Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Supreme Court

টাকা খেয়েছে ইঁদুর! ঘুষের মামলায় সরকারি আধিকারিককে জামিন দিল শীর্ষ আদালত

পাটনা হাই কোর্ট এই মামলায় ওই আধিকারিককে দোষী সাব্যস্ত করে ও ৪ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছিল। পাশাপাশি আরও একটি ধারায় তিন বছরের জেল হয়েছিল তাঁর।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৮:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০২৬, ১৮:৫৯

options
link
টাকা খেয়েছে ইঁদুর! ঘুষের মামলায় সরকারি আধিকারিককে জামিন দিল শীর্ষ আদালত zoom
ঘুষের মামলায় সরকারি আধিকারিককে জামিন দিল শীর্ষ আদালত।
Advertisement

ইঁদুরে কিনা খায়! বাজেয়াপ্ত হওয়া মদ-গাজা থেকে শুরু করে টাকা পর্যন্ত, আজকাল বোধহয় কিছুই বাদ দিচ্ছে না মূষিকদল। বাজেয়াপ্ত হওয়ায় ঘুষের টাকা বেমালুম লোপাট হওয়ায় দোষী সাব্যস্ত হয়েও এবার জামিন পেয়ে গেলেন এক সরকারি আধিকারিক। তদন্তকারীদের দাবি, যে টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল তা খেয়ে নিয়েছে ইঁদুরের দল। ঘটনা সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, ১০ হাজার টাকা ঘুষ নেওয়ার অপরাধে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন শ্রীমতী কুমারী নামে এক মহিলা সরকারি আধিকারিক। তিনি শিশুকল্যাণ বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ঘুষ নিতে গিয়ে হাতেনাতে ধরা পড়ার পর সেই টাকা বাজেয়াপ্ত করেন তদন্তকারীরা। এই মামলা আদালতে উঠলে ওই আধিকারিককে বেকসুর খালাস করেছিল নিম্ন আদালত। পরে পাটনা হাই কোর্ট সেই রায় খারিজ করে কুমারীকে দোষী সাব্যস্ত করে ও ৪ বছরের কারাদণ্ড দেয়। পাশাপাশি আরও একটি ধারায় তিন বছরের জেল হয় তাঁর।

Advertisement

মামলার শুনানিতে জানা যায়, যে ১০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল তা আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তদন্তকারীদের তরফে জানানো হয়, তোষাখানায় ইঁদুরের উৎপাত। তারাই ওই টাকা নষ্ট করেছে।

হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এরপর সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন ওই আধিকারিক। সেখানে মামলার শুনানিতে জানা যায়, যে ১০ হাজার টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল তা আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তদন্তকারীদের তরফে জানানো হয়, তোষাখানায় ইঁদুরের উৎপাত। তারাই ওই টাকা নষ্ট করেছে। আদালতে বাজেয়াপ্ত করা টাকা পেশ না হওয়ায় গত ২৪ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট অভিযুক্ত ওই আধিকারিকের সাজায় স্থগিতাদেশ দেয় এবং তাঁর জামিন মঞ্জুর করে।

তোষাখানা থেকে এভাবে টাকা লোপাট হয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিস্মিত শীর্ষ আদালত। আদালতের তরফে বলা হয়েছে, বাজেয়াপ্ত করা টাকা যদি সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা না হয়, সেক্ষেত্রে এই ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতেও ঘটতে পারে। তা সরকারের জন্য আর্থিক ক্ষতি। অবশ্য এই মামলা এখানেই শেষ হয়নি। পরবর্তী শুনানিতে মামলাটি নিয়ে বিশদে আলোচনার কথা জানিয়েছে আদালত। উল্লেখ্য, তোষাখানা থেকে বাজেয়াপ্ত হওয়া জিনিসপত্র লোপাট হয়ে যাওয়ার ঘটনা এই প্রথমবার নয়, এর আগে বিহার-সহ একাধিক রাজ্যে পুলিশের তোষাখানা থেকে লোপাট হতে দেখা গিয়েছে, বাজেয়াপ্ত হওয়া মদ, গাঁজা-সহ বহু জিনিস। প্রতিবারই দোষ পড়েছে ইঁদুরের উপর।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.