Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
কমল নাথের পদত্যাগ

জল্পনাই সত্যি, আস্থা ভোটের আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা কমল নাথের

১৫ মাসের কংগ্রেস সরকারের ইতি।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২০, ১৩:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ২০, ২০২০, ১৩:৩৮

options
link
জল্পনাই সত্যি, আস্থা ভোটের আগেই মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা কমল নাথের zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আস্থা ভোটের আগেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন কমল নাথ। শুক্রবারই রাজ্যপাল লালজি ট্যান্ডনে কাছে ইস্তফাপত্র জমা দেন। ইস্তাফাপত্রে তিনি লেখেন, “গত দুই সপ্তাহ ধরে মধ্যপ্রদেশে যা হয়েছে তা গণতন্ত্রকে দুর্বল করার নতুন অধ্যায়।”

এদিন আস্থা ভোটের আগে সাংবাদিক বৈঠক করে পদত্যাগের কথা জানান কমল নাথ। সেখান থেকে বিজেপিকে কার্যত তুলোধনা করেন মধ্যপ্রদেশের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর অভিযোগ, “সরকার ক্ষমতায় আসার প্রথম দিন থেকেই ষড়যন্ত্র করছিল বিজেপি। আমরা মানুষের জন্য কাজ করছিলাম, আর ওরা ক্ষমতা দখলের ছক কষছিল। শেষপর্যন্ত গণতন্ত্রকে হত্যা করল ওরা।” ফলে ১৫ মাসের কংগ্রেস সরকারকে সরিয়ে রাজ্যে ফের একবার ক্ষমতা দখল করতে চলেছে গেরুয়া শিবির।

বৃহস্পতিবার ১৬ বিদ্রোহী বিধায়কের পদত্যাগপ্তর জমা নেন মধ্যপ্রদেশ বিধানসভার স্পিকার। তারপর থেকেই কমল নাথের ইস্তফার জল্পনা বাড়ছিল। এদিন দিগ্বিজয় সিংয়ের মন্তব্যের পর ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট হয়ে যায়। সেই জল্পনা সত্যি করে শেষমেশ পদত্যাগ করলেন কমল নাথ। ১০৭টি বিধায়ক নিয়ে বিজেপির সরকার গড়ার পথ আরও সোজা হয়ে গেল। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপিকে এক হাত নেন কমল নাথ। তাঁর কথায়, “দেশের মানুষ দেখেছে, কীভাবে বিধায়কদের ‘বন্দী’ করে রাখা হয়েছিল। একদিন সত্যিটা প্রকাশিত হবেই। দেশের মানুষ ওদের ক্ষমা করবে না।” ২০১৮ সালে ডিসেম্বর মাসে মধ্যপ্রদেশে ক্ষমতায় এসেছিল কংগ্রেস। তখন থেকেই প্রতি ১৫ দিন অন্তর রাজ্যবাসীর জন্য নতুন নতুন প্রকল্প এনেছেন বলে দাবি করেন তিনি। এদিন ‘গণতন্ত্রের হত্যা করল বিজেপি’ বলেও দাবি করেছেন কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা।

[আরও পড়ুন : করোনায় আক্রান্ত হয়ে জয়পুরে মৃত্যু ইটালির পর্যটকের, ভারতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫]

হোলির দিন কংগ্রেসের তরুণ তুর্কি জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া-সহ ২২ বিধায়ক বিদ্রোহী পদত্যাগ করেন। এরপরই সংকটে পড়ে কমলনাথের সরকার। প্রাথমিকভাবে ৬ জনের পরত্যাগপত্র গ্রহণ করেছিলেন মধ্যপ্রদেশের স্পিকার। বৃহস্পতিবার রাতে বাকি ১৬ জনের পদত্যাগপত্রও গৃহীত হয়। ফলে কংগ্রেস সংখ্যালঘু হয়ে পড়ে। মধ্যপ্রদেশের বিধানসভায় ২০৬টি আসন রয়েছে। ২২ জন বিধায়ক পদত্যাগের পর কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা দাঁড়ায় ৯২। এদিকে সরকার গড়তে প্রয়োজন ১০৪ জন বিধায়ক। বিজেপির বিধায়কের সংখ্যা ১০৭ জন। ফলে কমল নাথ পদত্যাগের পর বিজেপির সরকার গঠন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

[আরও পড়ুন : মাস্ক পরেই সাত পাক, বিয়েতে নিমন্ত্রিতদেরও হ্যান্ড স্যানিটাইজার উপহার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.