Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Pune Death Case

প্রি-ওয়েডিং শুটে হবু স্বামীকে খুনের আগে পাসপোর্ট চুরি! পুণের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে থ পুলিশ

কেতনের বাগদত্তা সিয়া কয়েক সপ্তাহ ধরেই ঠান্ডা মাথায় খুনের মতলব আঁটছিলেন বলেই মনে করছেন তদন্তকারীরা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১৬:২৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২৪, ২০২৬, ১৬:২৩

options
link
প্রি-ওয়েডিং শুটে হবু স্বামীকে খুনের আগে পাসপোর্ট চুরি! পুণের হত্যাকাণ্ডের তদন্তে থ পুলিশ zoom
ফেব্রুয়ারি মাসে বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল কেতন ও সিয়ার।
Advertisement

প্রি ওয়েডিং ফটোশুটে গিয়ে হবু স্বামীকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্ত্রী! এমন এক ঘটনায় তোলপাড় মহারাষ্ট্র। যত সময় যাচ্ছে, ততই তদন্তকারীরা এমন সব তথ্যপ্রমাণ হাতে পাচ্ছেন, যা থেকে বোঝা যাচ্ছে এটা একেবারেই ঠান্ডা মাথার খুন! কেল্লা থেকে ঠেলে ফেলে দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, মনে করা হচ্ছে তা তাৎক্ষণিক কোনও পরিকল্পনা। অনেক আগে থেকেই ছক কষা হয়েছে। এমনই দাবি পুলিশের।

পুণের গ্রামীণ পুলিশের মতে, নিহত কেতনের বাগদত্তা সিয়া গোয়েল হবু স্বামীর পাসপোর্ট চুরি করে নষ্ট করে ফেলেছিলেন বলেই মনে করা হচ্ছে। কেতনের ইচ্ছে ছিল, বালিতে নিয়ে যাবেন সিয়াকে। সেটা রুখতেই এমন ‘কাণ্ড’ বলে মনে করা হচ্ছে। ফেব্রুয়ারি মাসে বাগদান সম্পন্ন হয়েছিল কেতন ও সিয়ার। প্রি ওয়েডিং ফটোশুটের জন্য ৬ জুন বালি যাওয়ার কথা ছিল তাঁদের। তাঁরা চারজন একসঙ্গে যাচ্ছিলেন। কিন্তু মুম্বই বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর কেতন দেখেন তাঁর পাসপোর্টটি হারিয়ে গিয়েছে! ফলে সেই সফরটি হঠাৎ বাতিল করা হয়। প্রাথমিক ভাবে পাসপোর্টের বিষয়টি নিয়ে মাথা না ঘামালেও তদন্তকারীরা অচিরেই বুঝতে পারেন, এই ঘটনাটি বিচ্ছিন্ন কোনও বিষয় নয়। বরং তা এক বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ। শেষপর্যন্ত যার চূড়ান্ত পরিণতি ঘটে লোহাগড় দুর্গে ২৬ বছর বয়সি ওই যুবকের মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে।

Advertisement

আপাতত সিয়া এবং চেতন দু’জনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, সিয়া চেতন বাবুলাল চৌধুরী নামের এক যুবকের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন। কেতনকে তিনি বিয়ে করতে চাননি। পুলিশের মতে, ওই যুগল কেতনকে নিজেদের পথের কাঁটা হিসেবে গণ্য করে কয়েক সপ্তাহ আগে থেকেই হত্যার পরিকল্পনা শুরু করেছিল। পুরো বিষয়টিই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

দেখা যাচ্ছে, কেতনকে খুন করার পর লোকদেখানো আবেগী পোস্টও করেছিলেন সিয়া। ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, ‘আমার জন্মদিনে তুমি আমাকে ছেড়ে চলে গেলে। আমাদের বিয়ের মাত্র কয়েকদিন বাকি ছিল। আজও বুঝি না কেন তুমি এমন করলে?এই প্রশ্নের জবাব তো আমি কোনওদিন পাব না। আমি তো তোমাকে এত ভালোবাসতাম, তবু কেন চলে গেলে? শান্তিতে ঘুমাও।’ এখানেই শেষ নয়। আরেকটি পোস্টে সিয়া লেখেন, ‘আমার হৃদয় জানে তুমি এখানেই রয়েছ। প্লিজ ফিরে এসো।’

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.