Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬
এয়ার ইন্ডিয়া

৫ বছরের জন্য বিনা বেতনে ছুটি, কর্মীদের উদ্বেগ উসকে নয়া সিদ্ধান্ত এয়ার ইন্ডিয়ার

ঋণের দায়ে ধুঁকছে সরকারি বিমানসংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২০, ২০:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৫, ২০২০, ২০:২০

options
link
৫ বছরের জন্য বিনা বেতনে ছুটি, কর্মীদের উদ্বেগ উসকে নয়া সিদ্ধান্ত এয়ার ইন্ডিয়ার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এমনিতেই ঋণের দায়ে ধুঁকছে সরকারি বিমানসংস্থা এয়ার ইন্ডিয়া (Air India)। কোষাগার প্রায় গড়ের মাঠ। এহেন সংকটকালে গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে দেখা দিয়েছে করোনা মহামারী। ফলে খরচ কমাতে একাংশ কর্মীকে পাঁচ বছর পর্যন্ত বিনা বেতনে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। এর আগে কর্মীদের বেতন কাটছাঁট করেছিল সংস্থাটি। সেই ক্ষোভ না মিটতেই ফের নয়া সিদ্ধান্তে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।

[আরও পড়ুন: ফোনের ওপারের ব্যক্তি জীবন্ত হয়ে উঠবে চোখের সামনে, অত্যাধুনিক ‘Jio Glass’ আনল রিলায়েন্স]

জানা গিয়েছে, সংস্থাটির টালমাটাল অবস্থা নিয়ে আলোচনা করতে ও কোভিড পরিস্থিতিতে পরিষেবা চালু রাখতে সম্প্রতি বৈঠকে বসেন এয়ার ইন্ডিয়ার ম্যানেজিং বোর্ডের সদস্যরা। সেখানে বিমানসংস্থাটির চেয়ারম্যান ও ম্যানেজিং ডিরেক্টরকে (CMD) ‘নন পারফর্মিং’ (যাঁদের কাজ সন্তোষজনক নয়) কর্মীদের পাঁচ বছর পর্যন্ত বিনা বেতনে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠানোর ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এবার কাজের নিরিখে কর্মীদের উপযোগীতা খতিয়ে দেখবে একটি বিশেষ বোর্ড। কাজের মান, দক্ষতা, শারীরিক সক্ষমতা এসবের উপর ভিত্তি করে তৈরি হবে চূড়ান্ত রিপোর্ট। কারও কাজ সন্তোষজনক মনে না হলে তাঁকে বাধ্যতামূলক ছুটিতে পাঠাতে পারবেন CMD রাজীব বনসল।

Advertisement

উল্লেখ্য, করোনা মহামারীর আগে থেকেই ক্রমে বেড়ে চলা ঋণের দায়ে নাজেহাল অবস্থা এয়ার ইন্ডিয়ার। সংস্থাটিকে বিক্রি করার জন্য চেষ্টাও চালাচ্ছে কেন্দ্র। তবে টাটা গোষ্ঠী ছাড়া এখনও পর্যন্ত তেমন ক্রেতা পাওয়া যায়নি। এদিকে, লকডাউন (Lockdown) সেই পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে। শুধু এয়ার ইন্ডিয়াই নয়, একাধিক বিমান সংস্থার আর্থিক অবস্থা অবনতির দিকে। একটা দীর্ঘ সময়ে উড়ান চলাচল বন্ধ থাকা তার একটা বড় কারণ। এখন আন্তর্দেশীয় বিমান পরিষেবা চালু হলেও করোনা আবহে খুব বেশি যাত্রী মিলছে না। যাঁদের যাতায়াত একান্তই প্রয়োজন, তাঁরাই কেবল বিমানের টিকিট কাটছেন। ফলে পকেট ভরছে না সংস্থাগুলির। এই ক্ষতি কবে কাটিয়ে উঠতে পারবেন, তা নিজেরাও বুঝতে পারছেন না সংস্থার কর্ণধাররা।

[আরও পড়ুন: ‘ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন দীর্ঘদিনের সহযোগী’, India-EU সামিটে বললেন মোদি]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.