১ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১ ভাদ্র  ১৪২৬  সোমবার ১৯ আগস্ট ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  টার্গেট করে ফেসবুকে প্রোফাইল হ্যাক হওয়ার ঘটনা এর আগেও শোনা গিয়েছে। সিনেমাতে একাধিকবার দেখা গিয়েছে এধরনের গল্প। তবে এবার বাস্তবে এমনটাই ঘটেছে জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘কে আপন কে পর’-এর অভিনেতা অভিনেত্রীদের সঙ্গে। একের পর এক হ্যাক হচ্ছে তাঁদের ফেসবুক প্রোফাইল। আর প্রোফাইল হ্যাক করার আগে তাঁদের সেই ইঙ্গিতও দিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু কে সেই ব্যক্তি, যার দ্বারা সাইবার মাধ্যমে বারবার আক্রান্ত হচ্ছেন ধারাবাহিকের একের পর এক তারকা? কোন উদ্দেশেই বা এমন কাণ্ড ঘটাচ্ছে? এমন প্রশ্ন তুলে ইন্ডাস্ট্রির অনেকেই কিন্তু সংশয় প্রকাশ করেছেন। যার জন্যে সংশ্লিষ্ট ধারাবাহিকের টেলিতারকারা দ্বারস্থ হয়েছেন লালবাজারের সাইবার ক্রাইম বিভাগের কাছে।

[আরও পড়ুন: রাজ চক্রবর্তীর নতুন ছবিতে ঋত্বিক-পার্নো, প্রেক্ষাপটে অস্থির রাজনৈতিক পরিস্থিতি]

ঠিক কী ঘটেছিল? বিগত একমাস ধরেই ‘কে আপন কে পর’ ধারাবাহিকের পল্লবী শর্মা, বিশ্বজিৎ ঘোষ, সিমরন উপাধ্যায়, লিজা সরকার এবং ইন্দ্রনীল মল্লিকের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইল হ্যাক হয়ে যাচ্ছিল একের পর এক। ঠিক জুলাই মাসের মাঝামাঝি হঠাৎই এই ঘটনা শুরু হয়। এমনকী, শুধু হ্যাক করেই ক্ষান্ত থাকেনি হ্যাকার। পাশাপাশি ব্যক্তিগত নানা কুরুচিকর প্রশ্ন করাও শুরু করে একজনের প্রোফাইল থেকে অপরকে। ঠিক তখনই সন্দেহ হয় ধারাবাহিকের মূল অভিনেত্রী পল্লবী শর্মার। তাঁর কথায়, যেই মানুষগুলির সঙ্গে সবসময়ে কথা হয়, সেটে ওঠাবসা হয় তাঁরা কখনওই এরকম ধরনের কথাবার্তা বলতে পারে না কিংবা এরকম ব্যক্তিগত প্রশ্নও করবে না। পল্লবীর নামে একটি ফেক অ্যাকাউন্ট ছিল ফেসবুকে। কিন্তু সবাই না জেনেই ওই প্রোফাইল ফলো করতে থাকে। যার ফলোয়ারের সংখ্যা ৬৫ হাজার। কিন্তু পল্লবী সেভাবে ফেসবুকে সক্রিয় না থাকায় তাঁর নজর পড়েনি। কিংবা ততটা গ্রাহ্যই করেননি। কিন্তু ওই প্রোফাইল থেকেই তাঁর সহ-অভিনেতাদের কাছে ব্যক্তিগত স্তরে মেসেজ যাওয়া শুরু করে। এবং বেগতিক বুঝে পল্লবী তাঁর সহ-অভিনেত্রীর প্রোফাইল থেকে লাইভে এসে গোটা ঘটনাটিকে খুলে বলে।

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে ‘লকডাউন’, জাতীয় পুরস্কার জেতার খবরই পেল না খুদে শিল্পী]

যার ফেসবুক প্রোফাইল হ্যাক হত, তার নামে আলাদা একটা প্রোফাইল খোলা হত প্রথমে। তারপর তার প্রোফাইলের সমস্ত বন্ধুবান্ধবকে বলা হত আগের অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়ে গিয়েছে। এটা নতুন প্রোফাইল। এরপর যাবতীয় ব্যক্তিগত তথ্য জোগার করে আসল প্রোফাইল হ্যাক অভিযান চালাত হ্যাকার। তবে হ্যাকারের কার্যকলাপ এখানেই শেষ নয়, বাকি তথ্য আরও বিস্ফোরক। যাদের প্রোফাইল হ্যাক হত, সেই প্রোফাইল থেকে ওই ব্যক্তিকে ব্লক করে স্ক্রিনশট দিয়ে হ্যাকার স্টেটাস আপলোড করত- ‘ওয়ান উইকেট ডাউন’, ‘টু উইকেট ডাউন’ এই মর্মে। পল্লবীর পর একে একে হ্যাক হয় লিজা সরকার, তিতলি আইচ, বিশ্বজিৎ ঘোষ ও ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়ের ফেসবুক। ব্লক করার পর অভিযুক্ত প্রোফাইল থেকে মেসেজ আসত “আমাকে টেক্সট করো, আমি রিভাইভ করে দেব।” অনেকেই নিজের প্রচেষ্টায় অ্যাকাউন্ট উদ্ধার করেছেন। কেউ বা আবার তা পারেননি। অতঃপর পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন। ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে লালবাজার সাইবার ক্রাইম বিভাগ।

ছবি সৌজন্যে: অভিনেতা ইন্দ্রনীল চট্টোপাধ্যায়ের ফেসবুক

 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং