Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
NIA receives three prank calls

মুম্বই ও দিল্লিতে হামলার হুমকি, পাকিস্তানের নম্বর থেকে ফোন NIA’র দপ্তরে

জইশ প্রধান মাসুদ আজহার এই হামলার পরিকল্পনা করছে বলে জানানো হয়েছিল ফোনে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ১৭:০২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৭, ২০২০, ১৭:০২

options
link
মুম্বই ও দিল্লিতে হামলার হুমকি, পাকিস্তানের নম্বর থেকে ফোন NIA’র দপ্তরে zoom
প্রতীকী ছবি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুম্বই বন্দর ও দিল্লিতে জঙ্গি হামলার হুমকি দিয়ে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার দপ্তরে ফোন এল পাকিস্তানের নম্বর থেকে। বিষয়টিকে কেন্দ্র করে প্রথমে উত্তেজনা ছড়ালেও পরে তা ভুয়ো কল বলে জানানো হয় এনআইএ’র (NIA) তরফে।

সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, সোমবার এই বিষয়ে একটি রিপোর্ট পাওয়া গিয়েছে। তা থেকে জানা গিয়েছে, গত ২০ অক্টোবর দুপুর ১২.৩৫ মিনিটে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার অ্যান্টি টেরর প্রুভ এজেন্সির কন্ট্রোল রুমে তিনটি ফোন আসে। তাতে বলা হয়, জইশ-ই-মহম্মদ (Jaish-e-Mohammad) প্রধান মৌলানা মাসুদ আজহার ও তার ভাই ২২ জন জঙ্গিকে নিয়ে একটি দল গঠন করেছে। তারা মুম্বই বন্দর ও দিল্লিতে হামলা চালাবে। এই ফোনগুলি আসার পরেই তদন্ত নেমেই এনআইএ’র তদন্তকারী জানতে পারেন ওই ফোনগুলি পাকিস্তান থেকে এসেছিল। তবে হামলা চালানোর হুমকিটা ভুয়ো।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ২৬/১১ মুম্বই হামলায় স্পষ্ট লস্কর-আইএসআই যোগ, পাকিস্তানকে কড়া বার্তা ভারতের ]

এপ্রসঙ্গে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার এক আধিকারিক জানান, তদন্ত করে ওই ফোনকলগুলি ভুয়ো বলে জানা গিয়েছে। তাই বিষয়টিকে সেভাবে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে না। তবে সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে কান্দাহার বিমান অপহরণ কাণ্ডের জেরে মাসুদ আজহারকে ছেড়ে দেয় ভারত। তারপর থেকে ভারতে বিভিন্ন জঙ্গি হামলার চেষ্টা চালিয়ে জইশ-ই-মহম্মদ। চিনের আপত্তি সত্ত্বেও বহু চেষ্টার পর ভারতের চাপে কুখ্যাত এই জঙ্গিকে ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদীর তকমা দেয় রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। অন্যদিকে ২০২০ সালের আগস্ট পুলওয়ামা জঙ্গি হামলার মামলায় জমা দেওয়া চার্জশিটে মাসুদ আজহারের লস্কর-ই-তইবাকেই দায়ী করা হয়েছে। আর এতে লস্কর প্রধান মাসুদ ও তার ভাইদের নাম রয়েছে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামার অবন্তীপোরায় হওয়া জঙ্গি হামলায় ৪০ জন সিআরপিএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়েছিল।

[আরও পড়ুন: হাথরাস মামলার তদন্ত হবে এলাহাবাদ হাই কোর্টের নজরদারিতেই, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.