পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং সম্পত্তি পুনর্ব্যবহারে তৎপর রাজ্য সরকার। সম্প্রতি স্কুলশিক্ষা দপ্তরের তরফে সমস্ত জেলাশাসক এবং কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে চিঠি দিয়ে দ্রুত এই স্কুলগুলি পরিদর্শনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৩০ দিনের মধ্যে রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।
জানা গিয়েছে, প্রতিটি জেলায় জেলাশাসকের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠিত হবে। কমিটিতে থাকবেন জেলাশিক্ষা আধিকারিক, বিদ্যালয় পরিদর্শক এবং জেলাশাসকের এক প্রতিনিধি। এই কমিটি স্কুলগুলির জমির নথি, সম্পত্তির পরিমাণ এবং বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট জমা দেবে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, স্কুলগুলিতে পঠনপাঠন ফেরানো সম্ভব কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। তবে অন্যথায় স্থানীয় চাহিদার উপর ভিত্তি করে পিপিপি মডেলে ওই সম্পত্তিগুলিতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা প্রশিক্ষণকেন্দ্রের মতো জনপরিষেবামূলক কেন্দ্র গড়ার কথাও ভাবা হচ্ছে।
আরও পড়ুন:
এই সিদ্ধান্তকে সমালোচনা করে ডিএসও-র রাজ্য সম্পাদক বিশ্বজিৎ রায় জানান, সরকারের অবহেলায় স্কুলগুলি বেহাল হয়েছে এবং এখন পিপিপি মডেলের নামে সরকারি সম্পত্তি বেসরকারি হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে। এর প্রতিবাদে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর ‘সরকারি স্কুল বাঁচাও অভিযানের’ ডাক দিয়েছে সংগঠনটি। অন্যদিকে, অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শৈক্ষিক মহাসংঘের প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বাপি প্রামাণিক এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁর মতে, দখলমুক্ত করে এই জমিগুলি সাধারণ মানুষের কাজে লাগালে তা অত্যন্ত ইতিবাচক হবে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
দাঙ্গার মাঝে কীভাবে হিন্দুদের বাঁচালেন গোপাল পাঁঠা? ‘৪৬-এর আর্তনাদ’ তুলে ধরবে রাজ্যের এই পুজো
-
প্রেমের সিনেমা নয়, জীবনের ক্যানসার স্টাডি! কেমন হল আদৃতের ‘বেপরোয়া’?
-
বিধানসভায় পাশ শিক্ষক বদলি বিল, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বশাসন দুর্বল হবে না তো?
-
শিল্প-পর্যটনে জোয়ার, রুখা পুরুলিয়ায় বিনিয়োগ ১ লক্ষ কোটি টাকা
-
পুজোর আগে ঘরকে দিন নতুন রূপ, এই ৬ জিনিস বদলালেই কেল্লাফতে