Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
শ্রীময়ী, ইন্দাণী হালদার

মহিলাদের স্বপ্নপূরণের গল্প বলবে ‘শ্রীময়ী’

এই ধারাবাহিক দেখতে চোখ রাখুন স্টার জলসার পর্দায়।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০১৯, ১৯:৪৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১১, ২০১৯, ১৯:৪৪

options
link
মহিলাদের স্বপ্নপূরণের গল্প বলবে ‘শ্রীময়ী’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ‘সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে’-এই প্রবাদবাক্য মেনে চলতে গিয়ে কালে কালে সংসারের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছেন ‘রমণীরা’। ছেলে-মেয়েদের মুখে খাবার গুঁজে দেওয়া থেকে পড়াশোনা করানো, তাঁদের প্রকৃত মানুষ করে গড়ে তোলা, স্বামী তথা শ্বশুরবাড়ির সকলের খেয়াল রাখা… সংসারকে একদম ‘পিকচার পারফেক্ট’-ভাবে ফ্রেমবন্দি করতে দিনরাত এক করে সর্বস্ব বলিদান দেন (দিতে হয়) ‘সু’-গৃহিনীরা! তবে, নারীর গৃহশ্রমের যথাযথ মূল্য কি সত্যি তাঁরা পান? সেই কবে থেকেই নারীর গৃহশ্রমের মূল্য নির্ধারণের দাবি জানিয়েছেন কত নারীবাদীরা। তবে, পরিবর্তন তাতে আদৌ কিছুই হয়নি। কারণ, নিজেদের অবস্থানটা কোথাও গিয়ে নারীরা নিজেরাই রক্ষা করতে ভুলে যান। ঠিক এই বিষয়টিকেই তুলে ধরার প্রচেষ্টা করা হয়েছে স্টার জলসার নতুন ধারাবাহিক ‘শ্রীময়ী’-তে। নেপথ্যে লীনা গঙ্গোপাধ্যায়। সোমবার, অর্থাৎ ১০ জুন থেকে ছোটপর্দায় শুরু হল ‘শ্রীময়ী’-র যাত্রা।

[আরও পড়ুন:  ফের মা হলেন এষা দেওল, সাধ করে চমৎকার নামও রাখলেন সন্তানের]

Advertisement

‘শ্রীময়ী’-র ভূমিকায় রয়েছেন ইন্দ্রাণী হালদার। মধ্যবয়স্কা এক গৃহবধূ শ্রীময়ী। স্বামী এবং তিন সন্তান নিয়ে ভরা সংসার তাঁর। স্বামী চাকরি করেন এক কর্পোরেট কোম্পানিতে। স্বভাবে বেশ অহংকারী। বড় ছেলে অঙ্কুশ ডাক্তার। ছোট ছেলে প্রত্যুষ স্নাতকোত্তীর্ণ এবং নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা করছে। অন্যদিকে, মেয়ে দিথী স্কুলপড়ুয়া। সংসারে সবার খেয়াল রাখা এই মহিলাটিই অবহেলিত স্বামী এবং সন্তানদের কাছে। এই পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়াতে দরকার প্রবল আত্মবিশ্বাসের। কীভাবে ঘুরে দাঁড়াবে শ্রীময়ী? সেই গল্প জানতে হলে চোখ রাখতে হবে স্টার জলসার পর্দায়।

[আরও পড়ুন: ভূতুড়ে জাহাজে বিভীষিকা! হাড় হিম করবে ভিকি কৌশলের নয়া ছবির পোস্টার]

ইন্দ্রাণী হালদারের মতে, “সবাই মনে করেন যাঁরা গৃহিণী তাঁদের কোনও কাজ নেই। আমরা যারা চাকুরিজীবী তাঁদের বলি, ‘ও, তুমি হাউজওয়াইফ! তা হলে তো তোমার কোনও কাজ নেই। খুব মজা।’ কিন্তু চাকুরিজীবী মহিলাদের থেকেও অনেক বেশি কাজ থাকে গৃহিণীদের এবং তাঁর কাজের কিন্তু নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা থাকে না। সেই সকালবেলা সবার আগে ঘুম থেকে উঠে রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে অবধি, পর পর কাজ চলতেই থাকে। কাজের ক্ষেত্রে পান থেকে চুন খসলেই হল! বাড়ির সদস্যদের রোজকার জীবনেও গোলমাল দেখা দেবে। কিন্তু এই সব কাজ বন্ধ রেখে ‘মা’ বা ‘স্ত্রী’ যদি একদিন বলে, ‘আজ নিজের কাজ নিজেরা করে নাও তোমরা। তখন কিন্তু ঠ্যালাটা বুঝতে পারবে সব।’ প্রত্যেক মেয়ের মধ্যেই একটা অদ্ভূত শক্তি থাকে। নিজের মধ্যেকার শক্তিটাকে প্রত্যেক নারীর-ই আবিষ্কার করা দরকার। শ্রীময়ীও সময় বিশেষে তাই করবে। আমার চরিত্র, শ্রীময়ী-র সঙ্গে প্রত্যেক মহিলারাই অল্পবিস্তর নিজেদের মিল খুঁজে পাবেন। আর কেউ যদি তাঁদের হারানো স্বপ্নকে ফের চাগিয়ে তুলতে পারেন এই ধারাবাহিক দেখে, আমার ভাল লাগবে।” 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.