Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ আশ্বিন ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
University

বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্বাধীকার’ বনাম প্রশানিক ‘স্বায়ত্তশাসন’

একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কোনও শিক্ষককে প্রশাসনিক প্রয়োজনে কখনও অন্যত্র কাজ করতে বলা যাবে না?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ১৯:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬, ১৯:৩৮

options
link
বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্বাধীকার’ বনাম প্রশানিক ‘স্বায়ত্তশাসন’ zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

শিক্ষকরা কী নিয়ে গবেষণা করবেন, কোন বিষয়ে মতপ্রকাশ করবেন, কোন পদ্ধতিতে জ্ঞানচর্চা করবেন– এসব বিষয়ে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক নির্দেশ চলতে পারে না। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্বাধিকার’ মানে কি এই যে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কোনও শিক্ষককে প্রশাসনিক প্রয়োজনে কখনও অন্যত্র কাজ করতে বলা যাবে না? লিখছেন রজতশুভ্র মজুমদার

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় পাস হয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় প্রশাসন ও নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’। বিলটি পাস হওয়ার পর থেকেই উচ্চশিক্ষার পরিসরে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। অভিযোগ: এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকারে হস্তক্ষেপ হবে, সরকার ইচ্ছেমতো শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে বদলি করতে পারবে, গবেষণা বিপন্ন হবে। কেউ কেউ এমনও বলছেন, সারা ভারতবর্ষে নাকি এমন ব্যবস্থা কোথাও নেই।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

বিতর্ক হোক। প্রশ্ন উঠুক। কিন্তু প্রশ্নের উত্তরটিও তথ্য ও যুক্তির ভিত্তিতে হওয়া দরকার। এই সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য যদি হয়– রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে মানবসম্পদের সুষম বণ্টন এবং অপেক্ষাকৃত নবীন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে অভিজ্ঞ শিক্ষক ও কর্মীদের অভিজ্ঞতার সুবিধা দেওয়া– তবে তা নীতিগতভাবে অত্যন্ত যুক্তিসংগত। বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের উচ্চশিক্ষার মানচিত্রটি আমাদের মাথায় রাখতে হবে।

একদিকে কলকাতা মহানগর ও তার আশপাশে রয়েছে দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়। বহু দশক ধরে সেখানে গড়ে উঠেছে এক-একটি শক্তিশালী বিভাগ, গবেষণাগার, গ্রন্থাগার, গবেষণা-সংস্কৃতি, অভিজ্ঞ শিক্ষক পরিমণ্ডল এবং প্রশাসনিক পরিকাঠামো। অন্যদিকে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় গত কয়েক বছরে তৈরি হয়েছে একাধিক নতুন বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের অনেকেরই এখনও পূর্ণাঙ্গ পরিকাঠামো তৈরি হয়নি, অভিজ্ঞ শিক্ষক-গবেষকের ঘাটতি রয়েছে, বহু বিভাগকে শূন্য থেকে গড়ে তুলতে হচ্ছে।

এই অবস্থায় প্রশ্ন হল, একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়কে শুধু নতুন ভবন দিয়ে কি উৎকর্ষের বিশ্ববিদ্যালয় বানানো সম্ভব? নিশ্চয়ই নয়। বিশ্ববিদ্যালয় শেষ পর্যন্ত শুধু ইট-কাঠ-পাথরের নাম নয়। বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয় মানুষ দিয়ে– শিক্ষক দিয়ে, গবেষক দিয়ে, গ্রন্থাগারিক দিয়ে, পরীক্ষাগার কর্মী দিয়ে, প্রশাসনিক দক্ষতা দিয়ে এবং সবচেয়ে বেশি করে, কয়েক দশকের সঞ্চিত অভিজ্ঞতা দিয়ে। সেই অভিজ্ঞতার একটি অংশ যদি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে তাতে ক্ষতি কোথায়? সরকারের যুক্তি ঠিক এখানেই। সংশোধনীর মাধ্যমে প্রয়োজন অনুযায়ী এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও অ-শিক্ষক কর্মীদের স্থানান্তরের সুযোগ তৈরি হচ্ছে। সরকারি সূত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মীর চাকরির সিনিয়রিটি বজায় থাকবে এবং বদলির খরচও সরকার বহন করবে।

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে যদি সত্যিই শক্তিশালী করতে চাই, তবে সেখানে শুধু নতুন নিয়োগ করলেই হবে না, অভিজ্ঞতার সঞ্চালনও প্রয়োজন।

এখানে একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ– ‘স্বাধিকার’– নিয়ে গভীরভাবে ভাবা প্রয়োজন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্বাধিকার’ অবশ্যই প্রয়োজনীয়। শিক্ষকেরা কী গবেষণা করবেন, কোন বিষয়ে মতপ্রকাশ করবেন, কোন পদ্ধতিতে জ্ঞানচর্চা করবেন– এসব বিষয়ে রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক নির্দেশ চলতে পারে না। সন্দেহ নেই, অ্যাকাডেমিক স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক উচ্চশিক্ষার অন্যতম ভিত্তি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘স্বাধিকার’ মানে কি এই যে, একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত কোনও শিক্ষককে প্রশাসনিক প্রয়োজনে কখনও অন্যত্র কাজ করতে বলা যাবে না? এমন সর্বজনীন নীতি কোথাও নেই।

‘স্বাধিকার’ এবং ‘প্রশাসনিক স্বায়ত্তশাসন’ এক নয়। একটি বিশ্ববিদ্যালয়কে গবেষণা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা দেওয়া মানে রাজ্যের সামগ্রিক উচ্চশিক্ষা পরিকাঠামোর কোনও সমন্বিত প্রশাসনিক নীতি থাকবে না– এ হতে পারে না। বরং যে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি অনিবার্যভাবে উঠে আসে– রাজ্যের অর্থে পরিচালিত বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মানবসম্পদ কি কেবল একটি নির্দিষ্ট ক্যাম্পাসের, না কি সমগ্র রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থার সম্পদ? যদি কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ে দশকের পর দশক ধরে রাষ্ট্রীয় অর্থে, মানুষের করের টাকায় একটি শক্তিশালী শিক্ষক-গবেষক পরিকাঠামো গড়ে ওঠে, আর একই রাজ্যের অন্য প্রান্তে একটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অভিজ্ঞ শিক্ষক ও প্রশাসনিক দক্ষতার অভাবে পিছিয়ে থাকে, তাহলে সেই বৈষম্য কমানোর চেষ্টা কি রাষ্ট্রের দায় নয়? আর এখানেই এই আইনের সবচেয়ে বড় সম্ভাবনা।

ধরা যাক, ঝাড়গ্রাম বা কোচবিহারের নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ সদ্য চালু হয়েছে। সেখানে তরুণ শিক্ষক আছেন, উৎসাহ আছে, ভবন আছে– কিন্তু নেই দীর্ঘ অভিজ্ঞতার শিক্ষক। অন্যদিকে, কলকাতার কোনও পুরনো বিশ্ববিদ্যালয়ে একই বিষয়ের এমন অধ্যাপক রয়েছেন, যিনি বহু বছর ধরে গবেষণাগার তৈরি করেছেন, গবেষণা প্রকল্প পরিচালনা করেছেন, পিএইচডি গবেষকদের তত্ত্বাবধান করেছেন, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গড়ে তুলেছেন। এই অভিজ্ঞতার কিছুটা যদি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে পৌঁছয়, তাহলে সেটিকে ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকার হরণ’ বলা হবে কেন? বরং বলা যায়, এ হল বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জ্ঞান ও দক্ষতার পুনর্বণ্টন। তৎসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গরিমাকে শুধু কলকাতা-কেন্দ্রিক রাখার প্রবণতা ভাঙার ক্ষেত্রেও এই ব্যবস্থা গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে ।

নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিকে যদি সত্যিই শক্তিশালী করতে চাই, তবে সেখানে শুধু নতুন নিয়োগ করলেই হবে না, অভিজ্ঞতার সঞ্চালনও প্রয়োজন। একজন বরিষ্ঠ অধ্যাপক নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে হয়তো ৫ বছর নতুন করে একটি গবেষণাগার দঁাড় করাতে পারবেন, তরুণ শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দিতে পারবেন, গবেষণা প্রকল্প আনতে পারবেন, পিএইচডি সংস্কৃতি তৈরি করতে পারবেন। তঁার অন্যত্র চলে যাওয়ার ফলে একটি বিশ্ববিদ্যালয় সামান্য কিছু হারালেও, ওই শিক্ষকের অভিজ্ঞতার বিস্তারে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা লাভবান হতে পারে।
এ অনেকটা একটি বড় প্রতিষ্ঠানের ‘মেন্টরশিপ’ ব্যবস্থার মতো।

গবেষক ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি হবে, এই আশঙ্কাকে যেমন উড়িয়ে দেওয়া যায় না; তেমনই গবেষক ছাত্রের ‘গাইড’ বদলি হলেই তঁার গবেষণা বন্ধ হয়ে যাবে– এমনটিও হয়তো নয়।

আর যে-দাবি করা হচ্ছে, ‘সারা ভারতে কোথাও এমন নিয়ম নেই’– সেটিও তথ্যগতভাবে সঠিক তো নয়ই, বরং স্বার্থান্বেষীর উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিতর্ক তৈরির অপচেষ্টা। ‘কর্নাটক স্টেট ইউনিভার্সিটিজ অ্যাক্ট, ২০২০’ অনুসারে প্রশাসনিক কারণে রাজ্যের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মী স্থানান্তরের স্পষ্ট বিধান রয়েছে; সেখানে চ্যান্সেলর বা আচার্য, রাজ্য সরকারের সঙ্গে পরামর্শ করে এমন ‘transfer’ বা পরিবর্তন ঘটাতে পারেন। আবার মহারাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট শর্তে ‘educational agency’-র অধীনে ‘inter-university transfer’-এর আইনি বিধি প্রবর্তিত রয়েছে। অতএব পশ্চিমবঙ্গের প্রস্তাবটি ‘ভারতে নজিরবিহীন’– এমন সরলীকরণ ঠিক ন।

আবার এর অর্থ এও নয় যে, আইনটির প্রয়োগ নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে না। বরং এখানেই সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব। বদলি যেন কখনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অস্ত্র না হয়। কোনও শিক্ষক সরকারের সমালোচনা করেছেন বলে তঁাকে প্রত্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে পাঠানো হবে– এমন ‘ধারণা’ তৈরি হলে এ আইনের উদ্দেশ্যই প্রশ্নের মুখে পড়বে। বদলির ক্ষেত্রে স্পষ্ট, লিখিত এবং যাচাইযোগ্য মানদণ্ড থাকা প্রয়োজন। প্রশাসনিক প্রয়োজন, বিষয়ভিত্তিক প্রয়োজন, শিক্ষক-ছাত্র অনুপাত, নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রয়োজন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষকের যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতা– এসবকে গুরুত্ব দিতে হবে। সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট আপিল বা পুনর্বিবেচনার ব্যবস্থাও থাকা উচিত।

পরিশেষে আসে গবেষণার প্রশ্নটি। গবেষক ছাত্রছাত্রীদের ক্ষতি হবে, এই আশঙ্কাকে যেমন উড়িয়ে দেওয়া যায় না; তেমনই গবেষক ছাত্রের ‘গাইড’ বদলি হলেই তঁার গবেষণা বন্ধ হয়ে যাবে– এমনটিও হয়তো নয়। একজন অধ্যাপক তো কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আজীবনের জন্য অঙ্গাঙ্গিভাবে আবদ্ধ নন। অবসর, চাকরি পরিবর্তন, পদোন্নতি, অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান, বিদেশে যাওয়া– বিভিন্ন কারণেই গবেষককে তঁার সুপারভাইজার পরিবর্তনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব হল ট্রান্সফার যাতে গবেষকের ক্ষতি না করে, তা সুনিশ্চিত করা।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়। বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রের অর্থে চলে, সমাজের অর্থে চলে, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ বহন করে।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে সুপারভাইজার পরিবর্তন, কো-সুপারভাইজার নিয়োগ, গবেষককে অন্য সুপারভাইজারের অধীনে স্থানান্তর– এসবের যথাযথ প্রশাসনিক ব্যবস্থা তৈরি করতে হবে। ক্ষতি যাতে না হয়, তার বিধি তৈরির দায়িত্ব প্রশাসনেরই।

সম্ভাব্য প্রশাসনিক সমস্যাকে সামনে রেখে রাজ্যের প্রয়োজনীয় মানবসম্পদ পুনর্বণ্টনের নীতিটিই বাতিল করার যুক্তি অক্ষমের অজুহাত ভিন্ন আর কিছু হতে পারে না। বরং এই বিল কার্যকর হলে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অভিজ্ঞ অধ্যাপকগণ গিয়ে নতুন গবেষক তৈরি করার সুযোগ পাবেন। অর্থাৎ এক-দু’জন গবেষকের সম্ভাব্য তাৎক্ষণিক সমস্যা যেমন আছে, তেমনই অন্যত্র বহু নতুন গবেষকের উপকার পাওয়ার সম্ভাবনাও আছে।

সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়। বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রের অর্থে চলে, সমাজের অর্থে চলে, ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ বহন করে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধিকার রক্ষা যেমন জরুরি, তেমনই জরুরি রাজ্যের সামগ্রিক উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে সমতা, দক্ষতা ও জ্ঞানসম্পদের সুষম বণ্টন। আমরা যদি চাই, কলকাতার বাইরে তৈরি হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়গুলি সত্যিই একদিন কলকাতার ঐতিহ্যবাহী বিশ্ববিদ্যালয়গুলির সঙ্গে সমান তালে তাল মেলাবে, তবে তাদের শুধু ভবন, চেয়ার-টেবিল আর নতুন নিয়োগ উপহার দিলেই হবে না। তাদের অভিজ্ঞতা দিতে হবে, নেতৃত্ব দিতে হবে। চুম্বকে, এই সংশোধনী সেই দরজা খুলে দেওয়ার সম্ভাবনাটুকু অন্তত তৈরি করেছে।

(মতামত নিজস্ব)
লেখক কবি ও গল্পলেখক
[email protected]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.