়েকটা দিন আছে যখন আমি মন খুলে খাই। তার মধ্যে পুজো হল সর্বশ্রেষ্ট, যেখানে কার্যত ডায়েট মানা বারণ।”
পুজোর সময় ভিড় ঠেলে ঠাকুর দেখতে কিন্তু বেশ ভালোবাসেন রাহুল। এই প্রসঙ্গে অভিনেতার সাফ জবাব, “প্যান্ডেল ঘুরে ঠাকুর দেখতে ভীষণ ভালো লাগে। তবে মাস্ক পরে যেতে হয়, এই লুকোচুরির মধ্যেও কিন্তু একটা মজা আছে।” ভিড় ঠেলে ঠাকুর দেখার জন্য কী ধরনের ড্রেস পছন্দ? অকপট স্বীকারোক্তি, “দুটো জিনিস প্রয়োজন। প্রথমত এথনিক হতে হবে আর দ্বিতীয়ত কমফোর্ট হওয়া বাধ্যতামূলক। তাই ফুল কুর্তা বা হাফ কুর্তার বাইরে সাধারণত যাই না।”

থিম পুজো আর সাবেকিয়ানা পুজোর মধ্যে কোনটা ভালো লাগে রাহুলের? যুক্তি দিয়ে বিষয়টা বুঝিয়ে বলেন, “থিম পুজো দেখতে ভালো লাগে আর সাবেকিয়ানা পুজো ফিল করতে। সত্যি বলতে সাবেকিয়ানা পুজোর প্রতি আবেগের টানটা বেশি থাকে।” পুজোর প্রেম ছাড়া শারদীয়ার আনন্দটা কেমন যেন ফিকে মনে হয়। এই মর্মে অভিনেতা রাহুলের একটাই কথা, “আমার পুজো প্রেমের গল্প সবাই জানে। কারণ বিজয়া দশমীর দিনই আমি আমার প্রেমের কাহিনি সকলকে জানিয়েছি।”
সর্বশেষ খবর
-
দু’মাসে দ্বিতীয়বার! আগস্টে ২০০ কর্মীর পর ফের ছাঁটাইয়ের পথে অ্যাপল, নেপথ্যে এআই?
-
১০ হাজার টাকা দিলেই পাসপোর্ট! ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে পাকড়াও ২ সিভিক ভলান্টিয়ার
-
হাউথিদের উপর হামলায় প্রস্তুত ছিল আমেরিকা! সৌদিকে সংকটে ফেলে কেন ‘ইউ টার্ন’ ট্রাম্পের?
-
বৈজন্তীমালা-মাধুরীর পর চন্দ্রমুখী কৌশানী, সৃজিত বললেন, ‘নামের অর্থই তো চাঁদপানা মুখ’
-
আম্বানি-সাক্ষাতে মুম্বই যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যে বিনিয়োগ টানতে বড় পদক্ষেপ!