১৩ মাঘ  ১৪২৬  সোমবার ২৭ জানুয়ারি ২০২০ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

দীপাঞ্জন মণ্ডল: নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল বা CAB আইনে পরিণত হয়েছে। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ স্বাক্ষর করে দিয়েছেন লোকসভা এবং রাজ্যসভায় পাশ হওয়া এই বিলে। তবে সময় যত যাচ্ছে ততই যেন জোরাল হচ্ছে CAB বিরোধিতার সুর। এবার নাগরিকত্ব সংশোধনী বিলের বিরোধিতায় আইনি রাস্তায় হাঁটল তৃণমূল। শুক্রবার সকালে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করলেন সাংসদ মহুয়া মৈত্র।

এদিন CAB বিরোধিতায় সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদের কাছে দ্রুত শুনানির আরজি জানান মহুয়া মৈত্র। আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে মামলার শুনানির আরজি জানান। তবে সাংসদের দ্রুত শুনানির আরজি শোনেনি সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এসএ বোবদের বেঞ্চ। পরিবর্তে তাঁকে আগে মনিটরিং অফিসারের কাছে আরজি পেশের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের আগে CAB-এর বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের করে ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লিগ। সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করেছেন আইনজীবী তথা কংগ্রেস সাংসদ কপিল সিব্বল। 

[আরও পড়ুন: আড়াআড়িভাবে চিরে দেওয়া হয় তলপেট, গড়িয়াহাটে বৃদ্ধা খুনের নৃশংসতায় তাজ্জব পুলিশ]

উল্লেখ্য,  প্রতিবেশী তিন দেশ আফগানিস্তান, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আগত অমুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেবে ভারত সরকার। স্বাধীনতার পর থেকে ২০১৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এদেশে আসা হিন্দু, শিখ, বৌদ্ধ, জৈন, পার্সি ও খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের মাধ্যমে। লোকসভার পর রাজ্যসভায় বিল পাশ হতেই বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি CAB-এ সিলমোহর দেন। বৃহস্পতিবার সরকারিভাবে রামনাথ কোবিন্দ বিলে স্বাক্ষর করে এটিকে আইনে পরিণত করেন।  এদিকে, CAB পাশের প্রতিবাদে উত্তাল অসম-সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের একাধিক রাজ্য। বিলের প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আন্দোলনে শামিল হাজার হাজার মানুষ। বুধবার রাত থেকে বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত অশান্তিতে অসমে মৃত্যু হয়েছে কমপক্ষে পাঁচ জনের। সরকারি সূত্রে অবশ্য তিন জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, শুক্রবার সকালে ডিব্রুগড়ে বিক্ষোভ কিছুটা প্রশমিত হওয়ায় আটটা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত শিথিল করা হয় কারফিউ।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং