Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
কর্তারপুর করিডর

টানাপোড়েনের অবসান, সিধুকে কর্তারপুরে যাওয়ার অনুমতি দিল কেন্দ্র

কর্তারপুর যেতে চেয়ে কেন্দ্রকে মোট তিনটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন এই কংগ্রেস নেতা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০১৯, ২০:৩৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ৭, ২০১৯, ২০:৩৭

options
link
টানাপোড়েনের অবসান, সিধুকে কর্তারপুরে যাওয়ার অনুমতি দিল কেন্দ্র zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অবশেষে অবসান হল সমস্ত টানাপোড়েনের। গুরু নানকের ৫৫০ জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য কর্তারপুর যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন কংগ্রেস নেতা নভজ্যোৎ সিং সিধু। এর জন্য তিনবার কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে চিঠিও লিখেছিলেন। এরপরও কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে অনুমতি না দিলে সাধারণ পর্যটকের মতোই পাকিস্তানে যাবেন বলে জানিয়েছিলেন। কিন্তু, এখনও আর সেই পথ ধরতে হবে না তাঁকে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্র পাকিস্তানে যাওয়ার জন্য তাঁকে রাজনৈতিক ক্লিয়ারেন্স দিয়েছে। ফলে আগামী ৯ নভেম্বর কর্তারপুর সাহিব করিডরের উদ্বোধনের দিন পাকিস্তানে যেতে পারবেন তিনি।

[আরও পড়ুন: ক্রিকেটের টান, সৌরভের সঙ্গে দেখা করতে ত্রিপুরা থেকে কলকাতায় পালিয়ে এল কিশোর]

সূত্রের খবর, কেন্দ্রের দেওয়া অনুমতি অনুযায়ী ভারত থেকে পুণ্যার্থীদের প্রথম যে দলটি পাকিস্তানে যাবে তাতেই একমাত্র থাকতে পারবেন সিধু। এর বাইরে অন্য কোথায় যেতে পারবেন না তিনি। ওই দলে থাকবেন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দার সিং ও দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তবে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী একজন রাজনৈতিক নেতা হিসেবে নয় একজন তীর্থযাত্রী হিসেবে কর্তারপুরে যাচ্ছেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: খাবার পৌঁছতে দেরি, বচসার মাঝে গ্রাহকের কানে কামড় ‘সুইগি’র ডেলিভারি বয়ের]

গত বছর আগস্ট মাসে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ইসলামবাদ গিয়েছিলেন সিধু। আর সেখানে গিয়ে পাকিস্তানের সেনা প্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাওজার সঙ্গে কোলাকুলি করেছিলেন। সেই ছবি প্রকাশ্যে আসতেই ভারতজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়ষ। পাঞ্জাবের ওই কংগ্রেস নেতার সঙ্গে চিরশত্রু পাকিস্তানের সেনা প্রধানের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে। বাধ্য হয়ে এবিষয়টি সিধুর ব্যক্তিগত বিষয় বলে দায় এড়িয়ে যায় কংগ্রেস। যদিও বিতর্ক পিছু ছাড়েনি তাদের। লোকসভা নির্বাচনের সময় বিষয়টি নিয়ে দেশব্যাপী প্রচার চালায় বিজেপি। এরপরেই কংগ্রেসে কোণঠাসা হয়ে পড়েন ক্রিকেটার থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত হওয়া নভজ্যোৎ সিং সিধু।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.