৫ আষাঢ়  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৯ 

Menu Logo বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার
বিলেতে বিশ্বযুদ্ধ

৫ আষাঢ়  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ২০ জুন ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “সৎ ও কাজের প্রার্থীকে নির্বাচিত করুন।”  দেশের সহনাগরিকদের কাছে এই আবেদনই করলেন স্বাধীন ভারতের প্রথম ভোটার শ্যাম শরণ নেগি। দু’বছর আগে ১০০ বছর পেরিয়েছেন তিনি। কিন্তু, প্রতিবারের মতো এবারও ভোট দিতে ভোলেননি।

আসলে এই একটি দিনের জন্য অধীর অপেক্ষায় থাকেন হিমাচল প্রদেশের কল্পা গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত এই শিক্ষক। তাঁর মতো অপেক্ষায় থাকেন নির্বাচনী আধিকারিকরাও। কারণ, ১০০ বছর পেরিয়েছেন এই রকম ভোটার ভারতে অনেকেই আছেন। কিন্তু, ১০২ বছরের শ্যাম শরণ নেগির বিষয়টাই যে আলাদা৷ ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হওয়ার পর ভারতে প্রথম লোকসভা নির্বাচন হয় ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু, তখন ভোট হলে হিমাচল প্রদেশের কিন্নৌর অঞ্চলের আবহাওয়া অনুকূল থাকবে না বলে আশঙ্কা করা হয়েছিল। তাই ১৯৫১ সালের ২৫ অক্টোবর ভোট হয় সেখানে। আর প্রথম ভোটার হিসেবে ভোটকেন্দ্রে পা রাখেন শ্যাম শরণ, তখন তাঁর বয়স ৩৪বছর৷

[আরও পড়ুন-ভোটের দিন কেদারনাথে ‘জনসংযোগ’ মোদির, কমিশনে নালিশ তৃণমূলের]

তাঁর কথায়, “স্কুলে শিক্ষকতা করার সুবাদে ভোটের ডিউটি পড়েছিল। তাই সকাল সাতটার সময় ভোট দিতে কল্পা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পৌঁছে যাই। সবার আগে লাইনে দাঁড়ানোর ফলে প্রথম ভোট আমিই দিয়েছিলাম।” ছোট্ট এই ঘটনাই আজও ভারতের ভোটদানের ইতিহাসে স্মরণীয় করে রেখেছে তাঁকে। অন্য সময় খবরে না থাকলেও যখনই হিমাচলে ভোটগ্রহণ হয় তখনই গোটা দেশের সংবাদমাধ্যমের নজর পড়ে তাঁর উপর। রবিবারও তার অন্যথা হল না।

[আরও পড়ুন- সাত রাজ্যের ৫৯ আসনে প্রধানমন্ত্রী-সহ একাধিক হেভিওয়েটের ভাগ্য নির্ধারণ]

রীতিমতো ঢাক ও ঢোল বাজিয়ে মান্ডি লোকসভার কল্পা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথে তাঁকে বরণ করে নিয়ে গেলেন নির্বাচনী আধিকারিকরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে নিজের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে এলেন তিনি। এপ্রসঙ্গে কিন্নর জেলার নির্বাচনী আধিকারিক গোপাল চন্দ্র বলেন, “হিমাচল প্রদেশের কিন্নৌর জেলার বাসিন্দা শ্যাম শরণ নেগি স্বাধীন ভারতের প্রথম ভোটার। তাই রাজ্য নির্বাচন দপ্তরের কাছে তিনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

১৯১৭ সালে ১ জুলাই জন্ম হয়েছিল নেগির। তারপর প্রথম ভোট দিয়েছিলেন ১৯৫১ সালের অক্টোবর মাসে। তারপর থেকে এই নিয়ে ১৭টি লোকসভা ও ১৩টি বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। কল্পা গ্রামের বাসিন্দারা আশা, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও তিনি ভোট দিতে পারবেন। যদিও তিনি বলছেন, “আমার শেষ ইচ্ছা হল যাতে ফের ভোট দিতে পারি। কিন্তু, আমার হাঁটুর সমস্যার জন্য তা সম্ভব হবে কিনা বুঝতে পারছি না। পাশাপাশি চোখেও সেভাবে দেখতে পাই না আর কানেও শুনতে পাই না।”

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং