Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
নরেন্দ্র মোদি

‘অভূতপূর্ব জয় মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায়’, বিজেপির ‘নতুন টিম’কে শুভেচ্ছা মোদির

হরিয়ানার জয়কে বেশি গুরুত্ব দিলেন প্রধানমন্ত্রী>

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০১৯, ২০:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৪, ২০১৯, ২০:২৭

options
link
‘অভূতপূর্ব জয় মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায়’, বিজেপির ‘নতুন টিম’কে শুভেচ্ছা মোদির zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সাফল্য সহজে আসেনি। জয় প্রত্যাশিতভাবে মসৃণ নয় মোটেই। কিন্তু, তাতেও বিজেপি নেতৃ্ত্ব এমন ভাব করছে যেন সবটাই প্রত্যাশিত ছিল। দুই রাজ্যের নির্বাচনের ফলাফল পরিষ্কার হতেই বিজেপি দপ্তরে শুরু হল উৎসবের মেজাজ। হরিয়ানায় সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেয়েও একক বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসাটাকেই সাফল্য হিসেবে বর্ণনা করল বিজেপি নেতৃত্ব। জনতাকে ধন্যবাদজ্ঞাপন অনুষ্ঠান থেকে দুই রাজ্যের ফলাফলকে অভূতপূর্ব বলে বর্ণনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, এবং বিজেপি সভাপতি তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজনাথ সিং, নীতীন গড়করির মতো নেতারা।


প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বললেন, “হরিয়ানায় জয় অভূতপূর্ব। কারণ আজকালকার দিনে সাধারণত পাঁচ বছর পর ফের নির্বাচনে জেতার সম্ভাবনা খুব কম থাকে। এই পরিস্থিতিতে দ্বিতীয়বার বৃহত্তম দল হিসেবে উঠে আসাটা বিরাট সাফল্য। আগের পার ৩৩ শতাংশ ভোট পেয়েছিলাম আমরা। এবার আমরা ৩৬ শতাংশ ভোট পেয়েছি। তিন শতাংশ ভোট বাড়ানোটাই প্রমাণ দিচ্ছে যে আমরা মানুষের কাজ জন্য করেছি।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: দেশজুড়ে বিধানসভা উপনির্বাচনেও ভাল ফল বিরোধীদের, চিন্তায় বিজেপি]

এরপরই নিজের নতুন টিমের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন,”আগে আমাদের এইসব এলাকায় সমঝোতা করতে হত। কখনও পাঁচটা আসনে লড়ার সুযোগ পেতাম কখনও ১০টা আসনে। ২০১৪ সালের আগেই এই পরিস্থিতি ছিল। আমদের মুখ্যমন্ত্রী নতুন, পুরো টিম নতুন। তা সত্ত্বেও পাঁচ বছর কাজ করার পর আবারও ফেরা.. হরিয়নার কর্মীদের যত শুভেচ্ছা জানাব ততই কম।

[আরও পড়ুন: দুই রাজ্যের নির্বাচনী ফল: ত্রিশঙ্কু হরিয়ানা, মহারাষ্ট্রে ফিরছে বিজেপি ]


মহারাষ্ট্র সম্পর্কেও একই কথা বললেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলছেন,”মহারাষ্ট্রে একইভাবে ২০১৪ সালের আগে বিজেপি সবসময় জুনিয়র পার্টনার ছিল। আমরা শিব সেনার সঙ্গে ছিলাম। সরকার গড়লেও আমরা শিব সেনার নেতৃত্বেই গড়েছি। কিন্তু, গত পঞ্চাশ বছরে একজন মুখ্যমন্ত্রীও টানা পাঁচ বছর মহারাষ্ট্রের সেবা করতে পারেননি। পাঁচ বছর টানা মুখ্যমন্ত্রী থাকা কারও পক্ষে সম্ভব হয়নি। পঞ্চাশ বছর পর প্রথমবার ফড়ণবিশ এই সুযোগ পেলেন। ৫০ বছর পর্যন্ত দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও কোনও মুখ্যমন্ত্রী গোটা পাঁচ বছর কুর্সিতে থাকতে পারেননি। আগেরবার আমরা আলাদা লড়েছিলাম। কিন্তু, মানুষ ঠিক করে দিয়েছে বিজেপি-শিব সেনা আলাদা লড়তেই পারে না। এই জোট পাঁচ বছর স্থায়ী সরকার চালিয়েছে। এবারও আমরা বড়সড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছি। আমাদের টিম নতুন ছিল। অভিজ্ঞতা ছিল না। এসব সত্ত্বেও পাঁচ বছর পর আমাদের সেবা করার সুযোগ দিয়েছে মানুষ। আমি মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার মানুষকে আশ্বস্ত করতে চাই, আপনাদের সেবায় আমরা আগেরবারের চেয়ে বেশি পরিশ্রম করব। ত্যাগ বা তপস্যায় কোনও ঘাটতি থাকবে না।”

[আরও পড়ুন: সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পেলেও হরিয়ানায় সরকার গড়ছে বিজেপি! সমর্থনের ইঙ্গিত চৌটালার]

উল্লেখ্য, মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানা দুই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই মোদি-অমিত শাহ টিমের লোক। এদিন জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী পুরোদস্তুর বুঝিয়ে দিলেন, এই সাফল্য তাঁর নিজের টিমেরই।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.