Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ৯ জুন ২০২৬
মনমোহন

ইউপিএ আমলেও বহু সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল, ভোটের আবহে বিস্ফোরক মনমোহন

"আমরা সার্জিক্যাল স্ট্রাইককে ভোটপ্রচারের অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করিনি, এটা কৌশলগত অস্ত্র", দাবি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০১৯, ১৪:৫৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২, ২০১৯, ১৪:৫৭

options
link
ইউপিএ আমলেও বহু সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল, ভোটের আবহে বিস্ফোরক মনমোহন zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাতীয় নিরাপত্তায় সমঝোতা করেছে ইউপিএ সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তথা বিজেপি নেতারা বারবার এই অভিযোগ করে আসছেন। এবার তাঁদের জবাব দিতে আসরে নামলেন খোদ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মনমোহন জানালেন, তাঁর আমলেও অনেকগুলি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল। কিন্তু, তা নিয়ে ফলাও করে প্রচার করেনি ইউপিএ সরকার। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মতে, সেনার সাফল্য ছিল কৌশলগত পদক্ষেপ এবং ভারত-বিরোধী শক্তিগুলিকে মোক্ষম জবাব দেওয়ার অস্ত্র। এই সাফল্যকে কোনওভাবেই ভোটের প্রচারে কাজে লাগানো হয়নি৷ 

[আরও পড়ুন: আন্তর্জাতিক জঙ্গি মাসুদের জন্য অপেক্ষা করছে যে কড়া শাস্তিগুলি]

এর আগে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রথম ইউপিএ আমলের মন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও দাবি করেছিলেন, মনমোহন জমানায় অন্তত ১১ বার সার্জিক্যাল স্ট্রাইক করেছিল ভারতীয় সেনা। কিন্তু সেই সাফল্যকে ব্যবহার করে প্রচারের আলোয় আসার চেষ্টা করেনি কংগ্রেস। খানিকটা তেমনই দাবি করলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। তিনি বলেন,”ভারতের জাতীয় নিরাপত্তায় সমঝোতা করার অভিযোগ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়। পুলওয়ামায়, দেশের সবচেয়ে সুরক্ষিত জাতীয় সড়কে জঙ্গি হামলায় ৪০ জন সেনা আধিকারিকের মৃত্যু হল। এটা দুঃখজনক, এবং উদ্বেগজনক নিরাপত্তার গাফিলতি। তাছাড়া সেনার তরফে আকাশপথে জওয়ানদের নিয়ে যাওয়ার দাবি জানানো হয়েছিল, যা মোদি সরকার প্রত্যাখ্যান করে। এমনকী জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের দেওয়া নিরাপত্তা সতর্কতাও মানা হয়নি।”

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[আরও পড়ুন: চূড়ান্ত সাফল্য ভারতের, মাসুদ আজহারকে আন্তর্জাতিক জঙ্গির তকমা রাষ্ট্রসংঘের]

মনমোহন আরও বলেন, “গত পাঁচ বছরে ভারতের উপর একের পর এক হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা। পাম্পোর, উরি, পাঠানকোট, গুরদাসপুর, সুনজান সেনা ক্যাম্প, অমরনাথ যাত্রার মতো হামলা অনেক হয়েছে। মোদি সরকারের সবচেয়ে বড় ভুল হল পাঠানকোট হামলার তদন্তে আইএসআইকে ডাকা। এতে সেনার মনোবল ভেঙে গিয়েছিল। গত পাঁচ বছরে জম্মু-কাশ্মীরে নিরাপত্তা পরিস্থিতি ক্রমশ অবনতি হচ্ছে।”

এরপরই বিস্ফোরক দাবি করেন মনমোহন। তিনি বলেন,”আমি মনে করিয়ে দিতে চাই, আমাদের সেনাকে সবসময় পূর্ণ স্বাধীনতা দেওয়া থাকে সমস্তরকম হামলার জবাব দেওয়ার জন্য। আমাদের সময়ও অনেক সার্জিক্যাল স্ট্রাইক হয়েছিল। আমাদের জন্য, সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ছিল কৌশলগত পদক্ষেপ এবং ভারত-বিরোধী শক্তিগুলিকে মোক্ষম জবাব দেওয়ার অস্ত্র। আমরা কখনই এই সাফল্যকে ভোটের ময়দানে কাজে লাগাতে চাইনি। গত ৭০ বছরে কোনও সরকারকে নিজের ব্যর্থতা ঢাকার জন্য সেনার সাফল্যের আড়ালে লুকোতে হয়নি।” ভোটের ভরা মরশুমে মনমোহন সিংয়ের এমন দাবি ঘিরে স্বভাবতই রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই তোলপাড় শুরু হয়েছে৷

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.