২৯ শ্রাবণ  ১৪২৭  শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২০ 

Advertisement

প্রয়াত বীরু দেবগণ, পিতৃবিয়োগে শোকাহত অজয় দেবগণ

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: May 27, 2019 4:22 pm|    Updated: May 27, 2019 4:23 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ইন্দ্রপতন ঘটল বলিউডে। পিতৃবিয়োগ হল অভিনেতা অজয় দেবগণের। সোমবার হৃগরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় বলিউডের একসময়কার খ্যাতনামা স্টান্ট কোরিওগ্রাফার বীরু দেবগণের। বার্ধক্যজনিত কারণে দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন তিনি। সোমবার সকালে হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় হাসপাতালে ভরতি করা হয় বীরু দেবগণকে। সেখানেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। সোমবার সন্ধে ৬টা নাগাদ ভিলে পার্লের শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

[আরও পড়ুন: মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে বিয়ের হুমকি নায়িকাকে, গ্রেপ্তার যুবক]

সূত্রের খবর, সোমবার সকালে পুত্র অজয় দেবগণ এবং পরিবারের সদস্যরা বীরু দেবগণকে সান্তাক্রুজে সূর্য নামের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করেন। বেলায় হৃগরোগে আক্রান্ত হয়ে সেই হাসপাতালেই মৃত্যু হয় তাঁর। এর আগেও বেশ কয়েকবার গুরুতর অসুস্থতার দরুণ হাসপাতালে ভরতি হতে হয়েছিল বীরু দেবগণকে। ‘দে দে প্যায়ার দে’ ছবির প্রোমোশনের সময়ও বাবার অসুস্থতার জন্য বেশ কিছু অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা বাতিল করতে হয় অজয়কে।

সাতের দশক থেকে আটের দশকের ছবিতে অ্যাকশন দৃশ্য মানেই বীরু দেবগণকে চাই, এমনটাই ছিল তৎকালীন পরিচালক-প্রযোজকদের আবদার। হিম্মতওয়ালা (১৯৮৩), দিলওয়ালে (১৯৯৪), শাহেনশা (১৯৮৮)এবং লাল বাদশাহ, ইশক-এর মতো একাধিক ভাল মানের বলিউড ছবির অ্যাকশন দৃশ্যের নেপথ্যে যেই মানুষটির অবদান রয়েছে, তিনি বীরু দেবগণ। প্রায় ৮০টিরও বেশি ছবিতে স্টান্ট কোরিওগ্রাফার হিসেবে কাজ করেছেন। ১৯৯৯ সালে ‘কসম’ পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ তাঁর। প্রথম ছবিতেই অমিতাভ বচ্চন, মণিশা কৈরালা এবং ছেলে অজয় দেবগণের মতো দক্ষ অভিনেতাদের নিয়ে কাজ করেন।

[আরও পড়ুন: অভিনেতা করণ ওবেরয়ের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ, আক্রান্ত অভিযোগকারী]

বীরু দেবগণের মৃত্যুতে গোটা বলিউডে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। সোশ্যাল মিডিয়ায় শোকপ্রকাশ করেছেন অনেকেই। ‘বীরু’র প্রয়াণে স্মৃতিচারণা করে অভিনেতা ভিকি কৌশলের বাবা তথা বলিউডের অন্যতম খ্যাতনামা স্টান্ট পরিচালক শাম কৌশল বলেন, “স্টান্ট কোরিওগ্রাফার হিসেবে নিজের সময়ের থেকে অনেকটাই এগিয়ে ছিলেন তিনি। মানুষ হিসেবেও অসম্ভব ভাল। ওঁর আশীর্বাদেই আমি বলিউডে স্টাট পরিচালক হিসেবে পা রাখার সুযোগ পাই। মনে আছে, ১৯৮০ সালের ৮ আগস্ট আমার আবেদনপত্রে সই করে স্টান্ট পরিচালক হিসেবে আমাকেও ওঁর টিমে জায়গা করে দেন।”

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement