১৬ চৈত্র  ১৪২৬  সোমবার ৩০ মার্চ ২০২০ 

Advertisement

‘যৌনকর্মী’ অপবাদ দিয়ে হোটেলে তরুণীকে গণধর্ষণ, কাঠগড়ায় ২ পুলিশকর্মী

Published by: Sayani Sen |    Posted: February 16, 2020 4:08 pm|    Updated: February 16, 2020 4:08 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ যেন রক্ষকই ভক্ষক! ‘যৌনকর্মী’ অপবাদ দিয়ে হোটেলের ঘরেই তরুণীকে গণধর্ষণের অভিযোগ। ঘৃণ্য ঘটনার জেরে এবার শিরোনামে উত্তরপ্রদেশের দুই পুলিশকর্মী। আপাতত হাসপাতালে ভরতি নির্যাতিতা। তাঁর অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক।

দিনকয়েক আগে বেশ কয়েকজন পরিচিতের সঙ্গে একটি হোটেলে যান উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের বছর কুড়ির এক তরুণী। অভিযোগ, ওই হোটেলে আচমকাই তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেই সময় তিনি হোটেলে একাই ছিলেন। পুলিশ তরুণীকে জানতে চায়, এই হোটেলে কী করতে এসেছেন? তবে তরুণীর অভিযোগ, তাঁর কথা শুনতে চায়নি পুলিশ। তাঁকে ‘যৌনকর্মী’ বলে আক্রমণ করে ঊর্দিধারীরা। বেধড়ক মারধর করতে করতে হোটেলের ঘরের দরজা বন্ধ করে দেয়। এখানেই শেষ নয়। তরুণীর আরও অভিযোগ, ওই হোটেলের ঘরে দু’জন পুলিশকর্মী তাঁকে গণধর্ষণ করে। তারপর অটোয় চড়ে ওই তরুণীকে বাড়ি চলে যেতে বলে তারা।

[আরও পড়ুন: বাদ গুজরাটি শব্দ, প্রাদেশিকতার অভিযোগে নাম বদলাল ট্রাম্পের অনুষ্ঠানের]

বাড়ি ফিরে আসার পর তরুণীকে দেখে সন্দেহ হয় তাঁর পরিজনদের। কী হয়েছে জানতে চাইলে অঝোরে কেঁদে ফেলেন নির্যাতিতা। ধীরে ধীরে ধর্ষণের কথা বাড়িতে জানান। গত শুক্রবার থানায় যান তরুণীর। গোরক্ষপুর থানায় পুলিশকর্মীদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করেন। তবে এই ঘটনায় কাউকেই গ্রেপ্তার করা যায়নি। তদন্তের স্বার্থে আপাতত হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজের উপরেই নির্ভর করছেন পুলিশকর্মীরা। মানসিক এবং শারীরিক দিক থেকে বিধ্বস্ত নির্যাতিতা। তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গণধর্ষণের জেরে তাঁর গোপনাঙ্গে ক্ষত তৈরি হয়েছে। মানসিকভাবেও যথেষ্ট ভেঙে পড়েছেন। তরুণীর শারীরিক অবস্থা এখনও স্থিতিশীল বলতে নারাজ চিকিৎসকরা।

এদিকে, দু’দিন কেটে গেলেও অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা যায়নি। তাই পুলিশের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগে সরব রাজনৈতিক নেতা-কর্মীরা। অভিযুক্ত দুই পুলিশকর্মীকে বহিষ্কারের দাবিতে ইতিমধ্যেই কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি এবং পূর্বাচল সেনার সদস্যরা জেলাশাসকের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হবে বলেই আশ্বাস জেলাশাসকের।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement