Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১৪ আগস্ট ২০২৬
বিজেপি

প্রত্যাশার তুলনায় কমতে পারে বিজেপির আসন! দাবি দুই সমীক্ষক সংস্থার

পুলওয়ামা আবেগ স্তিমিত হতেই অশনিসংকেত।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০১৯, ০৯:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৮, ২০১৯, ০৯:২৭

options
link
প্রত্যাশার তুলনায় কমতে পারে বিজেপির আসন! দাবি দুই সমীক্ষক সংস্থার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পুলওয়ামা হামলার পর জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রথম দফার ভোটের পরে বদলে গিয়েছে পরিস্থিতি। আগে যে পরিমাণ আসন প্রত্যাশা করা হয়েছিল, তার চেয়ে কমতে পারে বিজেপির আসনসংখ্যা। এমনটাই দাবি করছেন ভারতের প্রথম সারির দুই সমীক্ষক সংস্থা সি-ভোটার এবং সিএসডিএসের ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমার। সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা ‘The Quint’ কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছেন, সিএসডিএসের ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমার। C-Voter এর সর্বশেষ সমীক্ষাও বলছে গোটা দেশেই জনপ্রিয়তা কমছে মোদি সরকারের। গত এক মাসে ১৯ শতাংশ কমেছে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রিয়তা।

[আরও পড়ুন: কেন দুই কেন্দ্রে প্রার্থী, খোলসা করলেন রাহুল]

ভোটের আগে সর্বশেষ সমীক্ষায় সি-ভোটার এবং সিএসডিএস দুটি সংস্থায় বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোটকে প্রায় সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি আসনে জিতিয়ে রাখছিল। কিন্তু প্রথম পর্বের ভোটের পরই তাঁরা অবস্থান বদলেছেন। গত ১৩ এপ্রিল Asian Age-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সিএসডিএস ডিরেক্টর সঞ্জয় কুমার জানিয়েছেন, “উত্তরপ্রদেশের ৮ লোকসভা আসনের মধ্যে ৬টি মুসলিম অধ্যুষিত আসনে গতবারের তুলনায় ভোট কম পড়েছে। যা স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে এবারের ভোটে কোনও মোদি হাওয়া কাজ করছে না। আর এখানেই বিপদ আছে বিজেপির। গতবছর এই আটটিতেই জিতেছিল গেরুয়া শিবির। কিন্তু এবার অন্তত ৬টি তাদের হারাতে হবে বলে মনে হচ্ছে।”

Advertisement

আগের সমীক্ষায় সিএসডিএস অনুমান করেছিল উত্তরপ্রদেশে ৩২ থেকে ৪০টি আসন পেতে পারে। কিন্তু প্রথম রাউন্ডের পরে তাঁরা তাদের অনুমান কমিয়ে করেছে ২০ থেকে ২৫টি আসন। শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, যদি ভোটের হার না বাড়ে তাহলে বিহার এবং মহারাষ্ট্রেও প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম আসন পেতে পারে বিজেপি। এমনটাই দাবি ডঃ সঞ্জয় কুমারের। আগের সমীক্ষায় বিহারে এনডিএ পাচ্ছিল ২৮ থেকে ৩৪ আসন। মহারাষ্ট্রে আসন সংখ্যার অনুমান ছিল ৩৮-৪২। কিন্তু সঞ্জয় কুমার বলছেন, পুলওয়ামার পরে যে মোদি হাওয়া তৈরি হয়েছিল, তা স্তিমিত। এখন ভোট হচ্ছে স্থানীয় ইস্যুতে। আর তা বিজেপির জন্য খারাপ খবর।

[আরও পড়ুন: ‘চৌকিদার ফেল হ্যায়’, নরেন্দ্র মোদিকে খোঁচা ওমর আবদুল্লার]

শুধু সিএসডিএস নয়। সি-ভোটারও বিজেপির আসন সংখ্যা প্রত্যাশার তুলনায় অনেকটাই কম হবে বলে মনে করছে। সি-ভোটারের সমীক্ষা অনুযায়ী গত ৭ মার্চ বিজেপির জনপ্রিয়তা ছিল প্রায় ৬২ শতাংশ। মাত্র একমাসের মধ্যে ১২ এপ্রিল তা কমে হয়েছে ৪৩ শতাংশ। অর্থাৎ, একমাসে কমেছে প্রায় ১৯ শতাংশ। এই ট্রেন্ড বজায় থাকলে গেরুয়া শিবির অনেকটাই খারাপ পারফরম্যান্স করতে পারে। সি-ভোটার মনে করছে মোদির জনপ্রিয়তা পুলওয়ামার আগে যেমন ছিল, এখনও সেই পরিস্থিতিতে ফিরে এসেছে। যা ভাল খবর নয় গেরুয়া শিবিরের জন্য।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.