৯ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৬  শুক্রবার ২৪ মে ২০১৯ 

Menu Logo নির্বাচন ‘১৯ দেশের রায় LIVE রাজ্যের ফলাফল LIVE বিধানসভা নির্বাচনের রায় মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটের প্রচারে একেবারেই দেখা যায়নি তাঁকে। গোটা প্রচারপর্বে জনসভা করেছেন হাতে গোনা গোটা কয়েক। তাও আবার নিজের কেন্দ্র রায়বরেলিতে। কিন্তু ফলাফলের দিন এগিয়ে আসতেই ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছেন ইউপিএ চেয়ারপার্সন সোনিয়া গান্ধী। ছেলে রাহুলকে সরিয়ে বিজেপি বিরোধী শক্তিগুলিকে একত্রিত করার কাজ শুরু করেছেন তিনি। রাহুল এখনও প্রচারের কাজে ব্যস্ত। জোট নিয়ে যাবতীয় কানাঘুষো এখন সোনিয়াকে ঘিরেই।

[আরও পড়ুন: খাবারে ভাসছে মরা টিকটিকি! ক্রেতার অভিযোগে কাঠগড়ায় প্রসিদ্ধ বিপণী]

কংগ্রেস ধরেই নিচ্ছে, লোকসভায় কোনওভাবেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এনডিএ। দলের অভ্যন্তরীণ সমীক্ষা বলছে ভাল ফল করবে কংগ্রেসও। তবে, সরকার গঠনের প্রয়োজনীয় সংখ্যার ধারেকাছে যেতে পারবে না রাহুল গান্ধীর দল। তাই বিজেপি বিরোধী সমস্ত শক্তিকে একত্রিত করার কাজ শুরু করেছে কংগ্রেস। ইতিমধ্যেই কংগ্রেস নেতা গুলাম নবী আজাদ বলে দিয়েছেন, বিরোধী জোটের প্রধানমন্ত্রী যে রাহুলকেই করতে হবে তার কোনও মানে নেই। সবাই যে নামে একমত হতে, তাতে তাদেরও আপত্তি নেই। আসলে, সোনিয়ার নির্দেশেই গুলাম নবি বিরোধী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ চালাচ্ছেন। তাঁর উপর দায়িত্ব পড়েছে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রশেখর রাও এবং অন্ধ্রপ্রদেশের জগনমোহন রেড্ডির সঙ্গে যোগাযোগ করার। ইতিমধ্যেই চন্দ্রশেখর রাওয়ের সঙ্গে কথাও বলেছেন তিনি। এদিকে অভিমানী মায়াবতীর সঙ্গে কথা বলছেন কংগ্রেসের জোটসঙ্গী শরদ পাওয়ার। ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে কথা বলছেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী কমলনাথ।

[আরও পড়ুন: গডসেকে ‘সন্ত্রাসবাদী’ বলার জের! কমল হাসানকে লক্ষ্য করে ছোঁড়া হল চপ্পল]

সোনিয়া এখন ব্যস্ত ২১-২৩ মে এই কদিনের মধ্যে দিল্লিতে মহাজোটের বৈঠক ডাকতে। ইতিমধ্যেই আমন্ত্রণ পেয়েছেন ডিএমকে সুপ্রিমো স্ট্যালিন। তিনি ২৩ মে দিল্লিতে হাজির থাকবেন বলেও জানা গিয়েছে। আমন্ত্রণ গিয়েছে জেডিএস নেতা এইচ ডি কুমারস্বামী এবং এইচ ডি দেবেগৌড়ার কাছেও, হাজির থাকবেন তাঁরাও। কংগ্রেস চাইছে গোটা বিরোধী শিবির যেন ফলপ্রকাশের দিন দিল্লিতে থাকে। যাতে ত্রিশঙ্কু বিধানসভা হলে আগে সরকার গঠনের দাবি বিরোধীরাই করতে পারে। কিন্তু, রাহুলকে এড়িয়ে সবের নেতৃত্বে সোনিয়া কেন? তবে, কি ছেলেকে বিশ্বাস করতে পারছেন না মা? আসলে, বিরোধী শিবিরের অন্য নেতাদের মধ্যে সোনিয়ার গ্রহণযোগ্যতা রাহুলের থেকে অনেকটাই বেশি। তাছাড়া, ২০০৪ সালে একই রকম পরিস্থিতিতে সফলভাবে সরকার গড়েছিলেন সোনিয়া। তাঁর কৃতিত্বেই দশ বছর রাজত্ব করেছে কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইউপিএ।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং