১ আশ্বিন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর মতো তাঁকেও খুন করা হতে পারে বলে অভিযোগ করলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। শনিবার বিজেপির বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি বলেন, “ইন্দিরা গান্ধীর মতো আমাকে খুন করতে পারে আমার ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরা। এইভাবেই বিজেপি আমাকে মারার চক্রান্ত করছে। মনে হয় একদিন তাতে সফলও হবে।” তাঁর নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা দেহরক্ষীরা বিজেপিকে তাঁর সমস্ত পদক্ষেপের বিস্তারিত বিবরণ দিচ্ছে বলেও অভিযোগ জানান আপ-এর সুপ্রিমো। বলেন, “বিজেপি আমার ব্যক্তিগত দেহরক্ষীদের দিয়ে আমাকে একদিন খুন করবেই।”

[আরও পড়ুন-‘দেশের আত্মাকে হত্যা করছেন সাধ্বী’, গডসে ইস্যুতে প্রজ্ঞাকে তোপ নোবেলজয়ী সত্যার্থীর]

গত শনিবার দিল্লির মোতিনগর এলাকায় দলীয় প্রার্থীর হয়ে রোড শো করছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। হুডখোলা জিপের উপরে দাঁড়িয়ে হাসিমুখে হাত নাড়াচ্ছিলেন তিনি৷ কিন্তু, আচমকাই পড়লেন চরম বিপদে। ভিড়ের মধ্যে থাকা এক ব্যক্তি আচমকা গাড়ির মাথায় উঠে পড়ে৷ তারপর সটান অরবিন্দ কেজরিওয়ালের গালে ঠাসিয়ে মারে চড়। পরে পুলিশের জেরার মুখে, নিজেকে আপ-এর প্রাক্তন সদস্য বলেও দাবি করে সে। জানায়, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের কাজে হতাশ হয়েই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে। যদিও পুরো বিষয়টি বিজেপির চক্রান্ত বলেই অভিযোগ করেছিল আপ। দাবি করা হয়েছিল, অরবিন্দ কেজরিওয়ালের উপর শারীরিক হামলা চালিয়ে তাঁকে দমানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।

[আরও পড়ুন- প্রচার শেষ হতেই শিবের দ্বারস্থ মোদি, গেলেন কেদারনাথ মন্দির দর্শনে]

শনিবার সেই দাবির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিজেপি তাঁকে খুন করার চক্রান্ত করছে বলে সরাসরি অভিযোগ জানালেন অরবিন্দ। তাঁর এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহলে। খোদ দেশের রাজধানীতে বসে একজন মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে কেন্দ্রের শাসকদলের বিরুদ্ধে  খুনের চক্রান্ত করার অভিযোগ করলেন তা অবাক করেছে সবাইকে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, শুক্রবার কেজরিওয়ালের কাছে জানতে চাওয়া হয়, দিল্লির ক’টি আসনে জয়ের আশা করছেন তিনি। তাঁর উত্তর ছিল, “দেখা যাক কী হয়। আসলে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগে পর্যন্ত মনে হচ্ছিল সাতটা পাব। কিন্তু, শেষ মুহূর্তে সমস্ত মুসলিম ভোট শিফট হয়ে যায় কংগ্রেসের দিকে। আমরা বোঝার চেষ্টা করছি কী হল। কেন মুসলিম ভোট সম্পূর্ণভাবে কংগ্রেসের দিকে চলে গেল।”

শনিবার এর উত্তরে দিল্লির কংগ্রেস সভাপতি শীলা দীক্ষিত বলেন, “উনি ঠিক কী বলেছেন তা আমি জানি না। তবে এটুকুই বলতে পারি যে প্রত্যেক মানুষেরই পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার অধিকার আছে। আসল বিষয় হল, দিল্লির মানুষ ওনার সরকারের মডেলই বোঝেননি। তাই ভোটও দেননি।” 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং