Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
তেলেঙ্গানা

‘২ সপ্তাহ বাড়াতে হবে লকডাউনের মেয়াদ’, প্রধানমন্ত্রীকে আরজি তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর

লকডাউনের মাধ্যমেই করোনা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব:চন্দ্রশেখর রাও

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২০, ০৯:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ৭, ২০২০, ০৯:২৭

options
link
‘২ সপ্তাহ বাড়াতে হবে লকডাউনের মেয়াদ’, প্রধানমন্ত্রীকে আরজি তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা(COVID-19) মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রীকে লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধির আরজি তেলেঙ্গানার (Telengana) মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও (K Chandrasekhar Rao)-এর। ১৪ এপ্রিলের পরিবর্তে ৩রা জুন পর্যন্ত দেশে লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধির ইচ্ছাপ্রকাশ করেন তিনি। সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে চন্দ্রশেখর রাও জানান,”এখন দেশের অর্থনীতি নয়, আগে দেশকে এই মারণ ভাইরাসের কবল থেকে মুক্ত করতে হবে। আর তা লকডাউন ছাড়া সম্ভব নয়।”

টানা ২১ দিনের লকডাউনের জেরেই জেরবার দেশবাসী। কিন্তু মারণ ভাইরাস করোনার কবল থেকে দেশবাসীকে মুক্ত করতে তা যথেষ্ট নয় বলেই মত তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাওয়ের। তিনি চান ১৪ এপ্রিলের পর লকডাউনের সময়সীমা বৃদ্ধি করা হোক আরও কিছুদিন। এই আরজিই তিনি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। সোমবার এক সাংবাদিক বৈঠকে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী জানান,”ভবিষ্যতে আমরা অর্থনীতিকে চাঙ্গা করতে পারব। কিন্তু জীবন চলে গেলে তা আর ফিরিয়ে দিতে পারব না। সম্পূর্ণ লকডাউন ছাড়া করোনার মোকাবিলা করা সম্ভব নয়।এখন যদি লকডাউন তুলে দেওয়া হয় তাহলে আমরা এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারব না।” যদিও পরে এক বিবৃতি দিয়ে লকডাউনের মেয়াদ ৩রা জুন পর্যন্ত না করা হলেও আপাতত ২ সপ্তাহ সময়সীমা বৃদ্ধির আরজি জানিয়েছেন কে চন্দ্রশেখর রাও।

Advertisement

[আরও পড়ুন:এবার করোনার গ্রাসে ‘গগনযান’, রাশিয়ায় বন্ধ ভারতীয় পাইলটদের প্রশিক্ষণ]

সেই বিবৃতিতে তিনি একটি মার্কিন সংস্থার দেওয়া লকডাউনের সময়সীমা ৩রা জুন পর্যন্ত বৃদ্ধি করার কথাও উল্লেখ করেছেন। অন্যদিকে সোমবারই তেলেঙ্গানায় নতুন করে ৩০ জনের শরীরে করোনার নমুনা পাওয়া গেছে। করোনায় আক্রান্ত প্রায় ৩০৮, প্রাণ হারিয়েছেন ১১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে ৪৫ জন সম্পূর্ণ সুস্থ। কে চন্দ্রশেখরের কথায়,”এখনও পর্যন্ত আমার রাজ্যে কমিউনিটি ট্রান্সমিশন শুরু হয়নি।”

[আরও পড়ুন:করোনায় কাঁপছে আমেরিকা, ওষুধ না পেয়ে ভারতকে ‘হুমকি’ ট্রাম্পের]

অন্যদিকে দেশে ক্রমশই বেড়ে চলেছে আক্রান্তের সংখ্যা। মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত দেশে আক্রান্তের সংখ্যা চার হাজার ছাড়িয়েছে। মৃতের সংখ্যা একশো এগারো। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফ থেকে সংক্রমিত এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে তা সিল করে দেওয়াও শুরু হয়ে গেছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.